অপরাধ জাতীয় মৌলভীবাজার সিলেট

দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র, ২০ রাউন্ড গুলিসহ ১১ডাকাত গ্রেপ্তার

এম শাহজাহান আহমদ,মৌলভীবাজার: মৌলভীবাজারসহ চার জেলার মোহনা শেরপুরে পুলিশ-ডাকাতের মধ্যে বন্ধুকযুদ্ধ ৪টি দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র, ২০ রাউন্ড গুলি ও ডাকাতি কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জামাধীসহ আন্তঃজেলা ডাকাত দলের ১১সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে মডেল থানা পুলিশ। এতে মডেল থানার সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার সিরাজুল হুদা সহ ৮ পুলিশ ও ১১ ডাকাত আহত হয়। এদের মধ্যে ডাকাত দলের তিন সদস্য গুলিবিদ্ধ হয়। ঘটনাটি রোববার রাত ১২টায় ঘটে। রোববার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার সিরাজুল হুদার নেতৃত্বে মডেল থানা পুলিশের একটি বিশেষ দল শেরপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে শেরপুর এলাকা থেকে ৪টি দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র, ২০ রাউন্ড গুলি ও ডাকাতি কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জামাধীসহ আন্তঃজেলা ডাকাত দলের ১১সদস্যকে গ্রেপ্তারের সময় ডাকাতরা পুলিশের উপর গুলি চুড়লে পাল্টাগুলি চুড়ে পুলিশ। তখন ডাকাতের গুলিতে মডেল থানার সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার সিরাজুল হুদা, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস ছালেক, ওসি (তদন্ত) দিলীপ কুমার, এসআই সিরাজুল ইসলাম,এসআই হাসিমসহ ৮ পুলিশ ও ১৯ ডাকাত আহত হয়। পরে গ্রামবাসীর সহায়তায় পুলিশ আন্তঃজেলা ডাকাত দলের ১১ সদস্যকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারকৃতরা হলো শাহেদ মিয়া (৩২),শাহিদ মিয়া(৫৫), মন্নাফ মিয়া (২৭),রিপন মিয়া (২৭),জিয়া উদ্দিন (২৮),আউয়াল (২২),ইমরান (২৮),শফিক মিয়া (৩০),কাজল (২৭),কায়ের (২৫),লুৎফুর রহমান। আহত পুলিশ সদস্যরা মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যা হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। এদের মধ্যে ডাকাত দলের ৩ সদস্য গুলিবিদ্ধ হয়। আহত পুলিশ সদস্যরা মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যা হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। তবে গুলিবিদ্ধ ডাকাত সদস্যরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এখন পর্যন্ত কারো নাম জানা যায়নি। গ্রেপ্তারকৃত ডাকাতরা জানায় সিলেটের গোয়ালাবাজার এলাকায় ডাকাতির জন্য শেরপুর এলাকায় তারা জড়ো হয়েছিল। মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুছ ছালেক জানান, বিগত কয়েকদিন ধরে চুরি,ডাকাতি ও ছিনতাই বেড়ে যাওয়ায় রাতে দিনে কাজ করে এই চিহিৃত আন্তঃজেলা ডাকাত দলের ১১ সদস্যকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছি। তাদের বিরোধে সিলেট জেলার বিভিন্ন থানায় মামলা রয়েছে।