হটনিউজ স্পেশাল

রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ৩০ কোটি দিতে হবে ইটিভিকে

1458709755নিজস্ব প্রতিবেদক, হটনিউজ২৪বিডি.কম ২৪ মার্চ : দেশের বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল একুশে টেলিভিশনকে (ইটিভি) ফ্রিকোয়েন্সি বাবদ সরকারের কোষাগারে ৩০ কোটি ৮ লাখ টাকা জমা দিতে হবে বলে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট।

মঙ্গলবার এ বিষয়ে জারি করা রুল খারিজ করে বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক ও বিচারপতি আবু তাহের  মো. সাইফুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ মঙ্গলবার এ রায় দেন।

এছাড়া ইটিভির টেরিস্ট্ররিয়াল সম্প্রচার বাতিল করে সরকারের  নেয়া সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা অন্য রিটও খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি  জেনারেল মুরাদ  রেজা। বিটিআরসি’র পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার  রেজা-ই-রাকিব।

মামলার বিবরণ  থেকে জানা  গেছে, ২০০৭ সালের ২১ মার্চ বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন  রেগুলেটরি অথরিটি (বিটিআরসি) ফ্রিকোয়েন্সি বাবদ ৩০ কোটি আট লাখ টাকা  চেয়ে ইটিভিকে চিঠি  দেয়। তারা চিঠির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট করলে হাইকোর্ট চিঠির কার্যক্রমের ওপর স্থগিতাদেশ দিয়ে রুল জারি করেন। মঙ্গলবার আদালত রুল খারিজ করে স্থগিতাদেশ তুলে দিয়েছেন বলে জানান রেজা-ই-রাকিব।

এদিকে ২০০৭ সালে  টেরিস্ট্ররিয়াল সুবিধা চেয়ে হাইকোর্টে আরেকটি রিট করেন ইটিভির তৎকালীন চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম। মঙ্গলবার ওই রিটও খারিজ করে দেন হাইকোর্ট। দু’টি রিটের বিবাদী ছিলেন ডাক তার ও টেলিযোগাযোগ সচিব, তথ্যসচিব, বিটিআরসি, বিটিআরসি’র চেয়ারম্যান এবং জাতীয় সম্প্রচার কর্তৃপক্ষ। ২০০৭ সালে ইটিভির পক্ষে শুনানিতে ছিলেন সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ। কিন্তু মঙ্গলবার ইটিভির পক্ষে কেউ উপস্থিত ছিলেন না।

মামলার নথি থেকে জানা  গেছে, ২০০৭ সালের ২১ মার্চ বাংলাদেশ  টেলিকমিউনিকেশন রেগুলেটরি অথরিটি (বিটিআরসি) ফ্রিকোয়েন্সি বাবদ ৩০ কোটি আট লাখ টাকা চেয়ে ইটিভিকে চিঠি দেয়। তারা চিঠির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট করলে হাইকোর্ট চিঠির কার্যক্রমের ওপর স্থগিতাদেশ দিয়ে রুল জারি করেন। আদালত রুল খারিজ করে স্থগিতাদেশ তুলে দিয়েছেন বলে জানান রেজা-ই-রাকিব। এদিকে ২০০৭ সালে টেরিস্ট্ররিয়াল সুবিধা চেয়ে হাইকোর্টে আরেকটি রিট করেন ইটিভির তৎকালীন চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম। মঙ্গলবার ওই রিটও খারিজ করে দেন হাইকোর্ট। ফোকাস বাংলা।
হটনিউজ২৪বিডি.কম/এআর