জাতীয় প্রধান খবর সারাদেশ

নির্বাচিত হলেন যারা

 হটনিউজ ডেস্ক, ঢাকা, ৬ জানুয়ারি :  দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১৪৭টি আসনে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে রোববার। ভোট গণনা শেষে আসনগুলোতে বেসরকারিভাবে ফলাফল ঘোষিত হয়েছে।
ভোর সাড়ে পাঁচটা পর্যন্ত ১৩৯টি আসনের ঘোষিত বেসরকারি ফলাফলে আওয়ামী লীগ প্রার্থীরা নির্বাচিত হয়েছেন ১০৫টিতে। ১৩টিতে জাতীয় পার্টি, ৪টিতে ওয়ার্কার্স পার্টি, ২টিতে জাসদ, ১টিতে তরিকত ফেডারেশন, ১টিতে বিএনএফ এবং বাকি ১৩টিতে বিজয়ী হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থীরা।

দিনাজপুর-৪, কুড়িগ্রাম-৪, বগুড়া-৭, যশোর-৫, গাইবান্ধা-১, গাইবান্ধা-৩, লক্ষ্ণীপুর-১ ও গাইবান্ধা-৪ আসনের বেশকিছু কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ স্থগিত করায় এখনও ফলাফল পাওয়া যায়নি। সারাদেশ থেকে হটনিউজ২৪বিডি.কমের জেলা/উপজেলা প্রতিবেদকদের পাঠানো খবরে বিস্তারিত।

জেলা প্রতিবেদক  জানান, মৌলভীবাজার-২ (কুলাউড়া-কমলগঞ্জ একাংশ) আসনে বিজয়ী হয়েছেন স্বতন্ত্রপ্রার্থী সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন। তিনি ৩০ হাজার ৮৭১ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম জাতীয় পার্টির (এরশাদ) প্রার্থী মহিবুল কাদির চৌধুরী পেয়েছেন ২৫ হাজার ২৪১ ভোট।

মৌলভীবাজার-১ (বড়লেখা-জুড়ী) আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী শাহাব উদ্দিন বিজয়ী হয়েছেন। নৌকা প্রতীকে তিনি পেয়েছেন এক লাখ চার হাজার ২০ ভোট। তার নিকটতম একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টির আহমেদ রিয়াজ লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন নয় হাজার ৮৪৯ ভোট।

জেলা প্রতিবেদক  জানান, পিরোজপুর-৩ (মঠবাড়িয়া) আসনে স্বতন্ত্রপ্রার্থী রুস্তম আলী ফরাজী ২৯ হাজার ৩৪২ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের প্রার্থী ডা. আনোয়ার হোসেন পেয়েছেন ২৫ হাজার ৪০৯ ভোট।

জেলা প্রতিবেদক   জানান, চুয়াডাঙ্গা-১ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী সোলাইমান হক জোয়ার্দ্দার ছেলুন ১ লাখ ৪৫ হাজার ১৩৪ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাসদ প্রার্থী এম সবেদ আলী মশাল প্রতীক নিয়ে ২০ হাজার ১০৮ ভোট পেয়েছেন।

চুয়াডাঙ্গা-২ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আলী আজগর টগর নৌকা প্রতীক নিয়ে ১ লাখ ১৮ হাজার ৩৮৫ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ওয়াকার্স পার্টির প্রার্থী সিরাজুল ইসলাম শেখ ৮ হাজার ৩০ ভোট পেয়েছেন।

জেলা প্রতিবেদক গাজী হানিফ মাহামুদ জানান, নরসিংদী-১ (সদর) আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী নজরুল ইসলাম ৮৯ হাজার ৭৮৩ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টির মোস্তফা জামাল পেয়েছেন ৪ হাজার ৫০৭ ভোট।

নরসিংদী-২ (পলাশ) আসনে নির্বাচিত হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী কামরুল আশরাফ খান পোটন। তিনি পেয়েছেন ৩৮ হাজার ১৭৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) প্রার্থী জায়েদুল কবির নৌকা প্রতীকে পেয়েছেন ২৭ হাজার ১৭৪ ভোট।

নরসিংদী-৩ (শিবপুর) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী আলহাজ্ব সিরাজুল ইসলাম মোল্লা ৫৪ হাজার ৬৪৩ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের প্রার্থী জহিরুল ইসলাম ভূঁইয়া মোহন পেয়েছেন ৩১ হাজার ৯০৬ ভোট।

জেলা প্রতিবেদক ফরহাদ হোসেন জানান, নড়াইল-২ (সদর উপজেলার একাংশ ও লোহাগড়া উপজেলা) আসনে বেসরকারিভাবে ওয়ার্কার্স পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা শেখ হাফিজুর রহমান জয়ী হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ৯৫ হাজার ১২৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী সোহরাব হোসেন বিশ্বাস পেয়েছেন ২২ হাজার ৩২০ ভোট।

লক্ষ্মীপুর জেলা প্রতিবেদক  জানান, লক্ষ্মীপুর-৪ (রামগতি-কমলনগর) আসনে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী মো. আবদুল্লাহ আল মামুন। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৫ হাজার ৫৮১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্রপ্রার্থী আজাদ উদ্দিন চৌধুরী পেয়েছেন ৭ হাজার ৮২৮ ভোট।

ভোলা জেলা প্রতিবেদক   জানান, ভোলা-২ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আলী আজম মুকুল বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তিনি এক লাখ ৫৭ হাজার ৮৯৮ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জেপির (মঞ্জু) সালাউদ্দিন পেয়েছেন ৮ হাজার ২৬২ ভোট।

ভোলা-৩ আসনে ফের জয়লাভ করেছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন। নৌকা প্রতীক নিয়ে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৭১ হাজার ৬৫৮ ভোট। লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে ৯ হাজার ৭৬ ভোট পেয়ে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হয়েছেন জাতীয় পার্টির এ কে এম নজরুল ইসলাম মিয়া।

মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রতিবেদক  জানান, মুন্সীগঞ্জ-১ আসনে ১ লাখ ৮৯ হাজার ১৮৩ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী সুকুমার রঞ্জন ঘোষ। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জেপির (মঞ্জু) প্রার্থী নুর মোহাম্মদ ৬ হাজার ৯৫৭ ভোট পেয়েছেন।

মুন্সীগঞ্জ-২ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী সাগুফতা ইয়াসমিন এমিলি ১ লাখ ৩০ হাজার ২৬৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী মাহাবুবউদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম ৮ হাজার ৪৬১ ভোট পেয়েছেন।

টাঙ্গাইল জেলা প্রতিবেদক  জানান, টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভূঞাপুর) আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী খন্দকার আসাদুজ্জামান ১ লাখ ৪০ হাজার ৭৫৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টি (জেপি) আজিজুর রহমান পেয়েছেন ৮ হাজার ১৭ ভোট।

টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ছানোয়ার হোসেন ৬৭ হাজার ৯৫৯ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্রপ্রার্থী মুরাদ সিদ্দিকী ৫৯ হাজার ৩৯৮ ভোট পেয়েছেন।

টাঙ্গাইল-৬ (দেলদুয়ার-নাগরপুর) আসনে আওয়ামী লীগের খন্দকার আব্দুল বাতেন ৬৬ হাজার ২৯২ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্রপ্রার্থী আনিছুর রহমান বুলবুল পেয়েছেন ১৪ হাজার ৬২১ ভোট।

জেলা প্রতিবেদক মোল্লা মহিউদ্দীন জানান, কুমিল্লা-৩ (মুরাদনগর) আসনে স্বতন্ত্রপ্রার্থী ইউছুফ আব্দুল্লাহ হারুন ৭৮ হাজার ৬৪৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্রপ্রার্থী ড. আহসানুল হক কিশোর পেয়েছেন ৫৬ হাজার ৩৩৬ ভোট।

কুমিল্লা-৬ (সদর) আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী হাজী আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহার পেয়েছেন ৫৯ হাজার ২৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীস্বতন্ত্র প্রার্থী মাসুদ পারভেজ খান ইমরান পেয়েছেন ৩৮ হাজার ২৯৩ ভোট।

কুমিল্লা-১ (দাউদকান্দি-মেঘনা) আসনে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী মেজর জেনারেল (অব.) সুবিদ আলী ভূঁইয়া। তিনি নৌকা প্রতীকে পেয়েছেন ৯০ হাজার ৩৭৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার নাঈম হাসান কলস প্রতীকে পেয়েছেন ১৮ হাজার ৫৭২ ভোট।

কুমিল্লা-৯ (লাকসাম-মনোহরগঞ্জ) আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মো. তাজুল ইসলাম ১ লাখ ৬৩ হাজার ১৯৫ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী জাতীয় পার্টির প্রার্থী প্রফেসর গোলাম মোস্তফা পেয়েছেন ১২ হাজার ১৯২ ভোট।

কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী রাজী মো. ফখরুল হাতি প্রতীকে জিতেছেন। তিনি পেয়েছেন ৩২ হাজার ৮০৩ ভোট ও নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী ইকবাল হোসেন রাজু (লাঙ্গল) পেয়েছেন ২৮ হাজার ৫২৬ ভোট।

কুমিল্লা-৫ (বুড়িচং-ব্রাহ্মণপাড়া) আসনে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী বর্তমান সংসদ সদস্য সাবেক আইনমন্ত্রী আব্দুল মতিন খসরু। তিনি পেয়েছেন ২ লাখ ৬ হাজার ৯৩১ ভোট এবং তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টির প্রার্থী সফিকুর রহমান পেয়েছেন ৮ হাজার ১৫৭ ভোট।

কুমিল্লা-৮ (বরুড়া) আসনে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন জাতীয় পার্টির প্রার্থী নুরুল ইসলাম মিলন। তিনি লাঙ্গল প্রতীকে পেয়েছেন ৫২ হাজার ৮৮ ভোট ও নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী এ এস এম কামরুল ইসলাম পেয়েছেন ১৬ হাজার ৮৭৮ ভোট।

গোপালগঞ্জ জেলা প্রতিবেদক  জানান, গোপালগঞ্জ-১ আসনে (মুকসুদপুর ও কাশিয়ানী উপজেলা) আওয়ামী লীগের আর্ন্তজাতিক বিষয়ক সম্পাদক লে. কর্নেল (অব.) ফারুক খান বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছেন। তিনি ২ লাখ ৪০ হাজার ৩০৪ ভোট পেয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টির দীপা মজুমদার পেয়েছেন ৫ হাজার ৮৬৩ ভোট।

গোপালগঞ্জ-২ আসনে (সদর উপজেলা ও কাশিয়ানী উপজেলার ৭ ইউনিয়ন) আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম বিপুল ভোটের ব্যবধানে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তিনি নৌকা প্রতীকে ভোট পেয়েছেন ২ লাখ ৩৭ হাজার ৫৯১টি। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টির কাজী শাহিন লাঙ্গল প্রতীকে পেয়েছেন ৪ হাজার ৪৮ ভোট।

গোপালগঞ্জ-৩ আসনে (টুঙ্গিপাড়া-কোটালীপাড়া উপজেলা) আওয়ামী লীগের সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিপুল ভোটের ব্যবধানে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তিনি মোট ১ লাখ ৮৭ হাজার ১৮৫ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টির এজেড অপু শেখ পেয়েছেন ২ হাজার ৪৩০ ভোট।

সুনামগঞ্জ জেলা প্রতিবেদক  জানান, সুনামগঞ্জ-১ (ধর্মপাশা-তাহিরপুর-জামালগঞ্জ) আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মোয়াজ্জেম হোসেন রতন ৮৮ হাজার ৯৮১ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম স্বতন্ত্রপ্রার্থী সৈয়দ রফিকুল হক ৩২ হাজার ৫৮১ ভোট।

সুনামগঞ্জ-৩ (জগন্নাথপুর-দক্ষিণ সুনামগঞ্জ) আসনে ৫০ হাজার ৩১৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত এমএ মান্নান। তার প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্রপ্রার্থী আজিজুস সামাদ ডন পেয়েছেন ৪১ হাজার ১২৩ ভোট।

সুনামগঞ্জ-৫ (ছাতক-দোয়ারাবাজার) আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মুহিবুর রহমান মানিক ১ লাখ ৬৪ হাজার ৪৮৬ ভোটে পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্রপ্রার্থী বিএনএফের মোহাম্মদ আশরাফ হোসেন পেয়েছেন ৩ হাজার ২৬৪ ভোট।

জামালপুর জেলা প্রতিবেদক জানান, জামালপুর-১ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ ঘোষিত ফলাফলে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৭৯ হাজার ৮৬৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্রপ্রার্থী আজিজ আহাম্মদ হাসান পেয়েছেন ৫ হাজার ৯৬ ভোট।

জামালপুর-৫ (সদর) আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী রেজাউল করিম হীরা জয়ী হয়েছেন। তিন পেয়েছেন ২ লাখ ২০ হাজার ৮১৬ ভোট। জাতীয় পার্টির (জেপি-মঞ্জু) প্রার্থী অ্যাডভোকেট বাবর আলী পেয়েছেন মাত্র ৬ হাজার ১০৭ ভোট।

জামালপুর- ৪ আসনে জাতীয় পার্টির (জাপা-এরশাদ) প্রার্থী মামুনুর রশীদ জয়ী হয়েছেন। লাঙ্গল প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ৪৯ হাজার ২৬৫ ভোট। তার নিকটতম বিএনএফের প্রার্থী মোস্তফা বাবুল টেলিভিশন প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১৭ হাজার ১২৪ ভোট।

