বিনোদন

সম্পূর্ণ বিশ্রামে চিত্রনায়িকা পূর্ণিমা

বিনোদন প্রতিবেদক, ৯ মার্চ (হটনিউজ২৪বিডি.কম) : অনেকদিন থেকেই নিজের সঙ্গে যুদ্ধ করছেন পূর্ণিমা। একদিকে পরিবার অন্যদিকে নিজের ক্যারিয়ার এবং মনের লালিত স্বপ্ন। সিদ্ধান্ত নিতেই কাটিয়ে দিলেন লম্বা এক সময়। আর এই সিদ্ধান্তহীনতাও অনেক পিছিয়ে দিয়েছে তাকে। দ্বিতীয় বিয়ের পর থেকেই শুরু হয়েছে পূর্ণিমার এই ‘যাই যাই খেলা’।

দ্বিতীয় বিয়ের পর শ্বশুরবাড়ির পক্ষ থেকে পরিস্কার বলে দেয়া হয় অভিনয় ছাড়তে হবে। তখন প্রথম বিয়ের বিতর্ক এড়াতে স্বামী সংসারের কথা ভেবে ঘটা করেই সিনেমাকে গুডবাই জানান পূর্ণিমা। কিন্তু তার কিছুদিন পরপরই চলচ্চিত্রের দুয়েকজনের একান্ত অনুরোধে এবং নিজের ক্যারিয়ার ফিরিয়ে আনতে শ্বশুরবাড়িতে তদবির করেন পূর্ণিমা।

সেসময় দু’একটি ভালো সিনেমা এবং ছোটপর্দায় টুকটাক কাজ করার অনুমোদন পান তিনি। সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ীই চলতে থাকেন পূর্ণিমা। কিন্তু নিজের অদম্য ইচ্ছাকে দমিয়ে রেখে স্বামীর ইচ্ছামতো চলতে গিয়ে মাঝে মাঝেই নানান জটিলতায় পড়েন পূর্ণিমা।

তবে চিকিৎসক যেদিন পূর্ণিমার অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার খবরটি নিশ্চিত করেছেন, সেদিন থেকেই মিডিয়ার কাজ কমিয়ে দিয়েছেন পূর্ণিমা। তবে এবার শুধু মিডিয়া নয়, পূর্ণিমাকে যেকোনো ধরনের শারীরিক পরিশ্রম থেকেই দূরে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসক। তাই পূর্ণিমা এখন পূর্ণ বিশ্রামে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পূর্ণিমার পরিবারের এক সদস্য বলেন, “শিগগির আমরা সুখবর পেতে যাচ্ছি। তবে মাঝখানের এই সময়টুকু খুবই সাবধানে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন ডাক্তার। আমরাও পূর্ণিমাকে সম্পূর্ণ বিশ্রামে রেখেছি। প্রতিদিন চিকিৎসকের সঙ্গে কথা হচ্ছে, পরামর্শ নেওয়া হচ্ছে। সন্তান জন্ম নেওয়ার সময় কোনো ধরনের জটিলতা যেন না হয় সে জন্যই এই বাড়তি সতর্কতা।”

উল্লেখ্য, ২০১২ সালের শুরুতেই তিনি স্বামী ফাহাদের কাছ থেকে আলাদা হয়ে যান। এরপর গত বছরের মাঝামাঝিতে আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁদের বিচ্ছেদ ঘটে। তবে পুরো ব্যাপারটিই অত্যন্ত গোপনীয়তার সঙ্গে ঘটেছে। জানা গেছে, তাঁর স্বামী-শ্বশুর-শাশুড়ি চাননি পূর্ণিমা মিডিয়ায় থাকুক। বিয়ের পর পরই তাঁরা পূর্ণিমাকে অভিনয় ছেড়ে দেয়ার জন্য চাপ দিয়ে আসছিলেন। তাই তো বিয়ের পর অনেকদিন পূর্ণিমা অভিনয় ছেড়ে দূরেও ছিলেন। কিন্তু পূর্ণিমা তাঁদের সিদ্ধান্তটা মেনে নিতে পারেননি। এ নিয়ে স্বামীর সঙ্গে তাঁর মনোমালিন্য হতে থাকে। বছরখানেক আগে তিনি স্বামীর বাড়ি থেকে চলে আসেন। এরপরই তাঁদের আনুষ্ঠানিকভাবে ডিভোর্স হয়ে যায়।