খেলা

এবারও বর্ষসেরা সাকিব

ঢাকা: বর্ষসেরা পুরস্কার শেষ আকর্ষণ। কিন্তু শুরুর আকর্ষণ আজীবন সম্মাননা। ’৬০ ও ’৭০’র দশকের কিংবদন্তি ফুটবলার জহুরুল হককে আজীবন সম্মাননা পুরস্কার প্রদানের মধ্যদিয়ে গ্রামীণফোন-প্রথমআলো ক্রীড়া পুরস্কার-২০১২ শুরু হয় হোটেল রূপসী বাংলায়। সবাইকে চমকে দিয়ে এবারও বর্ষসেরা ক্রীড়াবিদের পুরস্কার জিতেছেন সাকিব আল হাসান। এনিয়ে চতুর্থবারের মতো এই পুরস্কার পেলেন তিনি।

২০০৮, ২০০৯ এবং ২০১১ সালে বর্ষসেরা পুরস্কার পেয়েছেন জাতীয় দলের বাঁহাতি এই স্পিন অলরাউন্ডার। সাকিব আমেরিকা থাকায় পুরস্কার গ্রহণ করেন তার মা।

বর্ষসেরা রানারআপ হয়েছেন হকির রাসেল মাহমুদ জিমি এবং ভারোত্তোলনের বিদ্যুৎ কুমার রায়। এই পুরস্কার তুলে দিয়েছেন বাংলাদেশের কিংবদন্তি হকি খেলোয়াড় আবদুস সাদেক।

পাঠকদের ভোটে বর্ষসেরা হয়েছেন নাসির হোসেন। বর্ষসেরা নারী ক্রীড়াবিদ পুরস্কার পেয়েছেন ভারোত্তোলক মোল্লা সাবিরা।

বর্ষসেরা উদীয়মান ক্রীড়াবিদ হয়েছেন জাতীয় দলের উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান এনামুল হক বিজয়। তার নেতৃত্বে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে দারুণ খেলেছে বাংলাদেশ। এশিয়া কাপের স্কোয়াডে ছিলেন, খেলেছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ওয়ানডে ক্রিকেট, শ্রীলঙ্কায় অভিষেক হয়েছে টেস্টে।

২০০৪-২০১২ সাল পর্যন্ত মোট নয়বারের মধ্যে আটবারই বর্ষসেরার পুরস্কার উঠেছে জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের হাতে। ব্যতিক্রম ২০১০ সাল, সেবার বর্ষসেরা হয়েছেন গলফার সিদ্দিকুর রহমান।

২০০৪ সালে বর্ষসেরা খালেদ মাসুদ, ২০০৫ সালে হাবিবুল বাশার, ২০০৬ সালে শাহরিয়ার নাফীস, ২০০৭ সালে মোহাম্মদ আশরাফুল, ২০০৮, ২০০৯ এবং ২০১১ সালে সাকিব আল হাসান। ২০১০ সালে বর্ষসেরা হয়েছেন গলফার সিদ্দিকুর রহমান।

ক্রীড়াক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের জন্য আজীবন সম্মাননাও দেওয়া হয়। ২০০৪ সালে প্রায়ত অ্যাথলেট কাজী আবদুল আলীম, ২০০৫ সালে প্রায়ত ফুটবলার চি হ্লা মং চৌধুরী মারী, ২০০৬ সালে সাবেক ফুটবল গোলরক্ষক রণজিৎ দাস, ২০০৭ সালে অ্যাথলেট খন্দকার আবুল হাসান, ২০০৮ সালে জাতীয় দলের সাবেক হকি ও ফুটবল খেলোয়াড় বশীর আহমেদ, ২০০৯ সালে ফুটবলার কবির আহমেদ, ২০১০ সালে দাবার রানী হামিদ এবং ২০১১ সালে ক্রিকেট কোচ সৈয়দ আলতাফ হোসেন পেয়েছেন এই সম্মাননা।