নওগাঁ জেলা প্রতিবেদক  জানান, নওগাঁ-৩ (বদলগাছী-মহাদেবপুর) আসনে স্বতন্ত্রপ্রার্থী সলিম উদ্দীন তরফদার ৭৪ হাজার ৪০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের প্রার্থী বর্তমান সংসদ সদস্য ড. আকরাম হোসেন চৌধুরী পেয়েছেন ৪৬ হাজার ৬৬৩ ভোট।

নওগাঁ-৪ (মান্দা) আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী বর্তমান সংসদ সদস্য ইমাজ উদ্দীন প্রামাণিক ৬০ হাজার ৩৪৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টির (মঞ্জু) প্রার্থী ৯ হাজার ৯৬৫ ভোট পেয়েছেন।

নওগাঁ-৫ (সদর) আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী বর্তমান সংসদ সদস্য আব্দুল মালেক নিয়ে ৪৪ হাজার ২৩৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্রপ্রার্থী আলহাজ্ব রফিকুল ইসলাম রফিক পেয়েছেন ৩৭ হাজার ৩৯০ ভোট।

মেহেরপুর জেলা প্রতিবেদক জানান, মেহেরপুর-১ (সদর-মুজিবনগর) আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ফরহাদ হোসেন দোদুল ৫৩ হাজার ৩৫০ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী স্বতন্ত্রপ্রাথী অ্যাডভোকেট ইয়ারুল ইসলাম পেয়েছেন ১০ হাজার ৯৯২ ভোট।

মেহেরপুর-২ (গাংনী) আসনে স্বতন্ত্রপ্রার্থী মকবুল হোসেন ৪৬ হাজার ৫০০ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের প্রার্থী এমএ খালেক ভোট পেয়েছেন ৩৬ হাজার ৪৮৯টি।

বরিশাল জেলা প্রতিবেদক  জানান , বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনে ওয়ার্কার্স পার্টির হাতুড়ি প্রতীকের প্রার্থী টিপু সুলতান ৩৫ হাজার ৬০২ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টির প্রার্থী লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে বর্তমান সাংসদ গোলাম কিবরিয়া টিপু পেয়েছেন ২৩ হাজার ৪০৭ ভোট।

বরিশাল-৪ (হিজলা-মেহেন্দীগঞ্জ) আসনে জয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক পঙ্কজ দেবনাথ। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৭৫ হাজার ৪১৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্টের (বিএনএফ) প্রার্থী আঞ্জুমান সালেহউদ্দিন পেয়েছেন ৫ হাজার ৬২৯ ভোট।

বরিশাল-২ (বানারীপাড়া-উজিরপুর) আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ও বর্তমান সংসদ সদস্য তালুকদার মোহাম্মদ ইউনুস ১ লাখ ৩৪ হাজার ৮৭৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টির প্রার্থী নাসির উদ্দিন নাসিম হাওলাদার পেয়েছেন ৫ হাজার ৮৮ ভোট।

ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিবেদক  জানান, ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ৮৮ হাজার ৩৪৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী রমেশ চন্দ্র সেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ওয়ার্কার্স পার্টির ইমরান হোসেন চৌধুরী ভোট পেয়েছেন ৩ হাজার ৪৪৪ ভোট।

ঠাকুরগাঁও-৩ আসনে নির্বাচিত হয়েছেন ওয়ার্কার্স পার্টির ইয়াসিন আলী। তিনি ভোট পেয়েছেন ৬২ হাজার ১১৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টির হাফিজ উদ্দিন আহমেদ পেয়েছেন ৩৭ হাজার ৬৭৩ ভোট।

দিনাজপুর জেলা প্রতিবেদক  জানান, দিনাজপুর-১ (বীরগঞ্জ-কাহারোল) আসনে ১ লাখ ২৪ হাজার ৩১৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের মনোরঞ্জন শীল গোপাল। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ওয়ার্কার্স পার্টির আবদুল হক পেয়েছেন ২৪ হাজার ৮৭৩ ভোট।

দিনাজপুর-৩ (সদর) আসনে ৯৬ হাজার ৪০৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের ইকবালুর রহিম। তার প্রতিদ্বন্দ্বী ওয়ার্কার্স পার্টির মাহমুদুল হাসান মানিক পেয়েছেন ৩ হাজার ৩২৯ ভোট।

দিনাজপুর-৫ (পার্বতীপুর-ফুলবাড়ী) আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান বিজয়ী ঘোষিত হয়েছেন। তিনি নৌকা প্রতীক নিয়ে ৯৩ হাজার ৫৭৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ওয়ার্কার্স পার্টির আফসার আলী পেয়েছেন ৩ হাজার ২২৪ ভোট।

দিনাজপুর-৬ (ঘোড়াঘাট, নবাবগঞ্জ, বিরামপুর, হাকিমপুর) আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী শিবলি সাদিক বিজয়ী হয়েছেন। তিনি ১ লাখ ১৫ হাজার ৩৬ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হাতুড়ি প্রতীক নিয়ে ওয়ার্কাস পার্টির রবীন্দ্রনাথ সরেন পেয়েছেন  ৩ হাজার ৪৯৫ ভোট।

জেলা প্রতিবেদক শাহীন রহমান ও চলনবিল প্রতিবেদক আব্দুর মান্নান পলাশ জানান, পাবনা-১ (সাঁথিয়া-বেড়া) আসনে ৬৫ হাজার ৯২৯ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট শামসুল হক টুকু। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক আবু সাইয়িদ পেয়েছেন ৪৫ হাজার ৩৭৯ ভোট।

পাবনা-৩ আসনে (চাটমোহর-ভাঙ্গুড়া-ফরিদপুর) ৯৮ হাজার ৩৫৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন মকবুল হোসেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্রপ্রার্থী আবুল কালাম আজাদ পেয়েছেন ১২ হাজার ৪৫০ ভোট।

জেলা প্রতিবেদক জানান, পটুয়াখালী-১ আসনে জাতীয় পার্টির মহাসচিব এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ৭৯ হাজার ২০৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্রপ্রার্থী ডা. মো.শফিকুল ইসলাম পেয়েছেন ৩ হাজার ৪৮২ ভোট।

পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা ও দশমিনা) আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আ খ ম জাহাঙ্গীর হোসেন ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৫৩ হাজার ৮৪০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনএফের প্রার্থী কামরুল হোসেন পেয়েছেন ৩ হাজার ১০৫ ভোট।

জেলা প্রতিবেদক  জানান, বাগেরহাট-৪ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ডা. মোজাম্মেল হোসেন ৬১ হাজার ৩০৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্রপ্রার্থী পুলিশের সাবেক অতিরিক্ত আইজিপি ও সদ্য বহিষ্কৃত জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি ড. আব্দুর রহিম খাঁন পেয়েছেন ২১ হাজার ২৬১ ভোট।

