জাতীয় নীলফামারী রংপুর

সৈয়দপুরে জাম্বুরার ফুলে ভরে গেছে গাছগুলো

  মো. আমিররুজ্জামান, নীলফামারী ১৪ মার্চ:  আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় নীলফামারীর সৈয়দপুরে আম ও জাম্বুরা (বাতাবি লেবু) গাছগুলো ফুলে ফুলে ভরে গেছে। তাই এ মৌসুমে আম ও জাম্বুরার বাম্পার ফলনের আশা করছেন স্থানীয় কৃষি অফিসসহ সংশ্লিষ্ট চাষিরা। উপজেলার লক্ষণপুর থেকে একটু এগিয়ে লালদীঘি এলাকার সেভেনটিন নামের এক চাষি জানান, তার বাড়ির আশপাশ এলাকায় ১৫ বিঘা জমিতে তিনি আমের বাগান করেছেন। সেখানে ছোট-বড় মিলে আম গাছ রয়েছে প্রায় ৪শ’ টি। গত মৌসুমে গাছে মুকুল তেমন একটা না হলেও এবারে মুকুলে মুকুলে বরে গেছে। তিনি বলেন, আবহাওয়া অনুকুলে থেকে মুকুলের মতো যদি আম জম্মায় এবং বড় হয় তাহলে অর্ধকোটি টাকার মতো আম বিক্রি করতে পারবেন। এছাড়া উপজেলার বোতলাগাড়ি ইউনিয়নের আসাদুর রহমান বাটু সরকারসহ অন্যান্য চাষিরা জানান, গত বছরের তুলনায় এবারে মুকুল ধরেছে দ্বিগুণ। যদি আবহাওয়া অনুকুলে এবং বৈরী আবহাওয়ায় না পড়ে তাহলে তাদের বাগানের আম দিয়ে সৈয়দপুরের চাহিদা মিটিয়ে অন্যান্য এলাকারও চাহিদা মেটাতে পারবেন। তাদের বাগানের আম বিক্রি করে কোটি টাকা আয় করতেও পারবেন বলে জানান তারা।
অন্যদিকে এন্টিবায়েটিক ফল হিসেবে দেশজুড়ে পরিচিত রয়েছে জাম্বুরা ( বাতাবি লেবু) ফল। জ্বর, জন্ডিস ও ডায়াবেটিকস রোগের মহৌষধ বলে জানান শহরের নামিদামি কবিরাজরা। তাছাড়া অন্যান্য ফল খেতে ফরমালিন ও কার্বোরাইড এর ভয় থাকলেও জাম্বুরা ফল থাকে নির্ভেজাল। গত ৩/৪ বছর আগে জাম্বুরা ফলের চাহিদা তুলনামুলকভাবে কম থাকলেও গেল বছর থেকে এর চাহিদা বেড়ে গেছে দ্বিগুণ। একদিকে যেমন জাম্বুরার চাহিদা বেড়ে গেছে। অন্যদিকে গেল বছরের তুলনায় জাম্বুরা গাছে মুকুলও ধরেছে প্রচুর। বৈরী আবহাওয়ায় না পড়ে তাহলে জাম্বুরাগুলো বড় হয়ে একেকটি ৫০ থেকে ৭০ টাকায় বিক্রি হতে পারে। এ ব্যাপারে কথা হয় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হোমায়রা মন্ডলের সাথে। তিনি জানান, আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় এবারে আম গাছগুলো মুকুলে ভরে গেছে। পাশাপাশি জাম্বুরার ( বাতাবি লেবু) ফলনও ভালো হতে পারে বলে আশা করা যায়।