রাশিয়ার পক্ষে ইউক্রেন বিরুদ্ধে যোদ্ধা সংগ্রহে প্রতারণামূলকভাবে মানুষ পাঠানোর অভিযোগে কয়েকজন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাজ্য। সেই নিষেধাজ্ঞার আওতায় এসেছে বাংলাদেশের ট্র্যাভেল এজেন্সি ‘ড্রিম হোম ট্রাভেলস অ্যান্ড টুরস লিমিটেড’ও।
বাংলাদেশের এই প্রতিষ্ঠান ছাড়াও মানবপাচারের অভিযোগে নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়েছে আরও ১৪ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান।
ঢাকায় ব্রিটিশ হাইকমিশন বলেছে, ইউক্রেন যুদ্ধে লড়াই করার জন্য বাংলাদেশিদের প্রতারণা এবং শোষণের জন্য দায়ী এ ‘ড্রিম হোম ট্রাভেলস’। ‘বৈশ্বিক অনিয়মিত অভিবাসন ও মানবপাচারের জন্য নিষেধাজ্ঞা’ আইনের আওতায় নিষেধাজ্ঞার দেওয়া হয়েছে ড্রিম হোম ট্রাভেলসকে। এ নিষেধাজ্ঞার আওতায় যুক্তরাজ্যে থাকা সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত, ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা এবং ব্রিটিশ প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আর্থিক লেনদেন বন্ধের মতো শাস্তি রয়েছে।
রাশিয়ার ড্রোন উৎপাদনে লাগাম টানতে এবং অভিবাসীদের প্রতারণার মাধ্যমে রাশিয়ার জন্য যুদ্ধ পাঠানোতে যুক্ত ‘অসাধু চক্রকে’ টার্গেট করে ৩৫ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে শাস্তির আওতায় এনেছে ব্রিটিশ সরকার।
যুক্তরাজ্য সরকার আরও জানায়, নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়া চক্রটি উন্নত জীবনের সন্ধানে থাকা বিদেশি অভিবাসীদের প্রতারণার মাধ্যমে নিয়োগ করে আসছে। এরপর তাদেরকে যুদ্ধের সম্মুখভাগে কামানের গোলা ভরার কাজে পাঠাচ্ছে কিংবা ফেলে দিচ্ছে অস্ত্রের কারখানায়।
ব্রিটিশ দৈনিক ইন্ডিপেনডেন্টের খবর অনুযায়ী, নতুন নিষেধাজ্ঞার আওতায় ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন সের্গেই মেরজলিয়াকভ এবং আবিদ কালিদ শারিফ আবিদ। এই দুজনের বিরুদ্ধে ইউক্রেনে গিয়ে যুদ্ধ করা এবং ফিনল্যান্ড ও পোল্যান্ডকে ‘অস্থিতিশীল’ করার জন্য মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ ও বাংলাদেশ থেকে লোক নিয়োগে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে।
মন্তব্য করুন
খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, কর্তৃপক্ষ এর দায়ভার নেবে না।