জাতীয় প্রধান খবর

ফেব্রুয়ারিতে শুরু হবে পদ্মা সেতু নির্মাণের মূল কাজ

images8নিজস্ব প্রতিবেদক : ফেব্রুয়ারিতে টেস্ট পাইলিং এর মধ্য দিয়ে শুরু হচ্ছে পদ্মা সেতু নির্মাণের মূল কাজ। সেতুর জন্য ২ শ ৬৬ টি পিলারের মধ্যে মাওয়া প্রান্তের ৬৬ টি পয়েন্ট সনাক্ত করা হয়েছে। আগামী মাসে একই সাথে শুরু হচ্ছে নদী শাসনের কাজও। পদ্মা সেতুর প্রকল্প পরিচালক জানিয়েছেন পদ্মার দুই তীর মাওয়া আর জাজিরায় সংযোগ সড়ক নির্মাণ শেষ হয়েছে ২৭ ভাগ। আর সেতু প্রকল্পের ১৫ ভাগ কাজও শেষ হয়েছে এরই মধ্যে।

পদ্মার দু পারে কর্মযজ্ঞই জানান দিচ্ছে স্বপ্নের খোলস ছেড়ে বাস্তবতার পথে পদ্মা সেতু। শেষ হয়ে আসছে দীর্ঘ প্রতীক্ষা।

সেতু নির্মাণের কাজকে এগিয়ে নেয়া হচ্ছে সাত ভাগে। মূল সেতু নির্মাণ করছে চীনের কোম্পানি চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি। মূল সেতুর পইলিং এর জন্য মাটি পরীক্ষা টেষ্ট পাইল নির্মাণ এবং স্টিল ফেব্রিগেশনের কাজ চলছে চীনের ন্যানটংএর ওয়ার্কশপে। ফেব্রুয়ারিতে টেস্ট পাইলিংয়ের মাধ্যমে প্রথম খুঁটি গাড়া হবে মূল সেতুর।

পদ্মা সেতুর প্রকল্প পরিচালক বলেন, ‘টেস্ট পাইলটি তৈরি হচ্ছে চায়নাতে, আমরা সেখানে গিয়ে এটি দেখে এসেছি, বেশিরভাগ শিড চায়নাতেই তৈরি হবে এবং সেখানে আমাদের সার্টিফাইড ইঞ্জিনিয়াররা থাকবে’।

সেতুর পরে সবচেয়ে ব্যয়বহুল কাজ নদী শাসন। নদী শাসনের জন্য দৃশ্যত কর্মকাণ্ড চোখে না পড়লেও, সড়ক যোগাযোগ ও সেতু মন্ত্রী বলেন, এজন্য চীন থেকে যন্ত্রপাতি রওনা হয়েছে এরই মধ্যে। তিনি বলেন, ‘কাজ ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে, মূল নদী শাসনের কাজের জন্য যন্ত্রপাতি আসছে’।

মাওয়া-জাজিরা সেতুর সাথে যুক্ত হবে যে সংযোগ সড়ক দিয়ে তার কাজ এগিয়েছে সবচেয়ে বেশি। মাওয়া প্রান্তে তিন কিলোমিটার আর জাজিরা প্রান্তে প্রায় এগারো কিলোমিটারের সড়ক নির্মাণ হচ্ছে চার লেনে। জাজিরায় সংযোগ সড়কে ৫ টি ছোট সেতু আর ২০টি কালভার্টের নির্মাণ কাজও সমাপ্তির পথে।

দক্ষিণ আর পূর্বাঞ্চলের সেতুবন্ধ হওয়ার পাশাপাশি এই সেতু ব্যবহার হবে এশিয়ান হাইওয়ের রুট এ এইচ ১ এর অংশ হিসেবে। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে সেতু চালু হলে দেশের আর্থিক প্রবৃদ্ধি বাড়বে ১ দশমিক ২৩ শতাংশ।