বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) দুর্নীতি ও ফিক্সিংয়ে জড়িত থাকার অভিযোগে কয়েকজন ক্রিকেটার, দলীয় কর্মকর্তা ও ফ্র্যাঞ্চাইজি মালিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। বিসিবির দুর্নীতি দমন ইউনিটের (বিসিবিআইইউ) তদন্তে তাঁদের বিরুদ্ধে আইসিসির দুর্নীতিবিরোধী বিধিমালা ভঙ্গের অভিযোগ আনা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) এক বিজ্ঞপ্তিতে বিসিবি জানায়, বিপিএলের ১২তম আসরকে ঘিরে দুর্নীতি, ম্যাচ ফিক্সিং, তদন্তে অসহযোগিতা এবং তদন্ত বাধাগ্রস্ত করার অভিযোগে এই তদন্ত পরিচালনা করা হয়। তদন্তে ফিক্সিং সংক্রান্ত কার্যক্রম, ক্রিকেট–সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কাছে দুর্নীতির প্রস্তাব, প্রাসঙ্গিক তথ্য গোপন বা মুছে ফেলা এবং দুর্নীতি দমন কর্মকর্তাকে সহযোগিতা না করার বিষয় উঠে আসে।
অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন দলীয় ব্যবস্থাপক মো. লাবলুর রহমান ও মো. রেজওয়ান কবির সিদ্দিক, ফ্র্যাঞ্চাইজির সহমালিক মো. তৌহিদুল হক তৌহিদ এবং ঘরোয়া ক্রিকেটার অমিত মজুমদার।
বিসিবির অভিযোগ অনুযায়ী, লাবলুর রহমান ও তৌহিদুল হক তৌহিদের বিরুদ্ধে তদন্তে সহযোগিতা না করা এবং তথ্য গোপন বা মুছে ফেলার অভিযোগ আনা হয়েছে। অন্যদিকে অমিত মজুমদার ও রেজওয়ান কবির সিদ্দিকের বিরুদ্ধে ক্রিকেট ম্যাচের ফল, অগ্রগতি বা অন্য কোনো বিষয়ে বাজিতে অংশ নেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে।
অভিযুক্ত সবাইকে সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। অভিযোগপত্র পাওয়ার পর তাঁদের জবাব দেওয়ার জন্য ১৪ দিন সময় দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে আপাতত আর কোনো মন্তব্য করবে না বলে জানিয়েছে বিসিবি।
এ ছাড়া বিপিএলের নবম, দশম ও একাদশ আসর–সংশ্লিষ্ট দুর্নীতির অভিযোগে সামিনুর রহমানের বিরুদ্ধে ‘এক্সক্লুশন অর্ডার’ জারি করেছে বিসিবি। তদন্তে তাঁর বিরুদ্ধে খেলোয়াড় ও এজেন্টদের কাছে দুর্নীতির প্রস্তাব দেওয়া, দেশি–বিদেশি বাজি ও দুর্নীতি চক্রের সঙ্গে যোগাযোগ এবং ম্যাচে দুর্নীতিমূলক কর্মকাণ্ডে সহায়তার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
বিসিবি জানিয়েছে, সামিনুর রহমান ‘এক্সক্লুশন অর্ডার’-এর বিরুদ্ধে জবাব দেওয়ার অধিকার ছেড়ে দিয়ে শাস্তি মেনে নিয়েছেন।
মন্তব্য করুন
খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, কর্তৃপক্ষ এর দায়ভার নেবে না।