সকল মেনু

আগামী তিন মাসে ফ্যামিলি কার্ড পাবে আরও ৩০ হাজার পরিবার: প্রধানমন্ত্রী

চলতি অর্থবছরের বাকি তিন মাসে আরও ৩০ হাজার পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আওতায় আনা হবে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ডের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতি আরও সচল হবে।

বুধবার (১ এপ্রিল) সংসদ অধিবেশনে বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য এ বি এম মোশাররফ হোসেনের (পটুয়াখালী-৪) প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।

প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, গত ১০ মার্চ দেশের ১৩টি জেলার ৩টি সিটি করপোরেশন/ইউনিয়নের ১৫টি ওয়ার্ডে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি চালু করা হয়েছে। এর মাধ্যমে প্রাথমিকভাবে ৩৭ হাজার ৮১৪টি নারীপ্রধান পরিবারকে ভাতা প্রদান করা হয়েছে। চলতি অর্থবছরের বাকি তিন মাসে আরও ৩০ হাজার পরিবারকে এ কর্মসূচির আওতায় আনা হবে। আগামী চার বছরের মধ্যে ৪ কোটি পরিবারকে পর্যায়ক্রমে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।

ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে পরিবারের সম্পদের ওপর নারীর নিয়ন্ত্রণ বাড়বে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, এ কার্ড পরিবারের নারীপ্রধানের নামে দেওয়া হবে। এর ফলে সহায়তাটি সরাসরি পরিবারের খাদ্য, পুষ্টি, জরুরি চিকিৎসা ও শিক্ষায় ব্যয় হবে। পাশাপাশি পরিবারের সম্পদের ওপর নারীর নিয়ন্ত্রণ বৃদ্ধি পাবে, যা সিদ্ধান্ত গ্রহণে তার ভূমিকা ও সামাজিক মর্যাদা বাড়াবে এবং নারী ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করবে।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। প্রশ্নোত্তরের প্রথম ৩০ মিনিট প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত ছিল।

প্রশ্নোত্তর পর্বের শুরুতে সৃষ্টিকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় তিনি নিজ নির্বাচনী এলাকা ঢাকা-১৭ আসনের ভোটারদের ধন্যবাদ জানান।

তিনি বলেন, যারা আমাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছেন, তাদের ধন্যবাদ। একই সঙ্গে যারা ভোট দেননি, তাদেরও জনপ্রতিনিধি হিসেবে ধন্যবাদ জানাই।

বিকেলে জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে প্রথম প্রশ্ন করেন সিলেট-২ আসনের সংসদ সদস্য তাহসিনা রুশদীর। তার প্রশ্ন ছিল, সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে ঘোষিত কার্যক্রমগুলোর কী কী অগ্রগতি হয়েছে?

প্রশ্নোত্তর পর্বে তারেক রহমান আরও বলেন, আমরা দেশের মানুষকে যেসব প্রতিশ্রুতি দিয়েছি, সর্বোচ্চ চেষ্টা দিয়ে তা বাস্তবায়নের চেষ্টা করব।

কুমিল্লা-৯ আসনের সংসদ সদস্য আবুল কালামের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনার পদক্ষেপ নেবে। এই অর্থ জনগণের আমানত। দেশ ও জনগণের প্রতি দায়বদ্ধ থেকে পাচার হওয়া অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, কর্তৃপক্ষ এর দায়ভার নেবে না।

top