রমজানের শুরু থেকেই রাজধানীর অলি-গলিতে জমে উঠেছে ইফতারের বাজার। বিকেলের দিকে এসব বাজারে ক্রেতাদের ভিড় দেখা গেলেও দাম চড়া হওয়ায় ক্রেতাদের অসন্তোষ লক্ষ্য করা গেছে।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর ইস্কাটন ও বেইলি রোড এলাকার বিভিন্ন ইফতারির দোকান ঘুরে দেখা গেছে, দই বড়া ৫০ টাকা, জালি কাবাব ৬০ টাকা, আস্ত রোস্ট ৬০০ টাকা, চিকেন বঁটি কাবাব ১৮০ টাকা, শোলে কাবাব ২৮০ টাকা, হারিয়ালি কাবাব ২৮০ টাকা, আচারী চিকেন ২৮০ টাকা, চিকেন চাপ ১৬০ টাকা, গ্রিল চিকেন ১৪০ টাকা, মিঠাইপুরি ৫০ টাকা এবং টুনা ফিশ ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
ছোট আইটেম যেমন পেঁয়াজু, আলুর চাপ, বেগুনি ১০-১৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। লাচ্ছি ১৫০ টাকার বড় প্ল্যাস্টিক গ্লাসে, হালিম ২০০–১,০০০ টাকা পর্যন্ত এবং ফিরনি ৫০–৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
ক্রেতারা অভিযোগ করেছেন, দাম বহুগুণ বেড়ে যাওয়ায় সহজ খাওয়া-দাওয়াও কঠিন হয়ে পড়েছে। এক ক্রেতা বলেন, আগে ৫০–১০০ টাকার ইফতারে সবাই মিলেমিশে খেতাম। এখন ৫০০ টাকার সামগ্রীও চোখে পড়ে না। মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত মানুষের জন্য পরিস্থিতি ভয়ানক।
বিক্রেতারা জানান, পাইকারি বাজারে দাম বাড়ার প্রভাব খুচরা বাজারেও পড়ছে। রাজধানীর একটি বাজারের বিক্রেতা নুর বলেন, চাইলেও বেশি দামে বিক্রি করতে পারি না। আগে ৫ টাকায় বিক্রি হতো, এখন ১০–১৫ টাকার নিচে সম্ভব নয়।
মন্তব্য করুন
খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, কর্তৃপক্ষ এর দায়ভার নেবে না।