জাতীয় ঢাকা প্রধান খবর রাজনীতি

যতো রেকর্ড নবম সংসদের

 আছাদুজ্জামান, ঢাকা, ২৪ জানুয়ারি :   নবম জাতীয় সংসদের মেয়াদ পূর্ণ হল আজই। পাঁচ বছর আগে আজকের এই দিনে যাত্রা শুরু হয় এই সংসদের। দশম সংসদ নির্বাচন শেষে নতুন সরকার গঠন হওয়ায় নিময় অনুযায়ী নবম সংসদ ভাঙার গেজেটও আজই প্রকাশ হচ্ছে। নবম সংসদে যুগান্তকারী আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন যেমন পাস হয়েছে, তেমন বিরোধীদলের বর্জনের রেকর্ডও রয়েছে।  • নবম সংসদের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই শপথ নিয়েছেন দশম জাতীয় সংসদের সদস্যরা। এটাও বাংলাদেশের ইতিহাসে রেকর্ড। • নবম জাতীয় সংসদে মোট কার্যদিবস ছিল ৪১৮দিন। যা দেশের সংসদীয় ইতিহাসে সর্বোচ্চ।• নবম জাতীয় সংসদে বিল পাস হয়েছে ২৭১টি। বিল পাসের ক্ষেত্রেও এ সংসদের রেকর্ড। • বিরোধীদলের সংসদ বর্জনেও নতুন রেকর্ড হয়েছে নবম জাতীয় সংসদে। ৩৪২ কার্যদিবস বিরোধীদলহীন ছিল সংসদ অধিবেশন। তারা সংসদে উপস্থিত ছিল মাত্র ৭৬ কার্যদিবস। • ৭৬ কার্যবিদসের মধ্যে আবার বিরোধীদলীয় নেতা খালেদা জিয়া উপস্থিত ছিলেন মাত্র ১০ দিন। এটা কোনো বিরোধীদলীয় নেতার কম উপস্থিত থাকার রেকর্ড। সপ্তম সংসদে মোট ৩৮২ কার্যদিবসের মধ্যে তিনি হাজির ছিলেন ২৮ কার্যদিবস। • এ সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা গত ২০ মার্চ ১ ঘণ্টা ৫৭ মিনিট বক্তব্য দেন, যা সংসদীয় ইতিহাসে সর্বোচ্চ। •  নবম সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৩২২ কার্যদিবসেই উপস্থিতি ছিলেন। •  নবম সংসদেই দেশের প্রথম নারী স্পিকার হিসেবে নির্বাচিত হন শিরীন শারমিন চৌধুরী। গত ৩০ এপ্রিল আওয়ামী লীগের সংরক্ষিত মহিলা আসনের এই সাংসদ স্পিকার হন। •  দেশের সংসদীয় ইতিহাসে এবারই প্রথম অধিবেশনে সবগুলো সংসদীয় কমিটি গঠন করা হয়। •  গত ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত ৫১টি সংসদীয় কমিটি মোট ২ হাজার ১৬টি বৈঠক করেছে। এসব কমিটির ১৮২টি সাব-কমিটি গঠন করা হয়, যেগুলোর বৈঠক হয়েছে ১৮২টি। নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করে। এরমধ্যে এককভাবে আওয়ামী লীগ সংরক্ষিত মহিলা আসনসহ ৩৫০ আসনের মধ্যে পায় ২৭৪, জাতীয় পার্টি ২৮, জাসদ ৩ ও ওয়ার্কার্স পার্টি ২টি আসন পায়। বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের সংরক্ষিতসহ মোট আসন ছিল ৪০টি। এরমধ্যে বিএনপির ৩৭টি, জামায়াতের ২টি ও ১টি বিজেপির। এলডিপির একটি ও স্বতন্ত্র দুটি আসন ছিল।