খেলা

শেষ হলো দু’দিন ব্যাপী জাতীয় জুনিয়র এ্যাথলেটিক্স মিট

Junior-Athleticsখেলাধূলা ডেস্ক: নানা অব্যবস্থাপনার মধ্যে আয়োজিত জাতীয় জুনিয়র অ্যাথলেটিক্স মিটে এবার প্রতিযোগির সংখ্যা ছিল অন্যান্য বছরের চেয়ে কম। জেলা পর্যায়ে খেলাটির চর্চা কমে যাওয়া আর সংস্থা ও ক্লাবগুলির এগিয়ে না আসাই এ্যাথলেটিক্সের এই দৈন্যদশার কারণ জানালেন কোচ-খেলোয়াড়-কর্মকর্তারা।
সাউথ এশিয়ান অ্যাথলেটিক্সে একটা সময় রাজত্ব করত বাংলাদেশের এ্যাথলেটরা। সাফের গন্ডি ছাড়িয়ে এশিয়াডেও ছিল সাফল্য। শাহ আলম-বিমলের উত্তরসুরীরা এখন ধুকছে জাতীয় পর্যায়ে। ২৯তম জাতীয় জুনিয়র মিটে এ্যাথলেটিকসের বর্তমান দুর্দশার করুন চিত্রই যেন ফুটে উঠল। কোন ইভেন্টেই যথেষ্ঠ সংখ্যক প্রতিযোগি নেই। বিকেএসপি যেখানে ২০ স্বর্ণ জিতে প্রথম হয়েছে, দ্বিতীয় স্থানে থাকা নড়াইল জেলার সংগ্রহ সেখানে মাত্র ৩ স্বর্ণ।
জেলা পর্যায়ে এ্যাথলেটিক্স চর্চা না হওয়াকে দায়ী করলেন টানা ১০ বছর দেশের দ্রুততম মানবীর খেতাবপ্রাপ্ত ফিরোজা খাতুন। প্রশ্ন হল ফেডারেশন কেন উদ্যোগী নয় এ ব্যাপারে।
জৈষ্ঠের প্রখর রোদে মিট আয়োজন করার জন্য খেলোয়াড়দের পারফরমেন্স আশানুরূপ হয়নি বলে অভিযোগ ছিল বিকেএসপির কোচ মেহেদি হাসান।
দুই মাস হল দায়িত্ব নিয়েছে এ্যাথলেটিকসের বর্তমান কমিটি। নিয়মিত টুর্নামেন্ট বা প্রশিক্ষণ আয়োজনের জন্য অর্থ সংকটের কথা জানালেন নতুন সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম চেঙ্গিস।
বিউটি-সুমিতা রানীদের পিছনে ফেলার মতো নতুন এ্যাথলেটরা উঠে আসছে না। ফেডারেশনের সঠিক পরিকল্পনাই পারে জনপ্রিয় এই খেলাটিকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যেতে।