আন্তর্জাতিক

নিবার্চনের আগে মার্কিন পুঁজিবাজারে অস্থিরতা!

nasdaq-pre-market-indicator_41714আন্তর্জাতিক ॥ হটনিউজ২৪বিডি.কম : আর মাত্র ১০ দিন বাকি আছে মার্কিন নিবার্চনের। এরপরই প্রেসিডেন্টের গদিতে উঠছেন হিলারি ক্লিনটন কিংবা ডোনাল্ড ট্রাম্প। এখন পর্যন্ত বিভিন্ন জরিপে এগিয়ে আছেন ক্লিনটন। কিন্তু ট্রাম্পের নারী ‘কেলেঙ্কারির’ পর এবার হিলারিও পড়লেন আরেকটু বিপাকে। মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা (এফবিআই) নতুন করে হিলারির ই-মেইলের ব্যাপারটি পুনঃতদন্ত করবে বলে ঘোষণা দিয়েছে। এ অবস্থার মুখে গতকাল শুক্রবার মার্কিন পুঁজিবাজারে সূচকগুলো বেশ খানিকটা ধাক্কা খেয়েছে।

বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, হিলারি ক্লিনটনের বিরুদ্ধে এফবিআইয়ের নতুন করে এই উদ্যোগ তাকে নির্বাচনে ভোগাবে। শুধু তাই নয়, এর জন্য পুঁজিবাজারকেও বেগ পোহাতে হবে। বাজারে অস্থিরতা শুরু হয়েছে। এ অস্থিরতা বাজারকে টালমাটাল করে দিতে পারে। গতকাল শুক্রবার ডাও জোনস ১০ পয়েন্ট নেমে লেনদেন শেষ করে। তবে ই-মেইল পুনঃতদন্তের খবরের পর একপর্যায়ে সূচকটি ৭৪.৭১ পয়েন্ট হারায়। এর আগে সূচক ৭৫ পয়েন্ট বাড়তি ছিল। এদিন নাসডাক কম্পোজিট সূচকও দশমিক ৩ শতাংশীয় পয়েন্ট হারায়।

অর্থনীতিবিদরা দাবি করেন, রিপাবলিকান দলের মনোনীত প্রার্থী ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলে বাজার ধরা খেতে পারে বলে মনে করে বিনিয়োগকারীরা। কিছু সূচক ১০ থেকে ১৫ শতাংশ পড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। কারণ, পুঁজিবাজারে জয়ের যে ধ্বনি- তার প্রভাব এই দুই প্রার্থীর টেলিভিশন বিতর্কের পর ইতোমধ্যেই দেখা গেছে।

মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জাস্টিন ওলফার মনে করেন, বাজার চায় হিলারি ক্ষমতায় আসুক। তিনি ক্ষমতায় আসলে ডিসেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক সুদের হার বাড়ানোর ব্যাপারে উদ্যোগ নিতে পারে। বাজার এখন এ বিষয়টিকেও ফোকাস করছে।

তিনি বলেন, হিলারি ও ট্রাম্পের টিভি বিতর্ক নিয়ে আমরা ইতোমধ্যে বাজারের অস্থিরতার অভিজ্ঞতা অর্জন করেছি। আমরা দেখেছি, ট্রাম্পের প্রেসিডেন্ট হওয়ার সম্ভাবনা যখন ক্ষীণ হয়েছে, তখন বাজারে অস্থিরতা কেটেছে। আবার হিলারির জয়ের বার্তা দিয়েছে পুঁজিবাজার।