প্রধান খবর

প্রধানমন্ত্রী মিয়ানমারে

ঢাকা, ৩ মার্চ (হটনিউজ২৪বিডি.কম) : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় আঞ্চলিক জোট বিমসটেকের শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে মিয়ানমারে পৌঁছেছেন। সোমবার স্থানীয় সময় সকাল সোয়া ১০টায় তিনি মিয়ানমারের রাজধানী নে পি তাওয়ে পৌঁছালে দেশটির শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আই মিন্ট ও বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত অনুপ কুমার চাকমা তাকে স্বাগত জানান।

বিমানবনন্দরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেয়া হয় লাল গালিচা সংবর্ধনা। সেখান থেকে মোটর শোভাযাত্রা করে শেখ হাসিনাকে নিয়ে যাওয়া হয় রয়্যাল নে পি তাও হোটেলে। দুদিনের এই সফরে প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীরা ওই হোটেলেই থাকবেন।

এদিকে বিমানবন্দর থেকে হোটেলের পথে রাস্তার দুপাশে দাঁড়িয়ে ২ হাতে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের পতাকা নেড়ে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানায় ঐতিহ্যবাহী পোশাক পরিহিত মিয়ানমারের শিশুরা।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৩২ সদস্যের বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

সকাল ৮টায় প্রধানমন্ত্রী ও তার সফর সঙ্গীদের নিয়ে বিমানের একটি ফ্লাইট হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ৭টি দেশের অঞ্চলিক গ্রুপের এই শীর্ষ সম্মেলন আগামীকাল মঙ্গলবার নেই পি তাও’র মিয়ানমার ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স সেন্টারে অনুষ্ঠিত হবে।

বিমসটেক (বে অব বেঙ্গল ইনিশিয়েটিভ ফর মাল্টিসেকটরাল টেকনিক্যাল এন্ড ইকনোমিক কো-অপারেশন) হচ্ছে দক্ষিণ এশিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ৭টি দেশের অঞ্চলিক গ্রুপ। দেশগুলো হচ্ছে- বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত, মিয়ানমার, নেপাল, শ্রীলঙ্কা ও থাইল্যান্ড।

শেখ হাসিনা শীর্ষ সম্মেলনের বাইরে শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট রাজাপাকাসে, ভারতের প্রধানমন্ত্রী ড. মনমোহন সিং এবং বিমসটেকের সদস্য অন্যান্য নেতৃবৃন্দের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন।

এ ছাড়া তিনি মিয়ানমার পার্লমেন্টের স্পিকার শোয়ে মান এবং ন্যাশনাল লীগ ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান অং সান সূচির সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন।

তিনি বিমসটেকের সকল সদস্য দেশের রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানদের সংবাদ সম্মেলনে যোগ দেবেন এবং মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট থেইন সিন-এর দেয়া নৈশভোজে অংশ নেবেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামীকাল মঙ্গলবার রাত ৯টা ১০ মিনিটে দেশে ফিরবেন।

আসন্ন শীর্ষ সম্মেলনের পর ঢাকায় বিমসেটকের স্থায়ী সচিবালয় কার্যকর হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বিমসটেকের প্রথম মহাসচিব শ্রীলঙ্কা থেকে হবেন বলে আগেই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। বাংলাদেশ সরকার সচিবালয়ের জন্য ইতোমধ্যেই ঢাকায় জমি বরাদ্দ করেছে।