সিরাজগঞ্জ জেলা প্রতিবেদক  জানান, সিরাজগঞ্জ-৫ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আব্দুল মজিদ মণ্ডল ৯২ হাজার ৭৩৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্রপ্রার্থী আতাউর রহমান রতন পেয়েছেন ৪ হাজার ২৩৮ ভোট।

জেলা প্রতিবেদক  জানান, ময়মনসিংহ-১১ (ভালুকা) আওয়ামী লীগের প্রার্থী মোহাম্মদ আমানউল্লাহ বেসরকারি ভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ৯১ হাজার ৩৬২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্রপ্রার্থী সাহাদাত ইসলাম চৌধুরী  পেয়েছেন ১০ হাজার ৪৫৬ ভোট।

ময়মনসিংহ-৭ (ত্রিশাল) আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী এমএ হান্নান ৩৬ হাজার ৯৬৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্রপ্রার্থী হাফেজ রুহুল আমীন মাদানী পেয়েছেন ৩৩ হাজার ৩৬৪ ভোট।

ময়মনসিংহ-৩ (গৌরীপুর) আসনে ফের জয়লাভ করেছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী সাবেক স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ক্যাপ্টেন (অব.) মজিবুর রহমান ফকির। নৌকা প্রতীক নিয়ে তিনি পেয়েছেন ৪৩ হাজার ৬৪০ ভোট। হরিণ প্রতীক নিয়ে ১৫ হাজার ১২৩ ভোট পেয়ে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী নাজনীন ‍আলম।

নিজস্ব প্রতিবেদক  জানান, রাজশাহী-৩ আসনে ৬৭ হাজার ৮৭৯ ভোট পেয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের আয়েন উদ্দিন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্রপ্রার্থী বর্তমান সংসদ সদস্য মেরাজ উদ্দিন মোল্লা পেয়েছেন ১২ হাজার ৩৪৩ ভোট।

রাজশাহী-৬ আসনে নৌকা প্রতীকে ৭০ হাজার ১১০ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য আলহাজ শাহরিয়ার আলম। তার একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী রায়হানুল হক রায়হান প্রজাপতি প্রতীকে ভোট পেয়েছেন ২১ হাজার ৪৬৩ ভোট।

রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মো. আয়েন উদ্দীন জয় পেয়েছেন। নৌকা প্রতীকে তিনি ৬৭ হাজার ৮৭৯ ভোট পেয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী কলস প্রতীকে স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মেরাজ উদ্দীন মোল্লা পেয়েছেন ১২ হাজার ৩৪৩ ভোট।

জেলা প্রতিবেদক জানান, কুষ্টিয়া-১ (দৌলতপুর) আসনে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী রেজাউল হক চৌধুরী ৬১ হাজার ৫৭০ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের প্রার্থী আফাজ উদ্দিন আহমেদ পেয়েছেন ৫২ হাজার ২৮৪ ভোট।

কুষ্টিয়া-৩ (সদর)আসনে ১ লাখ ৫ হাজার ৫৭৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী মাহবুব-উল আলম হানিফ। তার একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনএফের প্রার্থী রকিব উর রহমান খান চৌধুরী লিটন পেয়েছেন ৬ হাজার ৪১১ ভোট।

কুষ্টিয়া-৪ (খোকসা-কুমারখালী) আসনে নির্বাচিত আওয়ামী লীগের প্রার্থী আব্দুর রউফ পেয়েছেন ৬২ হাজার ১৪৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী সদর উদ্দিন খান পেয়েছেন ৫৬ হাজার ৪৭৫ ভোট।

জেলা প্রতিবেদক  জানান, খাগড়াছড়ি পার্বত্য আসনে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা। তিনি পেয়েছেন ৯৯ হাজার ৫৮ ভোট। তার নিকটতম প্রার্থী ইউপিডিএফ সভাপতি ও স্বতন্ত্র প্রার্থী প্রসীত বিকাশ খীসা পেয়েছেন ৬৭ হাজার ৭০০ ভোট।

জেলা প্রতিবেদক  জানান, বান্দরবান পার্বত্য আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী বীর বাহাদুর উশৈসিং বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছেন। তিনি ৫৯ হাজার ৪৫৭ ভোট পেয়ে পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্রপ্রার্থী প্রসন্ন কান্তি তঞ্চংগ্যা পেয়েছেন ৩০ হাজার ৫১০ ভোট।

জেলা প্রতিবেদক  জানান, গাইবান্ধা-২ (সদর) আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মাহাবুব আরা বেগম গিনি নৌকা প্রতীক নিয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি মোট ভোট পেয়েছেন ৫১ হাজার ৭১৩টি। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী মকদুবর রহমান আনারস প্রতীকে পেয়েছেন ১০ হাজার ৫৮টি ভোট।

জেলা প্রতিবেদক  জানান, কক্সবাজার-৪ (উখিয়া-টেকনাফ) আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আবদুর রহমান বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৭ হাজার ৭২৮ ভোট। তার প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টির প্রার্থী তাহা ইয়াহিয়া পেয়েছেন মাত্র ৭ হাজার ৩১৬ ভোট।

জেলা প্রতিবেদক  জানান, যশোর-২ (চৌগাছা-ঝিকরগাছা) আসনে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী অ্যাডভোকেট মনিরুল ইসলাম। তিনি পেয়েছেন ৯১ হাজার ৯১২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম পেয়েছেন ৪৯ হাজার ৩৩৯ ভোট।

যশোর-৪ (অভয়নগর-বাঘারপাড়া ও বসুন্দিয়া) আসনে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের রণজিৎ কুমার রায়। তিনি পেয়েছেন ৭৭ হাজার ৩৬২ ভোট। তার নিকটতম স্বতন্ত্র প্রার্থী শেখ আব্দুল ওহাব পেয়েছেন ৩৫ হাজার ৮৬০ ভোট।

যশোর-৬ আসনে জিতেছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী সাবেক শিক্ষামন্ত্রী মরহুম এএসএইচকে সাদেকের সহধর্মিনী ইসমত আরা সাদেক। তিনি নৌকা প্রতীকে পেয়েছেন ৫৫ হাজার ২৭০ ভোট। তার নিকটতম প্রার্থী বিএনএফের টেলিভিশন প্রতীকের প্রশান্ত বিশ্বাস পেয়েছেন ১ হাজার ৩২৮টি ভোট পেয়েছেন।

জেলা প্রতিবেদক  জানান, কুড়িগ্রাম-১ (নাগেশ্বরী-ভুরুঙ্গামারী) আসনে বিজয়ী হয়েছেন জাতীয় পার্টির প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান। তিনি ৭৪ হাজার ৪২৯ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল হাই মাস্টার তালা প্রতীকে পেয়েছেন ৩০ হাজার ১৭২ ভোট।

