সকল মেনু

প্রথম ম্যাচে দাপুটে জয় টাইগারদের

প্রথম টি-টোয়েন্টিতে সফরকারী নিউজিল্যান্ডকে ৬ উইকেটে হারিয়ে তিন ম্যাচের সিরিজে ১-০তে এগিয়ে গেলো স্বাগতিক বাংলাদেশ। ১২ বল হাতে রেখেই ১৮৩ রানের লক্ষ্য অর্জন করে টাইগাররা।

চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে টাইগারদের ১৮৩ রানের লক্ষ্য ছুড়ে দিয়েছিল কিউইরা। টি-টোয়েন্টিতে এতো রান তাড়া করে টাইগারদের জয় হাতে গোনা। জবাব দিতে নামা সাইফ হাসান ও তানজিদ হাসান তামিমের শুরুটাও আশাব্যাঞ্জক ছিল। প্রথম ৫ ওভারে ৪০ রান সংগ্রহ করে দু’ব্যাটসম্যান।

তবে পাওয়ার প্লে-র শেষ ওভারে ধাক্কা খায় টাইগাররা। ডিপ মিডউইকেটে জ্যাকবসের তালুবন্দী হন সাইফ হাসান। ন্যাথান স্মিথের বলে আউট হওয়ার আগে ২ চার ও ১ ছয়ে ১৬ বলে ১৭ রান করেন সাইফ। ষষ্ঠ ওভারে মাত্র ৪ রানের বিনিময়ে ১ উইকেট খোয়াতে হয় বাংলাদেশকে।

পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে ১ উইকেটের বিনিময়ে ৪৪ রান তোলে স্বাগতিকরা। পাওয়ার প্লেতে কাঙ্ক্ষিত রান না পেলেও, পরের ওভারগুলোতে অপ্রত্যাশিতভাবে রানের চাকায় গতি পায় বাংলাদেশ। এক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রাখেন তৌহিদ হৃদয়।

নবম ওভারে ১০, দশম ওভারে ১১, একাদশ ওভারে ১৮ ও ১২তম ওভারে ১৩ রান তুলে নেন টাইগার ব্যাটাররা। ১১.৩ ওভারে শতরানের কোটায় পৌঁছায় বাংলাদেশ।

১৫ বলে ২১ রান করে আউট হন লিটন। ২৫ বলে ২০ রান করে আউট হন তানজিদ হাসান তামিম। আর ১৪ বলে ২৮ করে আউট হন পারভেজ ইমন। দলীয় ১৩৪ রানে চতুর্থ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। ১৬ ওভারে দেড়শো রানের পৌঁছায় টাইগাররা।

শেষ বেলায় কিউই বোলারদের ওপর রীতিমত তাণ্ডব চালান তৌহিদ হৃদয় ও শামীম পাটোয়ারী। চার ওভারে ৩৩ রান দরকার হলেও দুই ওভারেই সেটা তুলে নেন দুজন। জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় স্বাগতিকরা।

এরআগে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে, দলীয় ১১ রানে প্রথম উইকেট হারায় নিউজিল্যান্ড। তবে আর কোনো উইকেট না হারিয়ে পাওয়ার প্লেতে ৬১ রান সংগ্রহ করে কিউইরা।

দলীয় ৯৯ রানে নিউজিল্যান্ডের দ্বিতীয় উইকেটের পতন ঘটান রিশাদ হোসেন। ৫১ করে প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন ক্লেভার। ৭টি চার ও ১টি ছয়ে এ রান সংগ্রহ করেন ক্লেভার।

৭টি চার ও ১টি ছয়ে অর্ধশত তুলে নেন ক্যাটেন ক্লার্কও। এরপরই আঘাত হানেন রিশাদ হোসেন। তৌহিদ হৃদয়ের হাতে ক্যাচ দিতে ক্লার্ককে বাধ্য করেন এ লেগ স্পিনার। দলীয় রান তখন ৩ উইকটে ১১০।

পরের ওভারে কিউই শিবিরে আঘাত হানেন তানজিম হাসান সাকিব। বিভোন জ্যাকবসকে ১ রানেই ফেরত পাঠান এ টাইগার পেসার। ১২ ওভার ৩ বলে দলীয় ১১৭ রানে চতুর্থ উইকেট হারায় সফরকারীরা।

১১-১৫ ওভার রান সংগ্রহে নিউজিল্যান্ড ধাক্কা খেলেও পরের ৫ ওভারে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ায় সফরকারীরা। মাত্র ১ উইকেট হারিয়ে ৫৩ রান সংগ্রহ করতে সমর্থ হয় কিউইরা। যা ৬ উইকেট হারানো কিউইদের ১৮২ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোর এনে দেয়।

টম ল্যাথামের পরিবর্তে দলপতির দায়িত্ব পালন করা নিক কেলি ২৭ বলে ৩৯ রান সংগ্রহ করে রানের গতি বাড়াতে ভূমিকা রাখেন। ৫টি চার ও ১টি ছক্কা হাঁকান তিনি। ১৪ বলে ২৭ রানে অপরাজিত থাকেন জশ ক্লার্কসন। ২টি চার ও ১টি ছক্কা মারেন তিনি।

বাংলাদেশের পক্ষে রিশাদ হোসেন দুটি উইকেট শিকার করেন। একটি করে উইকেট পান- শরিফুল ইসলাম, তানজিম হাসান সাকিব, মেহেদি হাসান মিরাজ।

আগামী বুধবার (২৯ এপ্রিল) একই মাঠে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে মুখোমুখি হবে দুদল।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, কর্তৃপক্ষ এর দায়ভার নেবে না।

top