সকল মেনু

পদ্মা সেতু দিয়ে আজও মোটরসাইকেল পারাপারের হিড়িক

ঈদ ঘিরে শুক্রবারও (২১ এপ্রিল) পদ্মা সেতু হয়ে বাড়ি ছুটছে দেশের দক্ষিণবঙ্গের মানুষ। সকাল থেকে মুন্সিগঞ্জের মাওয়া টোলপ্লাজা হয়ে কয়েকশ গণপরিবহন, ব্যক্তিগত যানবাহন সেতু পাড়ি দিচ্ছে। শর্ত সাপেক্ষে অনুমতি পাওয়ার পর সেতু পার হচ্ছে মোটরসাইকেলও। আজও মোটরসাইকেল পারাপারে হিড়িক পড়েছে। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মোটরসাইকেলের চাপ কমেছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, টোলপ্লাজার অভিমুখের ডেডিকেটেড লেনে হাজারো মোটরসাইকেল। সারিবদ্ধভাবে এসব মোটরসাইকেল টোল দিচ্ছে।

কয়েকজন চালক জানান, আজ চাঁদ দেখা গেলে শনিবার ঈদ। এজন্য দেরি না করে বাড়ি ছুটছেন তারা। পরিবার পরিজনের সঙ্গে ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি করতে ভোর থেকেই তারা সেতু এলাকায় আসছেন। গণপরিবহনের ভাড়া নৈরাজ্য আর হয়রানি এড়াতে মোটরসাইকেল বেছে নিয়েছেন তারা।

সেতু সংশ্লিষ্টরা জানান, মাওয়া টোল প্লাজার মোটরসাইকেলের জন্য নির্ধারিত বুথসহ সাতটি বুথ দিয়ে টোল আদায় হচ্ছে। সারিবদ্ধভাবে টোল দিয়ে সহজে সেতু পাপর হচ্ছে যানবাহন।

গত ২৪ ঘণ্টায় সেতু দিয়ে ১২ হাজার ৪২টি মোটরসাইকেল পারাপার করেছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট সূত্র।

সেতু বিভাগের অতিরিক্ত পরিচালক আমিরুল হায়দার চৌধুরী বলেন, বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা থেকে শুক্রবার সকাল ৭টা পর্যন্ত সেতুর দুই অংশ হয়ে এসব মোটর সাইকেল প্রমত্তা পদ্মা পাড়ি দেয়। মাওয়া প্রান্ত থেকে ৮ হাজার ৮৭৩টি ও জাজিরা প্রান্ত থেকে ৩ হাজার ১৬৯টি মোটরসাইকেল সেতু পাড়ি দেয়।

এদিকে শুক্রবার সেতুতে দাঁড়িয়ে ছবি তোলায় সাত মোটরসাইকেল আরোহীকে ৩ হাজার করে ২১ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। মুন্সিগঞ্জ ট্রাফিক পুলিশের ইন্সপেক্টর বজলুর রহমান বিষয়টি জাগো নিউজকে নিশ্চিত করেছেন। শুক্রবার সেতুর বিভিন্ন স্থান থেকে তাদের আটক করা হয়।

তিনি বলেন, সেতুতে কোনোভাবেই দাঁড়ানো কিংবা ছবি তোলা এবং লেন ক্রস না করার বিষয়ে নির্দেশনা ছিল। শুক্রবার সকাল থেকে আমাদের তৎপরতা ছিল। নিয়ম না মেনে সেতুর বিভিন্ন স্থানে মোটরসাইকেল থামিয়ে সেতুতে ছবি তুলছিল এবং বেশ কয়েকজন নির্ধারিত লেন ক্রস করে যানবাহন চলার লেনে চলে যায়।

বজলুর রহমান আরও বলেন, সেতুর বিভিন্ন স্থান থেকে এ চিত্র দেখে শৃঙ্খলা ভঙ্গকারীদের আটক করা হয়। পরে সড়ক পরিবহন আইনে তাদের ৩ হাজার টাকা করে ২১ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

পদ্মা সেতুর উত্তর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আলমগীর হোসাইন বলেন, সেতুতে নিয়ম শৃঙ্খলার জন্য আমাদের কার্যক্রম চলছে। যেহেতু কাল কিংবা পরশু ঈদ তাই আজ ভোরে বেশ চাপ ছিল। তবে ৮টার পর থেকে সে চাপ অনেকাংশে কমে গেছে। এখন যারা আসছে তাদের আর অপেক্ষা করতে হচ্ছে না। আমাদের সদস্যরা যাত্রীদের নিয়ম মানার জন্য তাগিদ দিচ্ছে। কেউ নিয়ম না মানলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, কর্তৃপক্ষ এর দায়ভার নেবে না।

top