অপরাধ জাতীয় রংপুর

রংপুরে ইউপি নির্বাচনে সংঘর্ষ: একজন নিহত

 1423063557রংপুর ব্যুরো: রংপুরে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ভোট গননা শেষে সদ্যপুস্করনী ইউনিয়নের পালিচড়া একরামিয়া দাখিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে সংঘর্ষে লোকমান হোসেন নামে(৪৫) নামে একজন নিহত হয়েছে। আনসার, পুলিশ ও ম্যাজিস্ট্রেটসহ আহত হয়েছে অন্তত ২০ জন।  রোববার ভোট গ্রহণ শেষে রাত পৌণে ১০টায় সদ্যপুষ্করনী ইউনিয়নে ওই ঘটনা ঘটে। পুলিশ ও এলাকাবাসি সুত্রে জানা গেছে, গতকাল ভোট গ্রহণ ও গননা শেষে পালিচড়া একরামিয়া দাখিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে থেকে রাত পৌণে ১০ টার দিকে আনসার পুলিশ ও ম্যাজিস্ট্রেনসহ নির্বাচন কর্মকর্তারা ফিরছিলেন। কেন্দ্র থেকে বের হওয়া মাত্র লোকজন তাদের উপর হামলা চালায়। শুরু হয় পুলিশ জনতা ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া। এসময় পুলিশ আত্মরক্ষার্থে ১০ রাউন্ড ফাকা গুলি ছুড়ে। এতে  লোকমান হোসেন নামে একজন মারা যান। তারা বাবার নাম মৃত লুৎফর রহমান। বালারহাট এলাকায় তাদের বাড়ি। সংঘর্ষে ম্যাজিস্ট্রেট মিন্টু বিশ্বাস, ৬পুলিশ সদস্য এবং এলাকাবাসির মধ্যে আনোয়ার হোসেন, আবদুস সাত্তার, আশিক, খোকা মিয়া, জামাল হোসেন, শফি, খালেকসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছে বলে কোতয়ালি থানার ওসি আবদুল কাদের জিলানী জানান। এলাকাবাসি কাফি ও রোস্তম মিয়া জানান পুলিশ ও নির্বাচন কর্মকর্তারা ভোট গননা করে যাবার সময় ওই ঘটনা ঘটে। পুলিশ কোন কারণ ছাড়াই তাদের উপর গুলি চালায়। এছাড়া গণনা চলাকালিন সদ্যপুস্করনী ইউনিয়নের বালারহাট ও চৌধুরিপাড়া দাখিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে দুই প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে কথাকাটাকাটির এক পর্যায়ে হাতাহাতি ও সংঘর্ষ বেধে যায়। এ ঘটনায় দুই মেম্বারকে আটক করেছে পুলিশ।  সেখানে দায়িত্বরত পুলিশ কর্মকর্তা আবদুল লতিফ সাংবাদিকদের জানান, বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। তিনি জানান, এ ঘটনার জের ধরে মেম্বার প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম ও আসাদুজ্জামান জাবেদকে পুলিশী হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। কোতয়ালি থানার ওসি আবদুল কাদের জিলানী  জানান, জনতার হামলায় ম্যািিজস্ট্রেট ও তাদের ৬পুলিশ সদষ্য আহত হয়েছেন। সংঘর্ষে একজন মারা গেছেন। আহতদের রংফুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে । তিনি জানান শর্টগানের গুলি ছোড়া হয়েছে। তবে কত রাউন্ড গুলি ছোড়া হয়েছে তা তিনি জানাতে পারেননি। ওসি আরো জানান, ওই কেন্দ্রে আগে থেকে দুই প্রার্থীর সমর্থখদের মধ্যে উত্তেজনা চলছিল।