সকল মেনু

জামায়াত বিরোধিতার নৈতিক অবস্থান নেই আওয়ামী লীগ ও বিএনপির

মুক্তিযুদ্ধের সময়ের ভূমিকার কারণে ২০২৫ সালে এসে জামায়াতের বিরোধিতা করার নৈতিক অবস্থান আওয়ামী লীগ-বিএনপির নেই বলে দাবি করেছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা, লেখক ও গবেষক মহিউদ্দিন আহমদ। তাঁর মতে, আজকের প্রজন্ম একাত্তর, পঁচাত্তর, নব্বই দেখেনি। তারা দেখেছে, শেখ হাসিনার শাসন আর খালেদা জিয়ার বিরোধিতা। তাদের মধ্যে একধরনের মন তৈরি হয়ে থাকতে পারে যে, তারা প্রচলিত ধারার রাজনীতি আর রাজনীতির বিরোধিতাকে (জামায়াতের একাত্তরের ভূমিকার জন্য বড় দুই দলের সুবিধাজনক সময়ে বিরোধিতা করা) সমর্থন করেন না। ‘কাল্ট ওরশিপ’ বা ব্যক্তিপূজার বড়শি দিয়ে তরুণ মন গেঁথে ফেলার দিন সম্ভবত শেষ।

সম্প্রতি গণমাধ্যমকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি দাবি করেন, মুক্তিযুদ্ধের ঘেরাটোপে আটকে থাকা চিন্তার প্রভাব তরুণদের মধ্যে ক্রমে বিলীয়মান। সদ্য অনুষ্ঠিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে জামায়াতের ছাত্রসংগঠন ইসলামী ছাত্রশিবিরের বিশাল ভোটের ব্যবধানে জয়ের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ভোটারদের মধ্যে বেশিরভাগই তরুণ। কে অতীতে কী করেছেন, তা নিয়ে জাবর কেটে তাদের জীবন চলবে না। তারা কী চান, রাজনৈতিক দলগুলোকে সেটি বিবেচনায় নিতে হবে। মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করার কারণে এ দেশে জামায়াত, বা কোনো দল নিষিদ্ধ হয়নি।

সাবেক দুই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও খালেদা জিয়াকে ‘গণতন্ত্রের দুই মানসকন্যা’ বলে অভিহিত করেন মহিউদ্দিন আহমদ। তাঁর অভিযোগ, ‘গণতন্ত্রের দুই মানসকন্যা গদিনশিন হয়ে ডাকসু নির্বাচনই হতে দেননি।’ যদিও তাঁর এ তথ্য পুরোপুরি ঠিক নয়। দীর্ঘ ২৮ বছর পর ২০১৯ সালে শেখ হাসিনার সরকারের আমলে অনুষ্ঠিত হয়েছিল ডাকসুর নির্বাচন। মহিউদ্দিন আহমদ আওয়ামী লীগ ও বিএনপিকে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের বড় দুটি রাজনৈতিক দল উল্লেখ করে বলেন, ‘এ দেশে রাজনৈতিক প্রপাগান্ডিস্টরা যা-ই প্রচার করুক না কেন, আমরা জানি, মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের বড় দুটি দল হলো আওয়ামী লীগ ও বিএনপি।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, কর্তৃপক্ষ এর দায়ভার নেবে না।

top