দীর্ঘ সময় পর দেশে ফিরেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তাকে বহনকারী বাংলাদেশ বিমানের বোয়িং ড্রিমলাইনার ৭৮৭-৯০০ (ফ্লাইট বিজি-২০২) বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।
এর আগে একই ফ্লাইট সকাল ৯টা ৫৬ মিনিটে সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের মাটি স্পর্শ করে। বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার ভোর ১২টা ১৭ মিনিটে লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দর থেকে যাত্রা শুরু করে বিমানটি। তারেক রহমানের সঙ্গে একই ফ্লাইটে দেশে ফিরেছেন তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান ও কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান।
তারেক রহমানকে স্বাগত জানাতে বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তার নেতৃত্বে সকাল ১০টার দিকে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সিনিয়র নেতারা বিমানবন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জে প্রবেশ করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সালাহউদ্দিন আহমেদ, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আব্দুল মঈন খান, বিএনপি মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক ডা. মওদুদ হোসেন আলমগীর পাভেলসহ অন্যান্য নেতারা।
বিমানবন্দরে আনুষ্ঠানিকতা শেষে ভিআইপি লাউঞ্জ ‘রজনীগন্ধা’য় কিছু সময় অবস্থান করবেন তারেক রহমান। এরপর সড়কপথে কুড়িল হয়ে পূর্বাচলের ৩০০ ফিট এলাকায় নির্মিত গণসংবর্ধনা মঞ্চে যাবেন তিনি। সেখানে সমবেত জনতার উদ্দেশে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে। নির্ধারিত সময় অনুযায়ী দুপুর ৩টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত তিনি সেখানে থাকবেন।
পরে তিনি বসুন্ধরা জি ব্লকের গেট দিয়ে সরাসরি এভারকেয়ার হাসপাতালে যাবেন। সেখানে বিকেল ৪টা ১০ মিনিট থেকে প্রায় এক ঘণ্টা তার মা, বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সঙ্গে সময় কাটাবেন। হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে গুলশান এভিনিউয়ের ১৯৬ নম্বর বাসভবন ‘ফিরোজা’য় যাবেন তারেক রহমান।
তারেক রহমানের আগমন ঘিরে তিন স্তরের কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। নিরাপত্তার কারণে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দর্শনার্থী প্রবেশ নিষিদ্ধ করেছে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)। একই সঙ্গে বিমানবন্দর এলাকায় বাড়ানো হয়েছে গোয়েন্দা নজরদারি, প্রস্তুত রাখা হয়েছে সোয়াট টিম।
মন্তব্য করুন
খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, কর্তৃপক্ষ এর দায়ভার নেবে না।