জেলা প্রতিবেদক  জানান, নীলফামারী-১ আসনে আওয়ামী লীগের আফতাব উদ্দিন সরকার নৌকা প্রতীকে ৮০ হাজার ৪৩০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টির জাফর ইকবাল সিদ্দিকী পেয়েছেন ১৫ হাজার ৮৪৮ ভোট।

নীলফামারী-৩ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী অধ্যাপক গোলাম মোস্তফা ৭৮ হাজার ৯১৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন জাপার কাজী ফারুক কাদের পেয়েছেন ২০ হাজার ৩৪৫ ভোট।

জেলা প্রতিবেদক জানান, সাতক্ষীরা-২ আসনে মীর মোস্তাক আহমেদ রবি ৩২ হাজার ৮৫৯ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্রপ্রার্থী ছাইফুল করিম সাবু পেয়েছেন ১৫ হাজার ৭৮৯ ভোট।

সাতক্ষীরা-১ আসনে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছেন জেলা ওয়ার্কার্স পার্টির অ্যাডভোকেট মুস্তফা লুৎফুল্লাহ। নৌকা প্রতীক নিয়ে তিনি পেয়েছেন ৯২ হাজার ২০০ ভোট। তার একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী এস এম মুজিবুর রহমান হরিণ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ২৩ হাজার ৬১৩ ভোট।

জেলা প্রতিবেদক জানান, নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আয়েশা ফেরদৌস ৬৭ হাজার ৫৪৭ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্রপ্রার্থী আমিরুল ইসলাম আমির৩০ হাজার ৯১৯ ভোট পেয়েছেন।

জেলা প্রতিবেদক জানান, খুলনা-১ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী পঞ্চানন বিশ্বাস ৬৪ হাজার ৯৭৫ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম স্বতন্ত্রপ্রার্থী ননী গোপাল মণ্ডল পেয়েছেন ৩৪ হাজার ৫২৪ ভোট।

খুলনা-২ আসনে আওয়ামী লীগের মিজানুর রহমান মিজান ৬৯ হাজার ১৭ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছেন। প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টির (জেপি) রাশিদা করিম পেয়েছেন ৩ হাজার ৬৪৯ ভোট।

খুলনা-৩ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী শ্রম প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান ৪৫ হাজার ৯৫০ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্রপ্রার্থী মনিরুজ্জামান খান খোকন পেয়েছেন ৬ হাজার ৪২৪ ভোট।

জেলা প্রতিবেদক জানান, পঞ্চগড়-১ আসনে বিজয়ী হয়েছেন জাসদের প্রার্থী নাজমুল হক প্রধান। তিনি পেয়েছেন ৪৬ হাজার ১৫৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী জাতীয় পার্টির আবু সালেক পেয়েছেন ৩৭ হাজার ৯০৮ ভোট।

পঞ্চগড়-২ (বোদা ও দেবীগঞ্জ) আসনে জয়লাভ করেছেন আওয়ামী লীগের অ্যাডভোকেট নুরুল ইসলাম সুজন। তিনি ১ লাখ ০৭ হাজার ৩৬০ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাসদের এমরান আল আমিন পেয়েছেন ৭ হাজার ২৯২ ভোট।

জেলা প্রতিবেদক  জানান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ (নাসিরনগর) আসনে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের অ্যাডভোকেট সায়েদুল হক। তিনি পেয়েছেন ৬৯ হাজার ৫৭৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টির রেজুয়ান আহমেদ পেয়েছেন ৭ হাজার ৮৯৪ ভোট।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ) আসনে নির্বাচিত হয়েছেন জাতীয় পার্টির অ্যাডভোকেট জিয়াউল হক মৃধা। তিনি পেয়েছেন ৩৭ হাজার ৫০৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্রপ্রার্থী নায়ার কবির পেয়েছেন ৩০ হাজার ৪৬ ভোট।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর ও বিজয়নগর) আসনে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী। তিনি পেয়েছেন ২ লাখ ৬৮ হাজার ২৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জেপির ডা. ফরিদ আহমেদ পেয়েছেন ৬ হাজার ৭৮৬ ভোট।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ (নবীনগর) আসনে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের ফয়জুর রহমান বাদল। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৪০ হাজার ৫৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টির কাজী মামুনুর রশিদ পেয়েছেন ১০ হাজার ৯৩৫ ভোট।

জেলা প্রতিবেদক  জানান, ঝিনাইদহ-১ (শৈলকুপা) আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী সংসদ সদস্য আব্দুল হাই এক লাখ ১১ হাজার ১৫০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী নায়েব আলী জোয়ারদার পেয়েছেন ১৮ হাজার ৬২৮ ভোট।

ঝিনাইদহ-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী তাহজীব আলম সিদ্দিকী সমি নিয়ে ৬৭ হাজার ৯৮৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের প্রার্থী সংসদ সদস্য সফিকুল ইসলাম অপু পেয়েছেন ৫১ হাজার ২৪৪ ভোট।

ঝিনাইদহ-৩ আসনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী নবী নেওয়াজ নিয়ে ৪৬ হাজার ৭০১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টির ব্যারিস্টার কামরুজ্জামান স্বাধীন পেয়েছেন ১৪৭৩ ভোট।

ঝিনাইদহ-৪ আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আনোয়ারুল আজিম আনার নিয়ে ১ লাখ ৩ হাজার ৪৭৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ওয়ার্কার্স পার্টির আলমগীর হোসেন রতন নিয়ে পেয়েছেন ৫ হাজার ৩৯৮ ভোট।

জেলা প্রতিবেদক  জানান, রংপুর-৬ (পীরগঞ্জ) আসনে প্রধানমন্ত্রী আওয়ামী লীগের সভাপতি  শেখ হাসিনা বিজয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টির নূর আলম যাদুকে ১ লাখ ৪৩ হাজার ৬৩০ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেন তিনি। নৌকা প্রতীক নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পেয়েছেন ১ লাখ ৪৮ হাজার ৫৯৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে জাপার নূর আলম যাদু পেয়েছেন  ৪৯৬৯ ভোট।

রংপুর-৩ (সদর) আসনে বিজয়ী হয়েছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে এরশাদ পেয়েছেন ৫৫ হাজার ৪৫৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মশাল প্রতীক নিয়ে জাসদের সাব্বির আহমেদ পেয়েছেন ২৫ হাজার ৫৮৬ ভোট।

জেলা প্রতিবেদক  জানান, লালমনিরহাট-১ আসনে আওয়ামী লীগ প্রার্থীর কাছে শোচনীয়ভাবে হেরেছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। এ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী সাবেক প্রাথমিক ও গণশিক্ষা শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মোতাহার হোসেন নৌকা প্রতীকে ১ লাখ ৭৯ হাজার ২৭৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। আর হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ লাঙ্গল প্রতীকে পেয়েছেন ৭ হাজার ৮২৭ ভোট।

