অপরাধ জাতীয় শিক্ষাঙ্গন

ভিকটিমের সাক্ষ্য নেয়া হবে বিচারকের এজলাসে

images (5)আদালত প্রতিবেদক:ভিকারুননিসা নূন স্কুলের বসুন্ধরা শাখার দশম শ্রেণীর ছাত্রী ধর্ষণ মামলার ভিকটিমের সাক্ষ্য বিচারক তার এজলাসে নিবেন। গতকাল মঙ্গলবার ভিকটিমের আইনজীবী জিল্লুর রহমানের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আরিফুর রহমান এ সিদ্ধান্ত নেন। বিচারকের নিজ এজলাসে এ ধরণের সাক্ষ্য নেয়াকে আইনের ভাষায় ‘ক্যামেরা ট্রায়েল’ বলা হয়। আবেদনে বলা হয়, প্রকাশ্য মামলার ভিকটিমের সাক্ষ্য নেয়া হলে ভিকটিমের মানসিক চাপ অনেকগুন বেড়ে যাবে। অনেক অনাকাঙ্খিত শব্দ প্রকাশ হলে ভিকটিম মানসিক ও সামাজিক সমস্যার সম্মুখীন হবেন। ভিকটিমের মান সম্মানের জন্য তার সাক্ষ্য রুদ্ধদার কক্ষে নেয়া প্রয়োজন। ভিকটিমের এ আবেদন মঞ্জুর করেন বিচারক। আগামী ৪ জুলাই ভিকটিমের সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য দিন রাখেন বিচারক। মামলার প্রধান আসামি পরিমল সরকারকে আদালতে হাজির করা হয়। ধর্ষণের এ মামলায় আসামি পরিমলের বিরুদ্ধে গত বছরের ৭ মার্চ অভিযোগ গঠন হয়। ধর্ষণের এ মামলা থেকে ভিকারুননিসা স্কুলের সাবেক অধ্যক্ষ হোসনে আরা বেগম ও বসুন্ধরা শাখা প্রধান লুৎফর রহমানকে অব্যাহতি দেয় আদালত। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা হলেন ডিবির পরিদর্শক মাহবুবে খোদা। আসামি পরিমলের বিরদ্ধে ২০১১ সালের ২৮ নভেম্বর অভিযোগপত্র দেয়া হয়। মামলার প্রথম তদন্ত কর্মকর্তা হলেন বাড্ডা থানার পরিদর্শক শাহাদাত হোসেন। ২০১১ সালের ৫ জুলাই ধর্ষণের অভিযোগ এনে ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের বসুন্ধরা দিবা শাখার দশম শ্রেণীর এক ছাত্রীর বাবা বাড্ডা থানায় আসামি পরিমলের বিরুদ্ধে মামলা করে। মামলায় আসামি পরিমলের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ আনা হয়। ধর্ষণের এ ঘটনা ঘটে ২০১১ সালের ২৮ মে। ধর্ষণের দৃশ্য মোবাইলে রেকর্ড করা হয় এবং এ কথা জানিয়ে ওই ভিকটিমকে আবারও ওই বছরের ১৭ জুন দ্বিতীয় বার ধর্ষণ করা হয়।