খুলনা যশোর লাইফ স্টাইল হটনিউজ স্পেশাল

গুলিবিদ্ধ এসআই আকবর’র লাশ উদ্ধার; অন্ত:স্বত্তা ২য় স্ত্রী আটক

unnamed যশোর প্রতিনিধি: মণিরামপুর থানা ভবনের ছাদ থেকে শনিবার ভোরে পুলিশের এক উপ-পরিদর্শকের গুলিবিদ্ধ মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। রহস্যজনক ভাবে নিহত পুলিশ কর্মকর্তা আকবর আলী তার ব্যবহৃত পিস্তলের গুলিতেই নিহত হয়েছেন বলে পুলিশ জানিয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শনিবার ভোরে থানার দ্বিতল ভবনের ছাদে গুলির শব্দশুনে কর্মরত পুলিশ সদস্যরা দ্রুত ছাদে গিয়ে নিহত আকবার আলীকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় লুটিয়ে থাকতে দেখে তাকে দ্রুত উদ্ধার করে যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন।
থানা ভবনের ছাদেই রহস্যজনকভাবে নিহত এ পুলিশ কর্মকর্তা তার নিজ পিস্তলের গুলিতে নিহত হয়েছেন বলে পুলিশ জানিয়েছে। পারিবারিক কলহের জের ধরে তিনি আত্মহত্যা করতে পারেন বলে ধারনা করা হচ্ছে বলে পুলিশ আরো জানায়। নিহতের লাশের ময়নাতদন্ত শেষে তার গ্রামের বাড়ি লড়াইল জেলার লোহাগড়া উপজেলার নোয়াখোলা গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন করা হয়েছে বলে পুলিশের একটি সুত্র জানিয়েছে। সে ওই গ্রামের ইমদাদ হোসেনের পুত্র। শনিবার যশোর পুলিশ লাইনে নিহত আকবরের লাশের জানাযা শেষে তার পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। যশোরের সহকারী পুলিশ সুপার খ’সার্কেল বিল্লাল হোসেন ঘটনাস্থল পরিদর্শণ করেছেন।
এদিকে ঘটনার পরপরই আকবর আলীর অন্ত:স্বত্তা দ্বিতীয় স্ত্রী জুমা খানকে আটক করেছে পুলিশ। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এসআই আকবর আলী ১ম স্ত্রী ৩ সন্তানের জননী আঞ্জুয়ারাকে রেখে প্রায় ৩ বছর পূর্বে খুলনা জেলার ডুমুরিয়া উপজেলার শলুয়া গ্রামের ফজলু খানের মেয়ে জুমা খানকে বিয়ে করে। এতোদিন দ্বিতীয় বিয়ের কথা জানতেননা পরিবারের কেউ। ১ম স্ত্রী আঞ্জুয়ারা ২ মেয়ে ও এক ছেলেকে নিয়ে খুলনার খালিশপুর এলাকার বসবাস করেন। আকবর আলী ২য় স্ত্রী জুমাকে নিয়ে মণিরামপুর থানার পাশেই একটি বাড়িতে ভাড়া থাকতেন। শুক্রবার রাত ৯ টার দিকে আকবরের অনার্স পড়ুয়া  ছেলে সালাহউদ্দীন তার পিতার কাছে ফোন করলে ২য় স্ত্রী জুমা ফোন রিসিভ করেন। মহিলা কন্ঠ শুনে ছেলে পরিচয় জানতে চাইলে জুমা এসআই আকবরের স্ত্রী বলে পরিচয় দেয়। মূহুর্তে পরিবারের অন্যান্যরা এখবর জেনে ফেলেন। এঘটনার পর লজ্জায় তিনি আত্মহত্যা করতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।