ফিলিপাইনের দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রদেশ বাসিলানে যাত্রীবাহী একটি ফেরি ডুবে অন্তত ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। দুর্ঘটনার পর এখনো নিখোঁজ আছেন কমপক্ষে ৪৩ জন। ফেরিটিতে মোট ৩৪২ জন যাত্রী ও ২৭ জন ক্রু ছিলেন বলে জানিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন ও কোস্টগার্ড।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) স্থানীয় সময় ভোরে এই দুর্ঘটনা ঘটে। এখন পর্যন্ত ১৩৮ জনকে জীবিত উদ্ধার করেছে ফিলিপাইন কোস্টগার্ডের ডুবুরি দল। উদ্ধারকৃতদের মধ্যে ১৮ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
বাসিলানের মেয়র আরসিনা লাজা কাথিং নানোহ ও ফিলিপাইন কোস্টগার্ডের বাসিলান শাখার বরাতে এসব তথ্য জানা গেছে।
প্রশাসন সূত্র জানায়, ‘ত্রিশা কেরস্টিন–৩’ নামের ফেরিটি ভোরের দিকে বাসিলানের জাম্বোয়াঙ্গা শহর থেকে পার্শ্ববর্তী মিন্দানাও প্রদেশের জোলো দ্বীপের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে। যাত্রা শুরুর কিছুক্ষণের মধ্যেই ফেরিটি ডুবে যায়।
দুর্ঘটনার কারণ এখনো নিশ্চিত নয়। কোস্টগার্ড ও দুর্যোগ মোকাবিলা দপ্তরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বর্তমানে তাদের মূল লক্ষ্য নিখোঁজ যাত্রীদের খুঁজে বের করা।
দুর্যোগ মোকাবিলা দপ্তরের উদ্ধারকারী দলের মুখপাত্র রোনালিন পেরেজ বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেন, ‘এখন পর্যন্ত আমরা ১৩৮ জনকে জীবিত উদ্ধার করেছি। উদ্ধার অভিযান চালাতে গিয়ে জনবল সংকটে পড়তে হচ্ছে।’
তিনি আরও বলেন, উদ্ধার তৎপরতা জোরদার করতে মিন্দানাও প্রাদেশিক প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে যৌথভাবে কাজ করা হচ্ছে। পুরো অভিযানের সমন্বয়ের দায়িত্বে রয়েছে মিন্দানাও প্রাদেশিক কর্তৃপক্ষ।
প্রসঙ্গত, প্রায় ১১ কোটি ৬০ লাখ মানুষের দেশ ফিলিপাইনে নৌযান দুর্ঘটনা নতুন নয়। এর আগে ২০২৩ সালে দেশটির দক্ষিণাঞ্চলে একটি ফেরিতে আগুন লাগার ঘটনায় অন্তত ৩০ জন নিহত হয়েছিলেন।
সূত্র: এএফপি, আরটি
মন্তব্য করুন
খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, কর্তৃপক্ষ এর দায়ভার নেবে না।