সকল মেনু

বিশেষ কোনও ধর্মকে টার্গেট না করতে ভারতকে জামায়াত আমিরের অনুরোধ

পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের পর রাজ্যজুড়ে বিজেপির তাণ্ডবের ঘটনায় ভারত সরকারের নেয়া পদক্ষেপের বিষয়ে পর্যবেক্ষণ করছেন জানিয়ে জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘বিশেষ কোনও ধর্মকে টার্গেট করে কারো ওপর অত্যাচার যেন করা না হয় সে বিষয়ে ভারত সরকারকে অনুরোধ জানাচ্ছি। পরে এ ব্যাপারে আমাদের মন্তব্য জানানো হবে।’

সব দল ও ধর্মের মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সীমান্ত হত্যাসহ পুশ ইন সব বিষয়েই পর্যালোচনা করছে জামায়াত।

শনিবার (৯ মে) আটদিনের জাপান সফর শেষে দেশে ফিরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘আটদিন জাপানে ছিলাম। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ভাইস মিনিস্টারের সাথে আলোচনা করেছি। ৭২ সালের ১ জুলাই তারা বাংলাদেশে এম্ব্যাসি স্থাপন করে। তখন থেকেই তারা বাংলাদেশের সাথে কাজ করে যাচ্ছে। দুটি দেশ আরো ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবে এটাই ছিল মূল আলোচনা। স্কিল ডেভলপমেন্ট নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তারা সর্বোচ্চ সহযোগিতার ব্যাপারে আশ্বাস দিয়েছে।’

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘আটদিনের মধ্যে ছয়দিনই ওখানে ভূমিকম্প ছিল। তাদের কাছে এ ব্যাপারে জানতে চেয়েছি, শহুরে অবকাঠামো উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। জাপানে বাংলাদেশের প্রবাসীদের চাওয়া-পাওয়া জানতে চেয়েছি। জাপানের সব সংস্থাই আন্তরিক সহযোগিতা করেছে। বাংলাদেশ নিয়ে তাদের অনেক প্রত্যাশা আছে। দায়িত্বশীল বিরোধী দল হিসেবে সরকারকে লাইনে রাখবো, ভুল সিদ্ধান্ত নিলে প্রয়োজনে প্রতিরোধ করবো। আলোচনায় এসেছে দেশে থাকা বিপুলসংখ্যক ক্যান্সার রোগীর কথা। বিনিয়োগের ভিত্তিতে বা অন্যভাবে হলেও তারা যেন এদেশে একটা ক্যান্সার হাসপাতাল বা ইনস্টিটিউট করে। তারা এটি বিবেচনায় নিয়েছে। আশা করি এই প্রস্তাব ইতিবাচকভাবেই আগাবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘থাইল্যান্ড গিয়েছিলাম। সেখানে অনেক জুলাই যোদ্ধা চিকিৎসা নিচ্ছে। মানবতার জায়গা থেকে তাদের দেখতে গিয়েছিলাম। তাদের চিকিৎসা ও কাউন্সেলিংয়ের জন্য সরকারকে উদ্যোগ নিতে হবে। সেখানকার চিকিৎসকদের অনুরোধ করেছি যেন সর্বোচ্চটা দিয়ে তারা সেবা করে। তিনজন রোগী ছিল যাদের থাইল্যান্ডে চিকিৎসা হবে না। সিঙ্গাপুর নিতে হবে। সেটা নিয়ে সরকারের সাথে আলোচনা হবে। আহতদের জোরালো দাবি ছিল গণভোটের রায়, জুলাই সনদ অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করা।’

তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‘সরকার বেশি বেশি পলিটিসাইজ হয়ে গেছে। এ কারণে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দিকে মনোযোগ দিতে পারছে না। গাজীপুরে একই পরিবারে পাঁচজনসহ বিভিন্ন হত্যাকাণ্ডের ঘটনা তার বাস্তব উদাহরণ। আমরা এসব ঘটনার নিন্দা জানাচ্ছি।’

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, কর্তৃপক্ষ এর দায়ভার নেবে না।

top