জাতীয় প্রধান খবর প্রধানমন্ত্রী কর্নার

আমরা সর্বোচ্চ শান্তিরক্ষী প্রেরণকারী দেশ : প্রধানমন্ত্রী

হটনিউজ ডেস্ক:

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে দায়িত্বরত বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের পেশাদারিত্ব, নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্বপালনের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, আপনারা বিশ্বে বাংলাদেশের পতাকাকে সমুন্নত রাখবেন। পেশাদারিত্ব, নিষ্ঠা, আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবেন। যখন যে সরঞ্জাম লাগবে, ব্যবস্থা করে দেব।

শনিবার (২৯ মে) ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে ‘আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস-২০২১’ উদযাপন অনুষ্ঠানে সংযুক্ত হয়ে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সারাবিশ্বে কোভিড-১৯ ভীষণভাবে মানুষকে কষ্ট দিচ্ছে। এ সময় ধৈর্য ও ধীরস্থিরভাবে পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হবে। আল্লাহর ওপর ভরসা রাখতে হবে।

দেশনেত্রী আরও বলেন, ‌‘আমাদের যারা শান্তিরক্ষায় যাচ্ছে, তাদের উপযুক্ত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করছি। সব ধরনের সুযোগ সুবিধা ও নিরাপত্তার ব্যবস্থাও করছি। চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য যা যা প্রয়োজন সঙ্গে সঙ্গে তাই দেয়ার ব্যবস্থা করছি। সফরে বিশ্বের যখন যেখানে গেছি, সেখানে সেই দেশের প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীরা আমাদের শান্তিরক্ষীদের ভূয়সী প্রশংসা করেন। গর্বে আমার বুকটা ভরে গেছে।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা সর্বোচ্চ শান্তিরক্ষী প্রেরণকারী দেশ। এটা গর্বের বিষয়, আপনারা বিশ্বশান্তি রক্ষায় কাজ করছেন। যেখানেই যাচ্ছেন, বাংলাদেশের মুখ উজ্জ্বল করছেন। পরকে আপন করে নেয়ার মতো কাজটি করছেন। জানি আপনাদের কষ্ট হয়, বৈরী পরিবেশে দায়িত্ব পালন করছেন। এটা একটা চ্যালেঞ্জও। সবচেয়ে সংঘাতপূর্ণ-জটিল জায়গায় আমাদের শান্তিরক্ষীরা সফলভাবে কাজ করছে। এজন্য আপনাদের ধন্যবাদ জানাই। আপনাদের নিয়ে আমি গর্ববোধ করি।’

শান্তিরক্ষী বাহিনীতে কর্মরত নারীদের প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘নারী পাইলটদের নিয়ে খুব গর্ববোধ করি। এখন সব জায়গায় মেয়েদের একটা ভালো সুযোগে আছে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের মানুষের অর্থনীতির উন্নয়ন, দারিদ্র্য দূরীকরণ, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ বংশধরদের জন্য শিক্ষা-দীক্ষা, স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও কর্মসংস্থান তৈরি করাই আমাদের কাজ। আমরা সেটা করছি।’

অনুষ্ঠানে আরও অংশ নেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আবদুল মোমেন, প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম, প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা তারিক আহমেদ সিদ্দিকী, পররাষ্ট্র সচিব, সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদসহ বিভিন্ন বাহিনী প্রধান ও বিভিন্ন দেশে কর্মরত শান্তিরক্ষী বাহিনীর সদস্যরা। অনুষ্ঠানে জাতিসংঘের বাংলাদেশ কো-অর্ডিনেটরও বক্তব্য রাখেন।