প্রধান খবর রাজনীতি

হরতাল ২৯ জানুয়ারি

 নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা, ১৫ জানুয়ারি :  দশম সংসদের প্রথম অধিবেশনের দিন ২৯ জানুয়ারি হরতাল ডাকতে পারে ১৮ দলীয় জোট।
আজ বুধবার বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সংবাদ সম্মেলন থেকে এ হরতালের ডাক আসতে পারে বলে নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে।
সংবাদ সম্মেলন থেকে বিএনপি চেয়ারপারসন আগামী দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করবেন।
তবে বিএনপির সামনে এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ জনসম্পৃক্ততা বাড়ানোর বিষয়টি। যে কারণে ‘সমঝে চল’ নীতিতে অগ্রসর হতে দেখা যাচ্ছে বিএনপিকে। হরতাল-অবরোধে জনগণের সাড়া পেতে নতুন পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে দলটি। এ মুহূর্তে জনসমর্থন আদায়ই তাদের প্রধান লক্ষ্য। সেক্ষেত্রে হরতালের মতো কর্মসূচি নিয়ে সিদ্ধান্তে পরিবর্তনও আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এদিকে বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, ‘একতরফা’ নির্বাচন বাতিল, সরকারের পদত্যাগ এবং নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে আন্দোলনে জনগণকে আরো বেশি সম্পৃক্ত করতে লংমার্চ, রোডমার্চ, সারাদেশে বিক্ষোভ-সমাবেশসহ বিভিন্ন ধরনের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি দেওয়া হতে পারে। এসব কর্মসূচির মাঝে মাঝে হরতাল পালন করবে ১৮ দল।
একইসঙ্গে সরকারকে বর্হিবিশ্বের চাপে রাখতে নানামুখী তৎপরতা চালাবেন তারা। এজন্য প্রভাবশালী দেশগুলোর কূটনীতিকদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রক্ষা করবেন বিএনপির সিনিয়র কয়েকজন নেতা। খালেদা জিয়া নিজেও নিয়মিত বৈঠক করবেন কূটনীতিকদের সঙ্গে।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, জোটের বৈঠকে নির্বাচন ঠেকাতে  ব্যর্থতার জন্য বিএনপিসহ ১৮ দলের সাংগঠনিক দুর্বলতা, সিনিয়র নেতাদের অতিমাত্রায় আত্মগোপন, আন্দোলনে জনসম্পৃক্ততা কম থাকা, রাজপথে নেতাকর্মীদের নামাতে না পারা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কঠোর অবস্থানকেই দায়ী করছেন জোটের নেতারা।

এ ব্যাপারে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য লে. জে. (অব.) মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘বৈঠকে নির্বাচন পূর্ববর্তী এবং পরবর্তী সরকারবিরোধী আন্দোলন নিয়ে আলোচন হয়েছে। আন্দোলনের দুর্বলতাগুলো চিহ্নিত করা হয়েছে। জনগণকে আরো বেশি সম্পৃক্ত করে আগামীতে কীভাবে আন্দোলন সফল করা যায় তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।’

২৯ জানুয়ারি হরতালের কর্মসূচি আসতে পারে কি-না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘শিগগিরই বিএনপি চেয়ারপারসন আন্দোলনের নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করবেন। হরতালের মতো কর্মসূচি  আসলেও আসতে পারে।