লালমনিরহাট-৩ (সদর) আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী নৌকা প্রতীকের ইঞ্জিনিয়ার আবু সাইদ দুলাল বিজয়ী হয়েছেন। তিনি ৫৭ হাজার ৯১৮ ভোট পেয়েছেন।  তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাসদের মশাল প্রতীক নিয়ে দাঁড়ানো খোরশেদ আলম পেয়েছেন ১ হাজার ৪৩২ ভোট।

জেলা প্রতিবেদক  জানান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকে মুহা. গোলাম মোস্তফা বিশ্বাস ৯৩ হাজার ৫০৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী আনারস প্রতীকে মু. খুরশিদ আলম পেয়েছেন ২৭ হাজার ৮৯৬ ভোট।

জেলা প্রতিবেদক  জানান, হবিগঞ্জ-২ (বানিয়াচং-আজমিরীগঞ্জ) আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী অ্যাডভোকেট আব্দুল মজিদ খান বিজয়ী হয়েছেন। তিনি নৌকা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৬৫ হাজার ৩৬২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পাটির প্রার্থী শংকর পাল লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ২১ হাজার ৫৫৯ ভোট।

হবিগঞ্জ-৩ (হবিগঞ্জ সদর-লাখাই) আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী অ্যাডভোকেট মো. আবু জাহির বিজয়ী হয়েছেন। নৌকা প্রতীক নিয়ে তিনি পেয়েছেন ৯৮ হাজার ১৫৫ ভোট। তার একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পাটির প্রার্থী আতিকুর রহমান আতিক লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ২০ হাজার ৮৩৭ ভোট।

হবিগঞ্জ-৪ (মাধবপুর-চুনারুঘাট) আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী অ্যাডভোকেট মাহবুব আলী নৌকা প্রতীক নিয়ে জয়ী হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন এক লাখ ২২ হাজার ৪৩৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী অ্যাডভোকেট সৈয়দ তানভীর আহমেদ তালা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১৪ হাজার ৭৬০ ভোট।

জেলা প্রতিবেদক  জানান, মাগুরা-১ (সদর ও শ্রীপুর) আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী প্রফেসর ডা. এমএস আকবর ৫৬ হাজার ৫১ ভোট পেয়ে জিতেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্রপ্রার্থী কুতুবুল্লাহ হোসেন মিয়া কুটি ৪৬ হাজার ৪৭৩ ভোট পেয়েছেন।

মাগুরা-২ (মহম্মদপুর, শালিখা ও সদরের ৪টি ইউনিয়ন) আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী অ্যাডভোকেট বীরেন শিকদার এমপি বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি ৭১ হাজার ৮৬৭ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী অ্যাডভোকেট আব্দুল মান্নান পেয়েছেন ৩২ হাজার ৫৭৮ ভোট পেয়েছেন।

জেলা প্রতিবেদক  জানান, সিলেট- ৪ (জৈন্তাপুর-গোয়াইনঘাট-কোম্পানিগঞ্জ) আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ইমরান আহমদ নৌকা প্রতীক নিয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। ইমরান আহমদ পেয়েছেন ৬২ হাজার ৬৫৫ ভোট। তার প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ নেতা ফারুক আহমদের প্রাপ্ত ভোট ২৪ হাজার ১৬৫।

সিলেট- ২ (বিশ্বনাথ-বালাগঞ্জ-ওসমানীনগর) আসনে জাতীয় পাটির প্রার্থী ইয়াহইয়া চৌধুরী এহিয়া লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে বেসরকারি ভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী মুহিবুর রহমানকে ৩০ হাজার ৭৮৬ ভোটে ব্যবধানে পরাজিত করেন। জাতীয় পার্টির প্রার্থী ইয়াহইয়া চৌধুরী এহিয়া পেয়েছেন ৪৮ হাজার ১৫৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী মুহিবুর রহমান আনারস প্রতীকে পেয়েছেন ১৭ হাজার ৩৮৯ ভোট।

জেলা প্রতিবেদক   জানান,  মানিকগঞ্জ-১ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী সাবেক ক্রিকেটার এ এম নাঈমুর রহমান দুর্জয় জয়লাভ করেছেন। নৌকা প্রতীকে দুর্জয় পেয়েছেন ৮১  হাজার ৪৩২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাসদের আফজাল হোসেন খান মশাল প্রতীকে পেয়েছেন ১৪ হাজার ১৯৬ ভোট।

জেলা প্রতিবেদক  জানান, শেরপুর-১ আসনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী আতিউর রহমান আতিক নৌকা প্রতীকে ২ লাখ ৭ হাজার ৩২৭ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে  জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ-ইনু) আবু সালে মো. মনিহরুল ইসলাম লিটন মশাল প্রতীকে পেয়েছেন ৬ হাজার ৪১৭ ভোট।

শেরপুর-২ আসনে বেসরকারিভাবে ঘোষিত ফলাফলে জয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী মতিয়া চৌধুরী। নির্বাচনকালীন সরকারের কৃষি, মৎস্য ও প্রাণীসম্পদ মন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী নৌকা প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৩৪ হাজার ৮১২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী কেন্দ্রীয় কৃষক লীগের সহ-সভাপতি কৃষিবিদ বদিউজ্জামান বাদশা আনারস প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৩৬ হাজার ১৫ ভোট।

শেরপুর-৩ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী বতর্মান সংসদ সদস্য প্রকৌশলী এ কে এম ফজলুল হক চান বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছেন। নৌকা প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ৯৬ হাজার ৩৩৪ ভোট । তার নিকতম স্বতন্ত্র প্রার্থী হেদায়েতুল ইসলাম হেদা আনারস প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৮ হাজার ৫৪৮ ভোট।

জেলা প্রতিবেদক  জানান, নারায়ণগঞ্জ-১ (রূপগঞ্জ) আসনে নৌকা প্রতীক নিয়ে আওয়ামী লীগের প্রার্থী বর্তমান এমপি গোলাম দস্তগীর গাজী বীর প্রতীক বিজয়ী হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন এক লাখ ৪৫ হাজার ৩৫০ ভোট। তার নিটকতম প্রতিদ্বন্দ্বী নির্বাচন বর্জনকারী স্বতন্ত্র প্রার্থী ডা. শওকত আলী তালা প্রতীকে পেয়েছেন ছয় হাজার ৬৯৮ ভোট।

জামালপুর-২ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ফরিদুল হক খান দুলাল জয়ী হয়েছেন। তিনি  পেয়েছেন ১ লাখ ১৩ হাজার ১০৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র  প্রার্থী আতিকুর রহমান লুইস আপেল প্রতীকে পেয়েছেন ৩ হাজার ৩৭৬ ভোট।

