শিক্ষাঙ্গন সিলেট

রাজনগরের বিমলাচরণ উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের রাস্থা অবরোধ,স্কুলে তালা

এম শাহজাহান আহমদ, মৌলভীবাজার:রাজনগর উপজেলার বিমলাচরণ উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি বাতিল, প্রধান শিক্ষকের পদত্যাগ সহ বিভিন্ন দাবিতে গতকাল সকালে বিমলাচরণ উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা স্কুলে তালা লাগিয়ে দেয়। এ সময় ছাত্র-ছাত্রীরা সিলেট-মৌলভীবাজার সড়ক ১ঘন্টা অবরোধ করে রাখে। পরে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান জিতু মিয়া ছাত্র-ছাত্রীদের বিষয়টি সমাধানের আশ্বাস দিলে তারা অবরোধ তুলে নেয়। এদিকে ছাত্রদের দেয়া দাবি গুলো ৭২ ঘন্টার মধ্যে না মানলে লাগাতার স্কুলে ধর্মঘট পালন করবে বলে ছাত্র-ছাত্রীরা জানিয়েছে। উদ্ভুদ পরিস্থিতিতে এদিন বিকেলে ম্যানেজিং কমিটির এক জরুরী বৈঠক হয় এবং বৈঠকে বিষয়টি নিষ্পতি নাহওয়ায় আগামী ২৩জুন ম্যানেজিং কমিটি ও এলাকাবাসী সমন্বয়ে পূনঃবৈঠক আহ্বান করা হয়।

আন্দোলনকারী ছাত্রছাত্রী তানভীর, শাহ আলম, রুপম, তারেকসহ আরো অনেকে জানায়, গত ৬ এপ্রিল স্কুলের শিক্ষক দিপক রঞ্জন ধরের বিরুদ্ধে এক খন্ডকালীন শিক্ষক একটি মিথ্যা অভিযোগ দেন । অভিমান করে গত ৮এপ্রিল থেকে দিপক রঞ্জন স্কুলে আসছেন না। প্রধান শিক্ষক যথা সময়ে বিষয়টি সমাধান নাকরলে ছাত্রদের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্ঠি হয়। গত ৫জুন বুধবার স্কুলের ছাত্র-ছাত্রী আন্দোলনে নামে। প্রথমে তারা স্কুল কম্পাউন্ডে প্রধান শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটির বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান সহকারে মিছিল ও পরে সিলেট-মৌলভীবাজার সড়ক এক ঘন্টারও বেশি সময় অবরোধ করে রাখে। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান জিতু মিয়া ছাত্র-ছাত্রীদের বিষয়টি সমাধানের আশ্বাস দিলে তারা অবরোধ তুলে নিয়ে স্কুল মাঠে অবস্থান নেয়।

এদিকে স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি শাহিদুজ্জামান ছালিক ও প্রধান শিক্ষক আব্দুল ওয়াদুদ তাদের বিরুদ্ধে ছাত্র-ছাত্রীদের করা দুর্নীতি ও অন্যান্য অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, খন্ডকালীন শিক্ষক দিপক রঞ্জন ধর স্কুল ধ্বংসের জন্য ছাত্রদের ইন্দন দিচ্ছেন। তিনি এক ছাত্রীকে বোরকা পরে আসতে নিষেধ করায় আমরা তাকে এ বিষয়ে কথা না বলতে শতর্ক করেছিলাম। এর পর থেকে তিনি স্কুলে আসছেন না এবং ছাত্রদের উস্কানি দিচ্ছেন।

শিক্ষক দিপক রঞ্জন ধর বলেন, আমি স্কুলের কোন ছাত্রীকে বোরকা নিয়ে কোন কথা বলিনি। প্রধান শিক্ষকের নানা অনিয়ম ও দূর্নীতির বিষয়টি স্কুলের সকল ছাত্রছাত্রী ও এলাকাবাসী জানে। আমি অডিড কমিটির সদস্য থাকায় প্রধান শিক্ষক ও অন্যদের দূর্নীতির বিষয়টি প্রকাশ হয়ে যাবে এই ভয়ে তারা আমার বিরুদ্ধে লেগেছে।

ইউপি চেয়ারম্যান জিতু মিয়া বলেন, আমি স্কুল কর্তৃপক্ষ ও ছাত্র-ছত্রীদের সঙ্গে কথা বলেছি । সমাধানের জন্য চেষ্টা চলছে।