অর্থ ও বাণিজ্য

ঢেউ টিনের দাম কমবে ১০ শতাংশ

  নিজস্ব প্রতিবেদক : উৎপাদন ও সরবরাহ পর্যায়ে মূল্য সংযোজন করের (মূসক) ক্ষেত্রে ট্যারিফ ভ্যালু ১০ শতাংশ কমে যাওয়ায় খুচরা পর্যায়ে ঢেউ টিনের দাম ১০ শতাংশ কমতে পারে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) মূসক বিভাগের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা হটনিউজ২৪বিডি.কমকে এই তথ্য জানিয়েছেন। তিনি জানান, এনবিআরের মূসক অনুবিভাগ থেকে সম্প্রতি এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ট্যারিফ ভ্যালু ১০ শতাংশ কমানোর ওই আদেশ দেওয়ায় আশা করা করা যায় খুচরা পর্যায়ে সব ধরনের ঢেউ টিনের বাজার মূল্য ১০ শতাংশ কমবে।

এনবিআর সূত্রে জানা যায়, মূসক আইন ১৯৯১ (২২) ধারার ৫ এর উপ-ধারা (৭) পরিবর্তন করে সব ধরনের ঢেউ টিনের উৎপাদন ও সরবরাহ পর্যায়ে স্লাবকে পুনর্বিন্যাস করা হয়েছে। এতে ঢেউ টিনের পাঁচটি স্লাবে প্রতি মেট্রিক টনে মূসকের পরিমাণ ১৩৫০ টাকা থেকে ৬০০ টাকা পর্যন্ত কমানো হয়েছে।
এনবিআর সূত্রে আরো জানা যায়, ঢেউ টিনের পাঁচটি স্লাবের মধ্যে এইচ আর কয়েল থেকে সি আর কয়েলের প্রতি মেট্রিক টনের উৎপাদন ও সরবরাহে মূসক ৭৫০ টাকা কমিয়ে ৭,৫০০ টাকা, সি আর কয়েল থেকে জি পি শিটে ৬০০ টাকা কমিয়ে ৬,০০০, সি আর কয়েল থেকে সি আই শিটে ৬৩৫ টাকা কমিয়ে ৬,৩৭৫ টাকা, এইচ আর কয়েল থেকে জি পি শিটে এক হাজার ৩৫০ টাকা কমিয়ে ১৩,৫০০ টাকা এবং এইচ আর কয়েল থেকে সি আই শিটে  ১,৩৫০ টাকা কমিয়ে ১৩,৮৭৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বাংলাদেশে সাধারণত ঢেউ টিন আমদানি করতে হয় না। এইচ আর ও সি আর কয়েল এবং জি পি ও সি আই শিট দ্বারা ঢেউ টিন তৈরি হয়। বাজারে বর্তমানে ভালো মানের ঢেউ টিন প্রতি টন বিক্রি হচ্ছে ৯০ হাজার থেকে এক লাখ ১৫ হাজার টাকায়। আর নিম্নমানের টিনের মূল্য প্রতি টনে ৩৫ হাজার টাকা মান ভেদে ভিন্ন মূল্যে বিক্রি হয়। তাই উৎপাদন ও সরবরাহের ওপর মূসক কমানোর ফলে সব ধরনের ঢেউ টিনে দাম কমে যাবে।