জাতীয়

রিকশাও আসছে টোলের আওতায়

ঢাকা, ২৪ মার্চ (হটনিউজ২৪বিডি.কম) : রিকশাসহ ১৩ ধরনের যানবাহন টোলের আওতায় আসছে। সড়ক, মহাসড়কে এসব যানবাহনকে টোল দিয়ে চলাচল করতে হবে। আদায়কৃত টোলের অর্থ সড়ক উন্নয়ন তহবিলে জমা হবে। ব্যয় হবে সড়ক উন্নয়ন ও রক্ষণাবেক্ষণের কাজে।

সোমবার টোল নীতিমালা ২০১৪ চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। এতে সর্বনিম্ন ৫ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ১০০০ টাকা টোলের বিধান রাখা হয়েছে। এর ফলে দেশের গুরুত্বপূর্ণ, জাতীয় ও আঞ্চলিক মহাসড়কে চলাচলকারী ১৩টি ক্যাটাগরির যানবাহনকে টোল দিয়ে চলতে হবে। অবকাঠামো নির্মাণের পর সুবিধাজনক সময় থেকে টোল আদায় কার্যক্রম শুরু করবে সড়ক বিভাগ।

সোমবার সকাল ১০টায় সচিবালয়ে প্রধানমস্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয় মন্ত্রিসভার বৈঠক।

বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ মোশাররাফ হোসাইন ভূঁইঞা বলেন, টোল নীতিমালার ফলে সরকারের রাজস্ব বাড়বে। সড়ক অবকাঠামো উন্নয়ন ও রক্ষণাবেক্ষণ সহজ হবে। নীতিমালার আওতায় আসবে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের সড়ক যোগাযোগ। প্রকারভেদে সর্বোচ্চ ৫ টাকা থেকে ১০০০ টাকা পর্যন্ত টোল দিতে হবে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, মহাসড়কের উড়াল সেতু, সেতু, টানেল ওভারপাস ও ফেরি টোলের আওতায় আসবে। সেতু ২০০ মিটারের বেশি হলেই তাতে টোল দিয়ে যান চলাচল করতে হবে। ২০০ থেকে ৫০০ মিটার, ৫০১ থেকে ৭০০ মিটার, ৭০১ মিটার থেকে ১০০০ মিটার এবং ১০০১ মিটার থেকে তদুর্ধ লম্বা সেতুতে টোল দিয়ে চলাচল করতে হবে।

ফেরির জায়গায় স্থায়ী সেতু নির্মিত হলে এবং ২০০ মিটারের কম দীর্ঘ হলেও তা টোলের আওতায় আসবে। টোল দিতে হবে পাবলিক, প্রাইভেট পার্টনারশিপের (পিপিপির) আওতায় নির্মিত সেতুও। টোল নীতিতে সেতুর জন্য ৪টি স্লাব করা হয়েছে। ২টি সেতু কাছাকাছি হলে এক্ষেত্রে টোল আদায় করা হবে একটি স্থানে।

মোশাররাফ হোসাইন ভূঁইঞা বলেন, জেলা সড়কে ১০০, আঞ্চলিক সড়কে ২০০, মহাসড়কে ৩০০ এবং গুরুত্বপূর্ণ সড়কে ৪০০ টাকা টোল আদায়ের বিধান রাখা হয়েছে। উন্মুক্ত পদ্ধতিতে এসব সড়ক টোল আদায়ের জন্য ইজারা দেওয়া হবে।  প্রতি তিন বছর পর পর টোলের হার বাড়বে।

ভিত্তি টোলকে মূল ধরে মিডিয়াম ট্রাকের জন্য ৪০০ টাকা। বড় ট্রাকের জন্য ৮০০ টাকা এবং ট্রেইলারে জন্য ১০০০ টাকা। ত্রিচক্র যান রিকশার জন্য সর্বনিম্ন টোল ধরা হয়েছে ৫টাকা।