ফেনী-৩ (দাগনভূঞা-সোনাগাজী) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হাজী রহিমুল্লা হরিণ প্রতীক নিয়ে বিজয়ী হয়েছেন। ৫৭ হাজার ২৪০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন তিনি। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে জাতীয় পার্টির আনোয়ারুল কবির (রিন্টু আনোয়ার) ১৫ হাজার ২২৬ ভোট পেয়েছেন।

কিশোরগঞ্জ-৩ আসনে জাতীয় পার্টির (জাপা-লাঙ্গল) মো. মুজিবুল হক চুন্নুকে বেসরকারিভাবে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে। তিনি লাঙ্গল প্রতীকে পেয়েছেন ৭৯ হাজার ৩৭৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী মিজানুল হক হরিণ প্রতীকে পেয়েছেন ১৬ হাজার ৪০৭ ভোট।

জেলা প্রতিবেদক জানান, বরগুনা-১ (সদর-আমতলী-তালতলী) আসনে আওয়ামী লীগের নৌকা মার্কার প্রার্থী ও বর্তমান সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু ৮৫ হাজার ৩৭৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের বহিষ্কৃত নেতা ও সাবেক সংসদ সদস্য স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. দেলোয়ার হোসেন মোরগ প্রতীকে পেয়েছেন ৬৫ হাজার ৪২৬ ভোট।

বরগুনা-২ (পাথরঘাটা-বামনা-বেতাগী) আসনে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী ও বর্তমান সংসদ সদস্য শওকত হাচানুর রহমান রিমন ১ লাখ ১৭ হাজার ৩৮২ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি, অতীশ দীপঙ্কর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য স্বতন্ত্র প্রার্থী আবুল হোসেন সিকদার মোরগ প্রতীকে পেয়েছেন ১৬ হাজার ১২৯ ভোট।

জেলা প্রতিবেদক জানান, গাজীপুর-৪ (কাপাসিয়া) আসনে বেসরকারি ফলাফলে ১ লাখ ১২ হাজার ৮৮৭ ভোট পেয়ে দ্বিতীয়বারের মতো এমপি নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী বঙ্গতাজ তাজউদ্দীন আহমদের মেয়ে সিমিন হোসেন রিমি। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী ড. মিয়া মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন পেয়েছেন ৭ হাজার ৮৩৩ ভোট।

নিজস্ব প্রতিবেদক  জানান, চট্টগ্রাম-২ আসনে (ফটিকছড়ি) নৌকা প্রতীকে তরিকত ফেডারেশনের চেয়ারম্যান নজিবুল বশর মাইজভাণ্ডারী ১ লাখ ২৫ হাজার ৩৫১ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী ড. মাহমুদ হাসান পেয়েছেন ১২ হাজার ৪৩৩ ভোট।

চট্টগ্রাম-৩ আসনে (সন্দ্বীপ) ১ লাখ ১১ হাজার ৭৪৭ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের মাহফুজুর রহমান মিতা। তার নিকতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী  জাতীয় পার্টির এম এ ছালাম পেয়েছেন ৩ হাজার ৪৬৬ ভোট।

চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আওয়ামী লীগের সামশুল হক চৌধুরী ১ লাখ ২৮ হাজার ২১৪ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টির সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী পেয়েছেন ১০ হাজার ১৯৭ ভোট।

চট্টগ্রাম-১৩ (আনোয়ারা-পশ্চিম পটিয়া) আসনে নির্বাচিত আওয়ামী লীগের সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ ভোট পেয়েছেন ১ লাখ ৭৮ হাজার ৯৮৫। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টির তপন চক্রবর্তী পেয়েছেন ৫ হাজার ৪১৮ ভোট।

চট্টগ্রাম-১৫ আসনে (সাতকানিয়া-লোহাগাড়া) নির্বাচিত নৌকা প্রতীকে আওয়ামী লীগ থেকে ড. আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামউদ্দিন নদভি পেয়েছেন ১ লাখ ১হাজার ৮৬৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী বিএনএফের জয়নাল আবেদিন কাদেরী ৪ হাজার ৪৪৮ ভোট পেয়েছেন।

চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড-নগরীর দুটি ওয়ার্ড) আসনে আওয়ামী লীগের দিদারুল আলম ১ লাখ ৫৩হাজার ৮১৫ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাসদের আ ফ ম মফিজুর রহমান পেয়েছেন ৪ হাজার ৪৬২ ভোট।

চট্টগ্রাম-৯ (কোতয়ালী-বাকলিয়া) আসনের ১৪৩টি কেন্দ্রে জাতীয় পার্টির প্রার্থী জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলু ৭৯ হাজার ৭৭৯ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন।  তার নিকটতম প্রার্থী ওয়ার্কার্স পার্টির অ্যাডভোকেট আবু হানিফ পেয়েছেন ৩হাজার ৫৯৯ ভোট।

চট্টগ্রাম-১১ (বন্দর-পতেঙ্গা) আসনে আওয়ামী লীগের এম এ লতিফ ৬৪ হাজার ৩২ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছেন।  ওই আসনে তার নিকটতম প্রার্থী জাতীয় পার্টির কামাল উদ্দিন চৌধুরী ১ হাজার ৯৯০ ভোট পেয়েছেন।

চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালী) আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমানকে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়েছে। তিনি ওই আসনের ফলাফলে ১ লাখ ৪৭ হাজার ৮৫৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জেপির (মঞ্জু) প্রার্থী অ আ ম হায়দার আলী চৌধুরী পেয়েছেন ৬ হাজার ৮৪৮ ভোট।

জেলা প্রতিবেদক  জানান, নাটোর-৩ আসনে আওয়ামী লীগের জুনাইদ আহমেদ বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। আসনটিতে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকে জুনাইদ আহমেদ ৯১ হাজার ৬৫২ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ওয়ার্কার্স পার্টির হাতুড়ি প্রতীকে মো. মিজানুর রহমান পেয়েছেন ১৩ হাজার ৫২ ভোট।

জেলা প্রতিবেদক মলয় সরকার জানান, নেত্রকোনা-১ আসনে জয় পেয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী ছবি বিশ্বাস। নৌকার প্রার্থী ছবি বিশ্বাস ভোট পেয়েছেন ৫৩ হাজার ৪৯৬টি। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহ কুতুব উদ্দিন তালুকদার পেয়েছেন ৩১ হাজার ৫৮০ ভোট।

নেত্রকোনা-৩ আসনে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী সাবেক ফুটবলার আরিফ খান জয়। নৌকা প্রতীকে আরিফ খান জয় পেয়েছেন সর্বমোট ১ লাখ ৬৪ হাজার ৯৮০ ভোট। তার প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টির (জাপা) মো. জসিম উদ্দিন ভুঞা লাঙ্গল প্রতীকে পেয়েছেন ১১ হাজার ৪৬৫ ভোট।

