জাতীয় রাজশাহী সারাদেশ

রাউধার বাবা আথিফ রাজশাহীতে বিয়ে করলেন

ডা. মোহাম্মদ আথিফ ও তার নববিবাহিতা স্ত্রী কনকলতা

রাজশাহী প্রতিনিধি: মাস দুয়েক আগে মারা যাওয়া মালদ্বীপের মডেল ও রাজশাহীর ইসলামী ব্যাংক মেডিক্যাল কলেজের ছাত্রী রাউধা আথিফের বাবা চিকিৎসক ডা. মোহাম্মদ আথিফ আবারও বিয়ে করেছেন। বৃহস্পতিবার বিকালে রাজশাহী আদালতে এফিডেভিট করে নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে তিনি বিয়ে করেন। আইনজীবী নুরুন্নাহার লাবলি রত্মা হটনিউজ২৪বিডি.কমকে  এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

নুরুন্নাহার লাবলি রত্মা জানান, ডা. আথিফের স্ত্রীর নাম কনকলতা (৩০)। তিনি রাজশাহীর পবা উপজেলার নওহাটা পিল্লাপাড়ার বদিউজ্জামানের মেয়ে।

তিনি বলেন, ‘কনকলতারও এটি দ্বিতীয় বিয়ে। তার নয় বছরের একটি ছেলে রয়েছে। দুই বছর আগে কনকলতার চিকিৎসক স্বামী জয়নাল আবেদিন ক্যানসারে মারা যান। এদিকে ডা. আথিফ জানিয়েছেন, স্ত্রীর সঙ্গে ছাড়াছাড়ি হয়ে যাওয়ায় দ্বিতীয় বার বিয়ে করছেন তিনি।’

তিনি আরও বলেন, ‘পাঁচ লাখ টাকা দেনমোহরে ডা. আতিফ ও কনকলতার বিয়ে হয়। বিয়ের কাবিনে ডা. আথিফ তার মালদ্বীপের ঠিকানা ব্যবহার করেছেন। এছাড়া, রাজশাহী মহানগরীর বোয়ালিয়া থানার উপরভদ্রা এলাকাকে অস্থায়ী ঠিকানা হিসেবে উল্লেখ করেছেন।’

নুরুন্নাহার লাবলি রত্মা জানান, বিয়ের সময় কনকলতার পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত থাকলেও আথিফের পরিবারের কেউ ছিলেন না। বিয়ের পর ডা. আথিফ লক্ষ্মীপুরে তার নতুন স্ত্রীর বাসায় ওঠেন বলেও জানান নুরুন্নাহার রত্মা।

তিনি বলেন, ‘শরিয়া মোতাবেক তাদের বিয়ে ও নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে এফিডেভিট সম্পন্ন হয়েছে। আগামী রবিবার তারা আদালতে হাজির হয়ে বিয়ে করার ব্যাপারে নিজেদের মতামত জানাবেন।’

 

রাজশাহী মহানগর পুলিশের মুখপাত্র ও সিনিয়র সহকারী কমিশনার ইফতে খায়ের আলম হটনিউজ২৪বিডি.কমকে বলেন, ‘ডা. মোহাম্মদ আথিফ পুলিশকে মৌখিকভাবে জানিয়েই বিয়ে করেছেন।’

প্রসঙ্গত, ২৯ মার্চ রাজশাহীর ইসলামী ব্যাংক মেডিক্যাল কলেজের ছাত্রী হোস্টেলের ২০৯ নম্বর কক্ষ থেকে রাউধার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ওই দিন রাতে নগরীর শাহ মখদুম থানায় কলেজ কর্তৃপক্ষ একটি অপমৃত্যুর মামলা করে। পরে রাউধার বাবা আদালতে হত্যা মামলা দায়ের করেন। এতে পুনঃময়নাতদন্তের জন্য রাউধার লাশ উঠানো হয়। মামলাটি তদন্ত করছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ। রাউধা মারা যাওয়ার খবর পেয়ে পরের দিন রাজশাহীতে আসেন তার বাবা ডা. মোহাম্মদ আতিফ। এরপর থেকে তিনি রাজশাহীতেই অবস্থান করছেন।