আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মৃত্যুর প্রায় এক সপ্তাহ পর নতুন সুপ্রিম লিডার হিসেবে তার ছেলে মোজতবা খামেনিকে নির্বাচন করেছে ইরান।
সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা তাদের এক বিশ্লেষণে বলেছে, মোজতবার সুপ্রিম লিডার হওয়ার মাধ্যমে আলি খামেনিকে হত্যা করা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন উঠবে। কারণ আলি খামেনি কট্টরপন্থি ছিলেন এখন তার স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন আরেকজন কট্টরপন্থি। তাহলে আলি খামেনিকে হত্যা করে কি লাভ হলো।
স্টিমসন ইনস্টিটিউটের বারবারা স্লাভিন আলজাজিরাকে বলেছেন, “যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছিলেন মোজতবা তাদের কাছে গ্রহণযোগ্য নয়। কিন্তু এখন তাকে নির্বাচিত করার মাধ্যমে তার চোখের দিকে সত্যিকার অর্থে আঙুল তোলা হয়েছে।”
“অর্থাৎ পুরো বিষয়টি যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়লের যুদ্ধকে সংজ্ঞাহীন করে তুলেছে। মানে, আয়াতুল্লাহ খামেনিকে হত্যা করে তার ছেলেকে স্থলাভিষিক্ত করা হয়েছে। যিনি তার বাবার চেয়েও আরও ক্ষিপ্র হতে পারেন। অবশ্যই তিনি তার মা-বাবা-স্ত্রী এবং এক ছেলেকে এক সপ্তাহ আগে ইসরায়েলি হামলায় হারিয়েছেন।
সরাসরি না হলেও গত কয়েক বছর ধরে মোজতবা তার বাবার সঙ্গে ইরানকে শাসন করছেন। আর ইরান এখন যে ঝুঁকিতে আছে এমন সময় তাকে সুপ্রিম লিডার করার বিষয়টিই বেশি যৌক্তিক। কারণ তিনি সবাইকে চিনেন, জানেন।
তবে মোজতবা এমন কেউ হবেন না যিনি ইরানে মানবাধিকার ও গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরিয়ে আনবেন।— বলেন এ বিশেষজ্ঞ।
সূত্র: আলজাজিরা
মন্তব্য করুন
খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, কর্তৃপক্ষ এর দায়ভার নেবে না।