জেলা প্রতিবেদক  জানান, ফরিদপুর-৪ (ভাঙ্গা-সদরপুর-চরভদ্রাসন) আসনে বঙ্গবন্ধুর নাতি ও হুইপ নূর-ই আলম চৌধুরী লিটনের ভাই স্বতন্ত্র প্রার্থী মজিবুর রহমান চৌধুরী নিক্সন আনারস প্রতীক নিয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ৯৮ হাজার ৫শ’ ৯৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের প্রার্থী দলীয় প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী জাফরউল্লাহ নৌকা প্রতীকে পেয়েছেন ৭২ হাজার ২৮৪ ভোট।

জেলা প্রতিবেদকজানান, বগুড়া-৪ আসনে জাসদের প্রার্থী এ কে এম রেজাউল করিম নির্বাচিত হয়েছেন। মশাল প্রতীকে এ কে এম রেজাউল করিম ২২ হাজার ২০৩ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকে মো. নুরুল আমিন পেয়েছেন ১৩ হাজার ৪৮৯ ভোট।

জেলা প্রতিবেদক  জানান, ঝালকঠি-১ (রাজাপুর-কাঁঠালিয়া) আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী বজলুল হক হারুন বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। নৌকা প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ৮৮ হাজার ৪৩০ ভোট। তার নিকটতম একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টির মো. নাসির উদ্দিন পেয়েছেন লাঙ্গল প্রতীকে পেয়েছেন ৪ হাজার ৫১৩ ভোট।

ঢাকা-১ (নবাবগঞ্জ-দোহার) আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী সাবেক গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আব্দুল মান্নান খানকে ৪ হাজার ৬৬৯ ভোটে হারিয়েছেন জাতীয় ‍পার্টির প্রার্থী সালমা ইসলাম। বেসরকারিভাবে ঘোষিত ফলাফলে সালমা ইসলাম লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৫৩ হাজার ৩৫৮ ভোট। তার নিকটতম প্রার্থী আওয়ামী লীগের অ্যাডভোকেট আব্দুল মান্নান খান ৪৮ হাজার ৬৮৯ ভোট।

ঢাকা-৪ আসনে (শ্যামপুর-দনিয়া-কদমতলী) আসনে ১৭ হাজার ৭শ’ ৭২ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন জাতীয় পার্টির (জাপা) প্রার্থী সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা। তার একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী ড. আওলাদ হোসেন পেয়েছেন ১৪ হাজার ৭শ’ ৮৭ ভোট।

ঢাকা-৫ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হাবিবুর রহমান মোল্লা নৌকা প্রতীকে বেসরকারি ভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৬ হাজার ৬৬৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী তরিকত ফেডারেশনের প্রার্থী আরজু শাহ সায়দাবাদী পেয়েছেন ২ হাজার ৪৩৭ ভোট।

ঢাকা-৬ আসনে (সূত্রাপুর-গেণ্ডারিয়া) বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন জাতীয় পার্টির প্রার্থী কাজী ফিরোজ রশীদ। তিনি লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৪৫ হাজার ৩৯১ ভোট। ৭ হাজার ২৫৯ ভোট পেয়েছেন তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. সাইদুর রহমান সহিদ।

ঢাকা-৭ (লালবাগ, চকবাজার, কোতয়ালি ও বংশাল) আসনে বেসরকারিভাবে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিনকে দলের বিদ্রোহী প্রার্থী হাজী মো. সেলিম পরাজিত করেছেন। বিজয়ী স্বতন্ত্র প্রার্থী হাজী মো. সেলিম হাতি প্রতীকে পেয়েছেন ৪২ হাজার ৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন নৌকা প্রতীকে পেয়েছেন ৩০ হাজার ৩৩৮ ভোট।

ঢাকা-১৬ আসনে নৌকা প্রতীক নিয়ে জয়ী হয়েছেন মো. ইলিয়াস উদ্দিন মোল্লাহ্। তিনি পেয়েছেন ৩৫ হাজার ১৮৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী সর্দার মোহাম্মদ মান্নান আনারস প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ২৪ হাজার ৯৩০ ভোট।

ঢাকা-১৭ আসনে বিএনএফের এসএম আবুল কালাম আজাদ টেলিভিশন প্রতীকে ৪৩ হাজার ৫৮৫ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী এমএ হান্নান মৃধা ফুটবল  প্রতীকে পেয়েছেন ৪ হাজার ৪৬ ভোট।

ঢাকা-১৮ আসনে আওয়ামী লীগের অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন নৌকা প্রতীকে ১ লাখ ৬০ হাজার ৮২০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকট প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনএফের মো. আতিকুর রহমান নাজিম টেলিভিশন প্রতীকে ৬ হাজার ৪১৭ ভোট পেয়েছেন।

১৫৩ আসনে প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ায় ভোট হয়েছে ১৪৭টি আসনে। এসব আসনে ১২টি দলের ২৮৬ জন ও ১০৪ জন স্বতন্ত্রসহ মোট ৩৯০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর মধ্যে আওয়ামী লীগ ১২০টি, জাতীয় পার্টি ৬৬টি, জাতীয় পার্টি (জেপি) ২৭টি, জাসদ ২১টি, ওয়ার্কার্স পার্টি ১৬টি, বিএনএফ ২২টি, বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি ৬টি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ২টি, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট ১টি, বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশন ৩টি, গণতন্ত্রী পাটি ১টি ও গণফ্রন্ট ১টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে।

সর্বমোট ৯ কোটি ১৯ লাখ ৬৫ হাজার ৯৭৭ জন ভোটারের মধ্যে এসব আসনের ভোটার ছিলেন চার কোটি ৩৯ লাখ ৩৮ হাজার ৯৩৮ জন।

এবারের নির্বাচনে এক হাজার ১০৭ জন প্রার্থী হয়েছিলেন। এর মধ্যে যাচাই-বাছাইয়ে বাতিল হন ২৩০ জন। প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নেন ৩৩৪ জন। আর বৈধ প্রার্থী ছিলেন ৫৪৩ জন। তার মধ্যে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ১৫৩ জন নির্বাচিত হন। বর্তমানে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর সংখ্যা ৩৯০ জন।

যে ১৫৩ আসনে প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন তাদের মধ্যে ১২৭ আসনে আওয়ামী লীগ, ২০ আসনে জাতীয় পার্টি, ৩ আসনে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদ, ২ আসনে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি এবং একটি আসনে জাতীয় পার্টি-জেপির প্রার্থী বিজয়ী হন। এ ১৫৩ আসনের ভোটার ছিলেন চার কোটি ৮০ লাখ ২৭ হাজার ৩৯ জন ভোটার।