দিনাজপুর রংপুর সারাদেশ

বীরগঞ্জ ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে ৪ কোটি টাকা দুর্নীতি মামলা দায়ের

নুরন্নবী বাবু,দিনাজপুর, ১৮ ফেব্রুয়ারি (হটনিউজ২৪বিডি.কম) : বীরগঞ্জ ডিগ্রী কলেজ পরিচালনা পর্ষদের বিদ্যুৎশাহী সদস্য আব্দুল¬াহেল কাফী অধ্যক্ষ খয়রুল ইসলাম চৌধুরীর বিরুদ্ধে ৩ কোটি ৭৯ লক্ষ ৬৪ হাজার ৭৬৫ দশমিক ৭০ টাকা দুর্নীতির অভিযোগ এনে জেলা সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতে মামলা দায়ের করেছে।
দিনাজপুর জেলা সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতে গত ০৫ ফ্রেরুয়ারী/১৪ইং দায়েরকৃত ৫টি মামলা নং-১৪৭,১৪৮,১৪৯,১৫০ ও ১৫১। ২০০৭-২০১২ইং সাল পর্যন্ত কলেজ পরিচালনা পর্ষদের বিদ্যুৎশাহী সদস্য আব্দুল¬াহেল কাফীর নেতৃত্বে অডিড করা হয়। অডিড রিপোর্ট প্রকাশের পর অডিট কমিটি অধ্যক্ষ খয়রুল ইসলাম চৌধুরীর বিরুদ্ধে ৩ কোটি ৭৯ লক্ষ ৬৪ হাজার ৭৬৫ দশমিক ৭০ টাকা ও ব্যাংক সুদ ১ লক্ষ টাকা দুর্নীতির দায়ে বরখাস্থসহ চাকুরী থেকে অব্যাহতির পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি দিনাজপুর-১ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য মনোরঞ্জন শীল গোপালের কাছে প্রমানপত্র উপস্থাপন করা হয়। এমপি গোপাল দুর্নীতির বিষয়ে পরবর্তী সভায় আলোচনার আশ্বাস দেন কিন্তু অজ্ঞাত কারনে পরপর ৩টি সভায় দুর্নীতির বিষয়টি এড়িয়ে যান। র্দীঘ নয় মাসে পরপর ৩টি সভায় অধ্যক্ষের দুর্নীতির বিরুদ্ধে কোন আলোচনা না হওয়ায় এবং কলেজ পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় পরিচালনা পর্ষদের বিদ্যুৎশাহী সদস্য আব্দুল¬াহেল কাফী অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে আইনের আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছেন। এই মামলার স্বাক্ষী হিসাবে পরিচালনা পর্ষদের অভিভাবক সদস্য, মোঃ আব্দুল বারেক, জয়ন্ত কুমার ঘোষ, মোঃ আব্দুস সাত্তার, মোঃ রোকুনুজ্জামান ও মোঃ রশিদুল আলম ছাড়াও আরো অনেক স্বাক্ষী আছে প্রয়োজনে আদালতে তাদের হাজির করা হবে বলে আরজিতে উলে¬খ করা হয়েছে। অনেক অভিভাক ও শিক্ষার্থী অভিযোগ (নাম প্রকাশ না করার শর্তে) করে জানান প্রয়োজনের তুলনায় অনেক বেশী টাকা পরীক্ষার ফিস হিসেবে আদায় করে লক্ষ লক্ষ টাকা (রশিদ ছাড়াই ৫ হজার শিক্ষার্থীর প্রত্যেকের কাছে ২০০/৩০০ টাকা হারে একাধিকবার) নিজেদের মধ্যে ভাগ বাটোয়ারা করে নেয়। কলেজ তহবিলে জমা না করে চরম দুর্নীতি করে আসছে । এ ব্যাপারে কলেজ পরিচালনা পর্ষদের সদস্যদের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করে জানান দুর্নীতির প্রতিবাদ করলে পরিচালনা পর্ষদের পরবর্তী সভায় ডাকা হয় না। তারা দুর্নীতিবাজ মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী খান বাহিনির শান্তি কমিটির চেয়ারম্যানের পুত্র অধ্যক্ষ হওয়ার অযোগ্য হয়েও বিগত চার দলীয় জোট আমলে প্রভাব খাটিয়ে অধ্যক্ষ নিযুক্ত খয়রুল ইসলাম চৌধুরীর দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির জোর দাবী জানান। অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে অধ্যক্ষ জানান ২০০৭ হতে ১২ সাল পর্যন্ত ৫ বছরে উলে¬খিত টাকা কলেজের আয় হয়নি। সুতরাং আত্মসাতের প্রশ্নই উঠে না