জাতীয় রংপুর হটনিউজ স্পেশাল

অনির্দিষ্টকালের জন্য রংপুর থেকে ঢাকাগামি কোচ বন্ধ

ইকবাল হোসেন, রংপুর অফিস :চালক ও হেলপারকে মারধরের প্রতিবাদে অনির্দিষ্টকালের জন্য রংপুর থেকে ঢাকাগামি কোচ বন্ধ করে দিয়েছে পরিবহন শ্রমিকরা। এব্যাপারে কোতয়ালি থানায় মামলা হলেও কেউ গ্রেফতার হয়নি।

মামলা ও শ্রমিক সুত্রে জানা গেছে, টিআর ট্রাভেলন্স পরিবহন রোববার ঢাকা থেকে রংপুর আসছিল। বগুড়ায় রংপুর সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর সাফিউল ইসলাম সাফি সুপারভাইজারের নিষেধ সত্তেও জোর করে কোচে ওঠেন। ভাড়া দাবি করলে সুপারভাইজার আবদুল লতিফের সাথে কথা কাটাকাটি হয়। এরপর সাফি দেখে নেওয়ার হুমকি দেন। কোচটি রংপুরের মর্ডান মোড়ে এলে সাফির ১৫-২০ জন সন্ত্রাসী বাহিনী কোচটির গতিরোধ করে চালক আবদুল কুদ্দুস ও হেলপার আবদুল লতিফকে টেনে কোচ থেকে নামিয়ে পার্শ্ববর্তী একটি কক্ষে বেধে মারপিট করে। এ ঘটনা জানাজানি হলে পরিবহন শ্রমিকদের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। পরে তাদেরকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এরপরই শ্রমিকরা কামারপাড়া কোচ স্ট্যান্ডে বিক্ষোভ প্রদর্শণ করতে থাকে এবং দোষিদের গ্রেফতার ও শাস্তির দাবি জানায়। পরবর্তীতে শ্রমিকনেতারা বৈঠকে বসেন এবং সোমবার থেকে রংপুর থেকে ঢাকাগামি সব কোচ অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়। হঠাৎ করে কোচ বন্ধ হওয়ায় ঢাকাগামি যাত্রীরা পড়েন বিপাকে।

ওই ঘটনায় সোমবারা টিআর ট্রাভেলন্স পরিবহনের সুপারভাইজার আবদুল লতিফ বাদি হয়ে সাফিউল ইসলাম সাফিসহ অজ্ঞাত ২০ জনের বিরুদ্ধে কোতয়ালি থানায় মামলা করেছেন। তবে আসামীদের এখনও পুলিশ গ্রেফতার করতে পারেনি।

টিয়ার ট্রাভেলন্স রংপুর কাউন্টারের ম্যানেজার মোস্তাফিজ রহমান জানান, কোন কারণ ছাড়াই চালক ও হেলপারকে মারধর করেছে সাফি। এটা অত্যন্ত দুঃখজনক। অকারণে শ্রমিকদের মারপিট করবে তা মেনে নেওয়া যায় না। তাই সব কোচ বন্ধ রাখা হয়েছে।

এব্যাপারে কোতয়ালি থানার ওসি শাহাবুদ্দিন খলিফা জানান, আসামীদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।