জাতীয় ঢাকা প্রধান খবর রাজনীতি

সেনা মোতায়েন ২৬ ডিসেম্বর

 আছাদুজ্জামান,হটনিউজ২৪বিডি.কম, ঢাকা:  দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন নির্বিঘ্ন করতে ২৬ ডিসেম্বর থেকে আগামী ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত সারাদেশে সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে বৈঠক শেষে শুক্রবার সন্ধ্যায় সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী রকিবউদ্দীন আহমেদ। তবে ৯ জানুয়ারির পরেও সেনা সদস্যরা মাঠে থাকবে কি না এ বিষয়ে নিশ্চিত করে কিছু বলেননি সিইসি। তিনি বলেন, ‘এখনই এমন প্রয়োজন বোধ করছি না। তবে প্রয়োজন দেখা দিলে ঝুঁকিপূর্ণ প্রত্যন্ত এলাকাগুলোতে আরও বেশি সময় থাকতে পারে।’ কত সংখ্যক সেনা সদস্য মাঠে থাকবে সে সংখ্যাও উল্লেখ করেননি সিইসি। এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘অষ্টম সংসদ নির্বাচনে যে পরিমাণ মোতায়েন হয়েছিল, এবারও সে সংখ্যক বা তার চাইতে বেশি মোতায়েন হবে। গোয়েন্দা সংস্থার তথ্যের ভিত্তিতে এ সংখ্যাটি তারাই নির্ণয় করবে।’ প্রত্যেক জেলায় সেনাদের ঘাঁটি থাকবে বলেও জানান কাজী রকিব। সেনাবাহিনী ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্যদের সঙ্গে প্রয়োজনীয় সংখ্যক ম্যাজিস্ট্রেটও থাকবে বলে সাংবাদিকদের বলেন তিনি। ‘আচরণবিধি লঙ্ঘন বরদাশত করা হবে না’ উল্লেখ করে সিইসি বলেন, ‘আচরণবিধির বরখেলাপ কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না। কেউ এর ব্যত্যয় করলেই তার বিরুদ্ধে অ্যাকশন নেয়া হবে। সবাইকে এ বিষয়ে শক্তভাবে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।’

এর আগে বিকেল সোয়া ৩টা থেকে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের (এনইসি) সভাকক্ষে সারাদেশে চলমান রাজনৈতিক সহিংসতাসহ সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে আলোচনা হয়।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী রকিবউদ্দীন আহমেদের সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন- সশস্ত্র বাহিনীর প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার (পিএসও), স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব, পুলিশ, র‌্যাবসহ বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার প্রধানরা।

প্রসঙ্গত, গত ২৮ নভেম্বর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে ইসির প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়। সে সভায় নির্বাচনকে ঘিরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে উপস্থিত সবাই তাদের মতামত তুলে ধরেন। তবে সে বৈঠকে সবাই আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে বলেই দাবি করেন।

গত ২৫ নভেম্বর দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়। সে অনুযায়ী আগামী ৫ জানুয়ারি ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।