জুলাই গণঅভ্যুত্থানে চট্টগ্রাম নগরে আহত হওয়া মোহাম্মদ হাসান থাইল্যান্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।
বৃহস্পতিবার (২৩ মে) দিবাগত রাত ১১টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের চট্টগ্রাম মহানগরীর সদস্য সচিব নিজামুদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় মুখপাত্র উমামা ফাতেমার এক ফেসবুক পোস্ট থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
‘এম্পাওয়ারিং আওয়ার ফাইটারস’ নামে একটি ফেসবুক পেজে হাসানের বোনের বরাতেও একই কথা বলা হয়েছে। সেখানে বলা হয়, ‘জুলাই অভ্যুত্থানের অন্যতম আহত যোদ্ধা আমাদের ভাই হাসান থাইল্যান্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় একটু আগে শহীদ হয়েছেন। সবাই দোয়া করবেন। খবরটি নিশ্চিত করেছেন ফোন করে হাসানের ছোট বোন সুমাইয়া।’
রাত ১১টা ২১ মিনিটে দেয়া ওই স্ট্যাটাসে উল্লেখ করা হয়, গত সাত মাস ধরে উন্নত চিকিৎসার জন্য থাইল্যান্ডে ছিলেন মোহাম্মদ হাসান। গত ১০ এপ্রিল হাসানকে লাইফসাপোর্ট থেকে সরিয়ে সাধারণ বেডে আনা হয়। ২৫ এপ্রিল তার অবস্থার অবনতি ঘটায় তাকে পুনরায় লাইফসাপোর্টে নেয়া হয়।
বৃহস্পতিবার রাত ১২টা ১৭ মিনিটের দিকে উমামা ফাতেমা এ নিয়ে একটি ফেসবুক পোস্ট করেন। এতে তিনি বলেন, ‘জুলাই অভ্যুত্থানে আহত হাসান ভাই একটু আগে মারা গেছেন। হাসান ভাই আহত হওয়ার পর থেকে এম্পাওয়ারিং আওয়ার ফাইটারসের মাধ্যমে তার সঙ্গে কলি আপু সার্বক্ষণিক যুক্ত ছিলেন। কিছুদিন আগে কলি কায়েয আপু বলছিলেন হাসানের অবস্থা বেশি ভালো না। আমি ভাবছিলাম দেশে আসলে দেখতে যাব। কি বলব!’
এম্পাওয়ারিং আওয়ার ফাইটারস’ ফেসবুক পেজে বলা হয়, ‘গত ৫ আগস্ট টাইগারপাসে আন্দোলনের সময় মাথার ডান পাশে গুলিবিদ্ধ হন হাসান, যা সম্ভাব্য ব্রেন ড্যামেজের কারণ হয়। চট্টগ্রাম মেডিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার খাদ্যনালী ও কণ্ঠনালী এক করে লাইফ সাপোর্ট দেয়া হয়। এ সময় ইনফেকশন ছড়িয়ে পড়ে তার মস্তিষ্কে এবং শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হলে দ্রুত তাকে ঢাকা সিএমএইচে নিয়ে যাওয়া হয়।’
মন্তব্য করুন
খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, কর্তৃপক্ষ এর দায়ভার নেবে না।