অর্থ ও বাণিজ্য কৃষি নীলফামারী রংপুর

ঘন কুয়াশা ও প্রচন্ড শীতে আলুক্ষেতে লেটব্রাইট রোগের আশঙ্কা

মো. আমিররুজ্জামান, নীলফামারী ১২ জানুয়ারি : নীলফামারী জেলায় মৌসুমের ঘন কুয়াশা ও প্রচন্ড শীতে লোকজন কাহিল হয়ে পড়েছে। অব্যাহত ঘন কুয়াশা ও প্রচন্ড শৈত্য প্রবাহের কারণে আলুক্ষেতে লেটব্রাইট রোগের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। ফলে আলু চাষিরা হতাশায় ভুগছেন। গেল বছর প্রথমে আলুর দাম না থাকলেও শেষ মুহূর্তে আলুর বাজার পাওয়ায় কৃষকরা এবারে বিস্তীর্ণ জমিতে আলুর আবাদ করেছেন। এর মধ্যে কার্ডিনাল, ডায়মন্ড, ইষ্টিক, গ্রানুলা, ফেনসিল, স্ট্যারিকস, ক্যারেজ, রাজা, কুপরি সুন্দরী ও দেশী জাতের আলু রয়েছে। এসব আলু রক্ষায় কৃষকরা কনকনে ঠান্ডা উপেক্ষা করে ক্ষেত রক্ষায় আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। ফলে আলুর উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা করছেন আলু চাষিরা। কৃষি বিভাগের মতে, স্থানীয় জাতের আলু ১১০ হতে ১২০ দিনের মধ্যে ঘরে তোলা যায়। আর উফসী আলু ৭৫ থেকে ৮৫ দিনের মধ্যে চাষিরা ঘরে তুলতে পারেন। বর্তমানে আলু চাষিরা আলুর গাছ পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন। জমির আলুর গাছগুলো সবুজ রং ধারণ করে সজিব হয়ে উঠেছে। ঠিক সেই মুহূর্তে ক’দিন ধরে ঘন কুয়াশা ও প্রচন্ড শৈত্য প্রবাহ অব্যাহত রয়েছে। এ প্রতিকুল আবহাওয়ায় আলু ক্ষেতে লেটব্রাইট বা পাতা মোড়ানো রোগ দিতে পারে। কোথাও কোথাও এ রোগ দেখা দেওয়ায় আলু চাষিরা ফসল রক্ষায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। সেই সাথে ফসল রক্ষায় তারা বিভিন্ন পদ্ধতি গ্রহণ করছেন। কৃষি বিভাগ জানায়, বর্তমানে বৈরী আবহাওয়া বিরাজ করায় আলুক্ষেতে লেটব্রাইট বা পাতা মোড়ানো রোগ ছড়িয়ে পড়তে পারে। তাই ইতোমধ্যে লিফলেট ও প্রচারণাসহ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। আলু চাষিদের প্রচন্ড শীতে আলুক্ষেতে ছত্রাকনাশক ওষুধ প্রয়োগের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।