অপরাধ চট্টগাম চট্টগ্রাম প্রধান খবর সারাদেশ

চলমান নাশকতা: নিরাপত্তা বিধানে হিমশিম খাচ্ছে সিএমপি

ctg-securityচট্টগ্রাম প্রতিনিধি : চলমান সহিংসতা ও নাশকতার কারণে বন্দরনগরী চট্টগ্রামে ৪৬টি অতি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার নিরাপত্তা নিয়ে শংকার মধ্যে পড়েছে পুলিশ প্রশাসন। শুধুমাত্র প্রথম শ্রেণির এ ক্যাটাগরির ৯টি স্থাপনায় পুলিশ নিজেরা নিরাপত্তা দিতে পারছে।

বাকিগুলো থাকছে অনেকটা পুলিশী নজরদারীর বাইরে। এক্ষেত্রে জনবল সংকটের পাশাপাশি জটিল কিছু নিয়মের কারণে বাকিগুলোর নিরাপত্তা নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানকেই নিশ্চিত করতে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পুলিশ কর্মকর্তারা।

এক্ষেত্রে জনবল সংকটের পাশাপাশি জটিল কিছু নিয়মের কারণে বাকিগুলোর নিরাপত্তা নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানকেই নিশ্চিত করতে হয় বলে জানিয়েছেন পুলিশ কর্মকর্তারা।

চার ভাগে বিভক্ত চট্টগ্রামের ৪৬টি অতিগুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার মধ্যে বিমান বন্দর এবং চট্টগ্রাম বন্দর ছাড়া আর মাত্র ৭টি প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তায় পুলিশ নিয়োজিত থাকে। বাকি তিন ক্যাটাগরির ৩৭টি স্থাপনায় তেমন কোনো পুলিশ থাকে না।

কিন্তু গত ৬ জানুয়ারি থেকে শুরু হওয়া বিএনপি-জামায়াতের অবরোধ এবং হরতালে চলছে টানা নাশকতা। অতি গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি স্থানে ইতোমধ্যে ককটেল হামলা চালানো হয়েছে। এ অবস্থায় এসব গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাতেও নাশকতার আশংকা থেকে যাচ্ছে।

সিএমপি অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার এ কে এম শহীদুর রহমান বলেন, ‘কেপিআই এর নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়াটাই হলো শঙ্কা। যে নাশকতা চলছে তার আক্রমন কেপিআইতে হলেও হতে পারে।’

জনবল সংকটের পাশাপাশি নিয়মতান্ত্রিক জটিলতার কারণে সবগুলো অতিগুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় পুলিশ পাহারা দেয়া যায় না বলে জানান পুলিশ কর্মকর্তা।

সিএমপি উপ পুলিশ কমিশনার (সদর) ফারুক আহমেদ বলেন, ‘কেপিআই যারা মালিক তাদেরকে আমাদের কাছে বলতে হয় বা এ্যারেঞ্জ করতে হয়। আর টাকাটা তাদের কাছ থেকে যায়। টাকাটা যখন তারা দেয় না তখন আমরা ফোর্স দিতে পারি না।’

এদিকে, নাশকতার আশংকা থাকায় গত কয়েকদিন ধরে সবগুলো কেপিআই কর্তৃপক্ষকে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের নির্দেশনা দিয়েছে পুলিশ।