প্রধান খবর

যমুনা গ্রুপের বাবুলের বিরুদ্ধে এনবিআরের সাত মামলা আমলে নিল আদালত

920debc7a9aabee73c0b683e790_3623_0আদালত প্রতিবেদক: কর ফাঁকি ও তথ্য গোপনের অভিযোগে দায়ের করা মামলা আমলে নিয়ে যমুনা গ্রুপের চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম বাবুলসহ তার স্ত্রী ও ছেলেকে আগামি ২৭ জুন হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। ঢাকার মহানগর দায়রা জজ মো. জহুরুল হক রোববার এ আদেশ দেন। নুরুল ইসলাম বাবুল ছাড়া এ মামলার আসামি হলেন তার স্ত্রী এডভোকেট সালমা ইসলাম ও তার ছেলে শামীম ইসলাম।এ মামলার তিন বাদী জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের উপ-কর কমিশনার জহিরুল হক, দীপক কুমার চক্রবর্তী ও আতউল হকের জবানবন্দি রেকর্ড করেন বিচারক। জহিরুল দুটি, দীপক চারটি এবং আতাউল একটি মামলার বাদী। এ মামলায় যমুনা গ্রুপের যমুনা ইলেকট্রিক ম্যানুফ্যাকচারিং, যমুনা স্পিনিং মিলস লিমিটেড, শামীম রোটর স্পিনিং মিলস লিমিটেড, শামীম কম্পোজিট মিলস লিমিটেড, যমুনা ওয়েল্ডিং ইলেকট্রনিক্স লিমিটেড, শামীম স্পিনিং লিমিটেড ও যমুনা ডিস্টিলারি লিমিটেড নামক প্রতিষ্ঠানকে বিবাদী করা হয়। এ সাতটি মামলায় ১শ ৫৫ কোটি ১৯ লাখ ১৪ হাজার ২ শ ৩০ টাকা তথ্য গোপন এবং ৪৫ কোটি, ৩১ লাখ ২৮ হাজার ৮৮ টাকা আয়কর ফাঁকির অভিযোগ এনে এ মামলা করে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। গত ১৯ মে এ মামলা করে এনবিআর। সাতটি মামলার মধ্যে ১১৩ নং মামলায় ৭ কোটি ৬৩ লাখ ৮৬ হাজার ৯শ ১৬ টাকা, ১১৪ নং মামলায় ২ কোটি ৪৯ লাখ ৬১ হাজার ২৭৩ টাকা, ১১৫ নং মামলায় ১৯ কোটি ৬ লাখ ৬৪ হাজার ৫৭১ টাকা, ২৬ কোটি ৬৭ লক্ষ ৫৭ হাজার ৩৬৫ টাকা ও ২২ কোটি ৫১ লক্ষ ৪ হাজার ৫৯৮ টাকার, ১১৬ নং মামলায় ১৪ কোটি, ৭৮ লাখ ৩৯ হাজার ৭২২ টাকা, ১১৭ নং মামলায় ১৬ কোটি ৩৮ লাখ ২৮ হাজার ৭৩৫ টাকা, ১১৮ নং মামলায় ৩৭ কোটি ৩ লাখ ৪৯ হাজার ৯০৮ টাকা, ১১৯ নং মামলায় ৩২ লাখ ৫২ হাজার ৩৩৮ টাকা ও ৮ কোটি ২৭ লাখ ৫৯ হাজার ৮০৪ টাকা তথ্য গোপন করার অভিযোগ আনা হয়েছে। এ ছাড়া মামলায় সর্বমোট ৪৫ কোটি ৩১ লাখ ২৮ হাজার ৮৮ টাকা কর ফাঁকির অভিযোগ আনা হয়।এ ছাড়া ১১৩ নং মামলায় ৬৮ লাখ ৮৯ হাজার ৪২৫ টাকা ও ১ কোটি ১৮ লাখ ৮৩ হাজার ৪২৫ টাকা কর ফাঁকি, ১১৪ নং মামলায় ৩৭ লাখ ৪৪ হাজার ১৯১ টাকা কর ফাঁকি, ১১৫ নং মামলায় ১৯ কোটি ৬ লাখ ৬৪ হাজার ৫৭১ টাকা, ৪ কোটি ৫৭ লাখ ৯৬ হাজার ৬৩৯ টাকা ও ২ কোটি ৪৩ লাখ ১৫ হাজার ১৬৯ টাকা করফাঁকি এবং ১ কোটি ৫৪ লাখ ২৮ হাজার ৫৬৫ টাকা কর ফাঁকি, ১১৬ নং মামলায় ২ কোটি ২১ লাখ ৭৫ হাজার ৯৫৯ টাকা, ১১৭ নং মামলায় ১ কোটি ৬৫ লাখ ৫৯ হাজার ৬৩৬ টাকা, ২ কোটি ৮৮ লাখ ৯৬ হাজার ৪৯৬ টাকা এবং ১ কোটি ৫৯ লাখ ৭৯ হাজার ৬৬৪ টাকা, ১১৮ নং মামলায় ৯৮ লাখ ৭২ হাজার ২৯৫ টাকা কর ফাঁকি, ১ কোটি ২৫ লাখ ১২ হাজার ৭০৬ টাকা, ৩৯ লাখ ৬১ হাজার ৭২৫ টাকা এবং ৩ কোটি ১২ লাখ ৩৭ হাজার ৫৯৭ টাকা কর ফাঁকির অভিযোগ আনা হয়। ১১৯ নং মামলায় ৫ লাখ ৯৪ হাজার ৭৩৯ টাকা, ৬ লাখ ২৪ হাজার ৮৮৮টাকা, ৮২ লাখ ৯০ হাজার ৪৫৭ টাকা কর ফাঁকির অভিযোগ আনা হয়।