প্রযুক্তি

সোসাল নেটওয়ার্ক থেকে সোস্যাল কমার্স

socialতথ্য-প্রযুক্তি ডেস্ক: সামাজিক যোগাযোগ সাইট এখন আমাদের জীবনের একটি অংশ হয়ে গিয়েছে। নানা কাজের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিনত হয়েছে। যোগাযোগ ছাড়াও কনটেন্ট শেয়ারিং, মিউজিক, বিনোদন, গেমিংসহ অন্যান্য কাজ হচ্ছে এ সাইটগুলোয়।
ব্যবহারকারীরা এসব সাইটে দীর্ঘসময় কাটান। পণ্য বিপণনের জন্য নানা প্রতিষ্ঠান সামাজিক সাইটকে বেছে নিচ্ছে, যা পরিচিতি পাচ্ছে সোস্যাল কমার্স নামে।
সামাজিক যোগাযোগ সাইটকে সোস্যাল কমার্স সাইটে পরিণত করার বিষয়টি এখনো নতুন হলেও এর সম্ভাবনা অনেক। ফেসবুকের লাইক, টুইটারের টুইট ও পিনটারেস্টের পিন থেকে কীভাবে ব্যবসায়িক সুবিধা পাওয়া যায়, এ নিয়ে গবেষণা চলছে।
সেলফোন কিংবা অন্য বহনযোগ্য ডিভাইসে ইন্টারনেটের ব্যবহার বাড়ায় সোস্যাল কমার্স নিয়ে প্রত্যাশা বাড়ছে বিপণনকারীদের। ক্রেতারা কোনো পণ্য কেনার আগে অন্যদের মতামত নেন। এজন্য তাদের অনেকেই সামাজিক যোগাযোগ সাইটের বন্ধুদের সহায়তা নেন।
সোস্যাল কমার্স প্লাটফর্ম অ্যাডশপারের পরিসংখ্যানে জানা যায়, ৪০ শতাংশ ব্যবহারকারী মোবাইল অ্যাকাউন্ট থেকে সামাজিক যোগাযোগ সাইটে ঢুঁ মারেন। ফেসবুকের ক্ষেত্রে এ হার ৫০ ও পিনটারেস্টের ক্ষেত্রে ৪৮ শতাংশ। সামাজিক যোগাযোগভিত্তিক ই-কমার্সে সামষ্টিকভাবে এ দুটি সাইটের অবদান ৫৬ শতাংশ।
ব্র্যান্ডগুলোও সোস্যাল কমার্সের দিকে মনোযোগী হচ্ছে। সেলফোনভিত্তিক ক্যাটালগের কোম্পানি জেডম্যাগের সাম্প্রতিক হিসাবে ৬৩ শতাংশ অনলাইন ক্রেতা অনলাইন ক্যাটালগের সহায়তা নিতে আগ্রহী।