সাহিত্য

রঙ্গীত মিত্রের কবিতা

6

ভদ্রলোক

যত রাজনীতি, যত জটিলতার সেতু
আমার মাথার ভিতর
অকারণ বাজায়।
তাকে আমি রাইট টু ইনফরমেসন অ্যাক্ট দেখাই।
কিন্তু আমার পকেটে যে টাকার গ্ল্যামার নেই।
টাকা না থাকলে ওরা যে কিছুই শোনে না।

বার্ধক্য

বার বার তুমি কি ভাবো আর চিন্তা করো?
তাই তোমাকে শেয়ার বাজার ভাবি।
আর শেয়ারের বর্ধিত মূল্যের মতো
আমার জীবনের কেন মূল্য কেন বাড়ে না?
এ প্রশ্ন করতে গিয়ে থমকে যাই।
থমকের যাওয়ার ডাক নাম দিয়েছি
………………………….বার্ধক্য।

আমার সকাল

আমার সকাল দ্যাখে
এখনো কুয়াসায় ডুবে আছে, সাইন্সসিটি।
এদিকে আমার পাশ দিয়ে তোমার অফিস যাওয়ার সময়
স্কুটি চড়ে হুস করে চলে গেলো।
এখন তার ফেলে যাওয়া ধুলোয়
সিগন্যালের পোস্টের মতো জেগে থাকলাম।

বাংলা ভাষা

আমি বানতলার কগনিজেন্টের সামনে
ভারতবর্ষকে দেখি
আমাকে নিয়ে মজা করতে।
তবুও আমি গর্ববোধ করি
কারণ আমি উত্তর-প্রদেশ,বিহার,তামিলনাড়ুতে জন্মাইনি।
শুধু আমার ভিতরে চোখ রাখলেই
সারা পৃথিবীতে জেগে ওঠে
আমার বাংলা-ভাষা।

যৌনতা

যৌনতা গায়ে লাফিয়ে পড়েছে।
আমি তাকে পুরুষ বলে সন্দেহ করেছি।
আমি তাকে গুপ্তচর বলে সন্দেহ করেছি।
আসলে আজকাল মানুষ কিভাবে যেন পালটে যায়।
আর পালটে গেলেই সে অন্যদল।
তাই যৌনতাকে ভয় পেয়ে ভালোবেসে ফেলি।

অ্যান্ড্রয়েড

ভালোর ভিতর খারাপ গর্ত করে থাকে।
কারণ তার হাতে ক্ষমতা।
এছাড়াও ক্ষমতা পেলেই
যেকোনো মানুষ আলাদা হয়ে যায়।
এইভাবে বয়স বাড়তে বাড়তে
বুঝলাম
নিজের কেউ নয়।
সবাই স্বার্থের অ্যান্ড্রয়েডে নিয়ন্ত্রিত।