আটক, থানা ঘেরাওসহ দিনভর নানা নাটকীয়তা। অবশেষে ১২ ঘণ্টা পর কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল কাইয়ুমকে মুক্তি দিয়েছে পুলিশ। তাকে আটক করার পর থেকেই থানা অবরোধ করে রাখেন বিএনপির নেতাকর্মী ও সমর্থকরা।
রবিবার (৩ মে) দিবাগত রাত ১২টার দিকে রেজাউল কাইয়ুমকে কুমিল্লা কোতোয়ালি থানা থেকে মুক্তি দেয় পুলিশ। এর আগে, দুপুর ১২টার দিকে তাকে নগরীর শাসনগাছা এলাকা থেকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।
রাত ১২টায় কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানা প্রাঙ্গণ থেকে দেখা গেছে, দিনে আটককৃত বিএনপি নেতা রেজাউল কাইয়ুম থানা থেকে বেরিয়ে যাচ্ছেন। এসময় থানা ফটকের সামনে অবস্থানরত নেতাকর্মীরা তাকে স্বাগত জানান। পরে কুশল বিনিময় শেষে তিনি একটি গাড়িতে উঠলে কিছুক্ষণ পর গাড়িটি ছেড়ে যায়। তার পেছনে পেছনে কয়েকটি মোটরসাইকেল বহর নিয়ে যান নেতাকর্মী ও সমর্থকরা।
তাকে ১২ ঘণ্টা আটকে রেখে জিজ্ঞাসাবাদের বিষয়ে পুলিশের কোনো ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার বক্তব্য জানা যায়নি। তবে দুপুরে তাকে আটক এবং জিজ্ঞাসাবাদের বিষয়টি নিশ্চিত করেছিলেন কোতোয়ালি মডেল থানা-পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল আনোয়ার।
রাত ১০টার দিকে থানার সামনে থেকে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশের পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. শরীফ। এ সময় তিনি সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, রেজাউল কাইয়ুমের বিরুদ্ধে কিছু অভিযোগ ছিল। আমরা সেটি খতিয়ে দেখছি। ঠিক তার বিরুদ্ধে কী কী অভিযোগ রয়েছে সে বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এই পুলিশ কর্মকর্তা জানান, এ বিষয়ে আপনাদের কাছে আমি মন্তব্য করতে পারব না। তবে অভিযোগের বিষয়গুলোর প্রমাণ পেলে তাকে আগামীকাল সকালে আদালতে তোলা হতে পারে।
পুলিশ পরিদর্শকের এমন কথার দুই ঘণ্টা পর বিএনপি নেতা রেজাউল কাইয়ুম থানা থেকে ছাড়া পান।
মন্তব্য করুন
খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, কর্তৃপক্ষ এর দায়ভার নেবে না।