সকল মেনু

সাড়ে তিন বছর পর সেফটি ট্যাংকি থেকে মহব্বত আলীর দেহাবশেষ উদ্ধার, গ্রেপ্তার ২

হবিগঞ্জের মাধবপুরে নিখোঁজের সাড়ে তিন বছর পর মহব্বত আলী নামে এক ব্যক্তির দেহাবশেষ উদ্ধার করেছে পুলিশ। উপজেলার চৌমুহনী ইউনিয়নের রামনগর গ্রামের একটি বাড়ির টয়লেটের সেফটি ট্যাংকি থেকে তাঁর দেহাবশেষ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে এক দম্পতিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) বেলা ২টার দিকে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) একটি দল এ অভিযান চালায়। গ্রেপ্তারকৃতদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সেফটি ট্যাংকি থেকে দেহাবশেষ উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মহব্বত আলী রামনগর গ্রামের রুস্তম আলীর ছেলে। প্রায় সাড়ে তিন বছর আগে তিনি নিখোঁজ হন। এ ঘটনায় মাধবপুর থানায় (জিআর মাধবপুর ৩৪৫) মামলা দায়ের করা হয়েছিল। দীর্ঘদিন ধরে মামলাটির তদন্ত চলছিল।

সম্প্রতি এ মামলায় একই গ্রামের শাহ আলম (৪২) ও তাঁর স্ত্রী জাহানারা (৩৪) কে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাঁদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মহব্বত আলীর দেহাবশেষ উদ্ধার করা হয়।

জেলা গোয়েন্দা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ-২ রনজিৎ রায় জানান, গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের তথ্য অনুযায়ী, মহব্বত আলীর দেহাবশেষ টয়লেটের সেফটি ট্যাংকি থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। মামলার তদন্ত চলমান রয়েছে।

মাধবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সোহেল রানা বলেন, মহব্বত আলীর নিখোঁজের ঘটনায় প্রায় সাড়ে তিন বছর আগে মাধবপুর থানায় মামলা হয়েছিল। বর্তমানে মামলাটি জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) তদন্ত করছে। শুক্রবার একটি টয়লেটের সেফটি ট্যাংকি থেকে তাঁর দেহাবশেষ উদ্ধার করা হয়েছে।

দীর্ঘদিন পর নিখোঁজ ব্যক্তির দেহাবশেষ উদ্ধারের ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এদিকে মহব্বত আলীর পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে শোক ও ক্ষোভ বিরাজ করছে। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন গ্রামবাসী।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, কর্তৃপক্ষ এর দায়ভার নেবে না।

top