জাতীয় ঢাকা প্রধান খবর রাজনীতি

জামায়াত-শিবির মোকাবিলায় জিরো টলারেন্স দেখানোর নির্দেশ

 নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা, ১৫ ডিসেম্বর:  আইনশৃঙ্খলা-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক থেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে আরো কঠোর হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। এ ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স দেখাতে বলা হয়েছে।
সচিবালয়ের একটি সূত্র জানায়, বিরোধী দলের নাশকতার সঙ্গে পুলিশ ও রেলওয়ের কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারীর সংশ্লিষ্টতার তথ্য পাওয়া গেছে বলেও আইনশৃঙ্খলা-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে উঠে এসেছে। এ বিষয়ে তথ্য পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানানো হয় বৈঠকে। সুত্র জানায়, জামায়াত-শিবিরের চলমান সন্ত্রাস মোকাবিলায় জনগণকে সম্পৃক্ত করতে বলা হয়েছে। সন্ত্রাসবিরোধী বর্তমান কমিটি থেকে জামায়াত-বিএনপির সদস্যদের বাদ দিয়ে সুশীল সমাজ, গণ্যমান্য ব্যক্তি ও আওয়ামী লীগ নেতাদের সম্পৃক্ত করে নতুন কমিটি করতে জেলা প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছে।

ভূমি, ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনামন্ত্রী আমির হোসেন আমুর সভাপতিত্বে আইনশৃঙ্খলা-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বিকেল তিনটা থেকে শুরু হওয়া বৈঠক সাড়ে পাঁচটায় শেষ হয়।

বৈঠকের পর তথ্যমন্ত্রী বলেন, আইনশৃঙ্খলা-পরিস্থিতি আরো সক্রিয় রাখার জন্য বৈঠক করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা-পরিস্থিতি স্বাভাবিক, সুস্থ এবং সক্রিয় রাখতে কতিপয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন মন্ত্রণালয় এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করবে।

আইনশৃঙ্খলা-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে যোগ দেন জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও পানিসম্পদমন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদ।

এ ছাড়া বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন : শিল্প এবং গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকী, প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশারফ হোসেন, ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন, রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক, স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট শামসুল হক এবং আইন প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলামসহ ১১ জন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী।

মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী ছাড়াও র‌্যাবের প্রধান, পুলিশ-প্রধান, ডিএমপি কমিশনার ও বিজিবি প্রধানসহ অন্যান্য গোয়েন্দা কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।