জাতীয় নীলফামারী রংপুর রাজনীতি

জামায়াত- শিবির এদেশের স্বাধীনতা বিশ্বাস করে না- সংস্কৃতি মন্ত্রী

 মো. আমিররুজ্জামান, নীলফামারী ১৯ জানুয়ারি:  সংস্কৃতি মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর বলেছেন, আমি মন্ত্রী হয়েছি, এটি আপনাদের প্রত্যাশা ছিল। সে প্রত্যাশা আপনাদের পূরণ হয়েছে। আর আমি আমার মন্ত্রীত্বের সম্মান নীলফামারীবাসীর কাছে উৎসর্গ করলাম। উৎসর্গ করলাম গত ১৪ ডিসেম্বর আমার গাড়িবহরে হামলার সময় নিহত টুপামারী ইউনিয়নের চার নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে এবং আমার দলের ও সহযোগি সংগঠনের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে। তাঁকে মন্ত্রীত্বের সম্মান দেওয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে নীলফামারীবাসীর পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি। নীলফামারীর মাটি ও মানুষের নেতা সংস্কৃতি মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূরকে ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত করেছে নীলফামারীবাসী। শনিবার নীলফামারী শহীদ মিনার চত্বরে জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত গণসংবর্ধনায় তাঁকে এ শুভেচ্ছা জানানো হয়।
মন্ত্রী তাঁর বক্তবে বলেন, জামায়াত- শিবির বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভ্যেম ও উন্নয়নে বিশ্বাস করে না। এরা শুধু সহিংসতা ও খুনাখুনির রাজনীতিতে বিশ্বাস করে। এরা পরাজিত শক্তি পাকিস্তানের দোসর। জামায়াতের পূর্ব পাকিস্তানিরা তাদের পার্লামেন্টে যে শোক প্রস্তাব এনেছে তা বিশ্বে নজিরবিহীন এবং নিন্দনীয় ঘটনা। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রসঙ্গে সংস্কৃতি মন্ত্রী নূর বলেন, জামায়াত বাংলাদেশের স্বাধীনতা, পতাকা, শহীদ মিনার এমনকি বাঙ্গালির অর্জনগুলো কোনোভাবে বিশ্বাস করে না। তারা কখনো আমাদের জাতীয় পতাকা নিয়ে মিছিল করেনি, পালন করেনি মহান স্বাধীনতা, বিজয়, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস এমনকি পহেলা বৈশাখও। কারণ তারা বাঙ্গালিদের অর্জনগুলো আজও মেনে নিতে পারেনি। এ অনুষ্ঠানে নীলফামারী-১ আসনের সংসদ সদস্য আফতাব উদ্দিন সরকার ও নীলফামারী-৩ আসনের সংসদ সদস্য গোলাম মোস্তফাকেও বরণ করে নেয়া হয়। জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও নীলফামারী পৌর মেয়র দেওয়ান কামাল আহমেদের সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য রাখেন সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট জোনাব আলী, জেলা কৃষক লীগের সভাপতি অ্যাডভেকেট অক্ষয় কুমার রায়, জেলা যুবলীগের সভাপতি রমেন্দ্র বর্ধন বাপী, স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের সভাপতি ডা. মমতাজুল ইসলাম মিন্টুসহ স্থানীয় নেতারা। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ প্রশাসক অ্যাডভোকেট মমতাজুল হক।