অপরাধ জাতীয় ঢাকা প্রধান খবর

বন অধিদপ্তরের রতনের যতন এখন টাকায়

 হাবিবুর রহমান,হটনিউজ২৪বিডি.কম,ঢাকা: পরিবেশ ও বন মন্ত্রনালয়ের আওতাধীন বন অধিদপ্তরের রাজস্ব খাতে ফরেষ্টার, ড্রাইভার এবং স্পীড বোট ড্রাইভার ও অফিস সহকারী-কাম-কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক পদে বিগত ০৯/০৭/২০১০ইং তারিখে দৈনিক প্রথম আলো
পত্রিকার মাধ্যমে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয় । উক্ত বিজ্ঞপ্তির প্রেক্ষিতে বিগত ০৬/০৯/২০১৩ ইং তারিখে আগারগাঁও শেরেবাংলা নগর সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, শেরেবাংলা নগর, আগারগাঁও, ঢাকায় ২২৮ জন পরিক্ষার্থীর ফরেষ্টার পদে নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। যার ফলাফল বিগত ২৯/০৯/২০১৩ ইং তারিখে বন অধিদপ্তরের ওয়েব সাইটে  জানানো হয়। কিন্তু পরীক্ষায় ফরেষ্টার পদে ১১৪ টির বিপরীতে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে নিয়োগ কমিটির সভাপতি রতন কুমার মজুমদার ১২০ জন প্রার্থীকে উর্ত্তীণ দেখিয়েছেন। এছাড়াও নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে এস. এস. সিতে বিজ্ঞান বিভাগ ও ডিপ্লোমা-ইন-ফরেষ্ট্রি পাশের সনদের কথা উল্লেখ থাকলেও উক্ত নিয়ম অনুসরণ না করে মানবিক বিভাগ, ব্যবসায়িক বিভাগ ও ডিপ্লোমা-ইন-ফরেষ্ট্রির সনদ ছাড়াও মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে উক্ত লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহনের আওতায় আনা হয়েছে। যা নিয়োগ বিধিমালার সর্ম্পূণ পরিপন্থী। রোল এফ-৪০,১২৯,২২৭ রোল এফ-১২৯ আব্দুল হাই ২০০৫ সালে কুমিল্লা শিক্ষা র্বোড হতে বাণিজ্য বিভাগে এস .এস. সি পাশ করেন। পরীক্ষার এস.এস.সির রোল নং ৫৬৭৩০৪। এ সমস্ত অনিয়মের কারনেই অনেক ফরেষ্ট্রি ডিপ্লোমাধারী প্রার্থী মৌখিক পরীক্ষার সুযোগ হতে বাদ পড়ে। দীর্ঘ দিন নিয়োগ বন্ধ থাকায় অনেক ডিপ্লোমাধারী প্রার্থীদের চাকুরির কোন বয়স না থাকায় এই বিজ্ঞপ্তিতে চাকরি না পেলে অন্যত্র চাকুরির ব্যবস্থা করার সুযোগ থাকবে না। নিয়োগ কমিটির সভাপতি রতন কুমার মজুমদার অবৈধভাবে আর্থিক সুবিধা লাভের জন্য নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে প্রধান বন সংরক্ষক ও নিয়োগ কমিটির সদস্য সচিব এবং সরকারী কর্ম কমিশনের সদস্যদের জিম্মি করে শুধু মাত্র ফরেষ্টার পদে ১১৪ জন নিয়োগ প্রার্থীদের নিকট থেকে চার কোটি, ত্রিশ লক্ষ টাকার বিনিময়ে নিয়োগ গেজেটের বিপরীতে নন-ডিপ্লোমা ও নন সাইন্স এবং ৫ফুট ৪ ইঞ্চি উচ্চতার নিচে ৫ফুট ১ ইঞ্চি উচ্চতার প্রার্থী নিয়োগ দানের জন্য ভাইভা কার্ড ইস্যু করে আগামী ৭ই ডিসেম্বর মৌখিক পরীক্ষা নেওয়ার পায়তারা করছেন। আমাদের মায়ের কসম, নিজ নিজ প্রান ও রক্তের দাবি এখনই
ভুয়া,বিতর্কিত ও অবৈধ কথিত লিখিত পরীক্ষার ফলাফল বাতিল না করিলে,আমরা বন খেঁকো,অযোগ্য,ও অসৎ নিয়োগ কমিটির চেয়ারম্যান ও সদস্য সচিবের প্রতি কঠোর আন্দোলনে যাব! কথিত লিখিত পরীক্ষায় উর্ত্তীণ (ফরেষ্টার পদে) ১২০ জন প্রার্থীর মধ্যে ১৯ জন প্রার্থী বিভিন্ন অধিদপ্তরে (পাসপোর্ট,স্বাস্থ্য,শিক্ষা ও সিটি কর্পোরেশন রোল এফ-২৫৬) সরকারী চাকুরিতে নিয়োজিত আছেন।৩৭ জন প্রার্থী ৫ফুট ৪ ইঞ্চি উচ্চতার নিচে রয়েছেন। নন-ডিপ্লোমা আছেন রোল এফ- ২১৬ ওমর আলী খাঁন, পিতা: মোজাম্মেল খাঁন, মাতা: শাহিদা বেগম, গ্রাম: দেয়াড়া, পো: জুগিহাটি, থানা: রূপসা, জেলা: খুলনা। তার বড় ভাই মো:মামুন বর্তমানে বন বিভাগের খুলনা সার্কেলে বোটম্যান হিসেবে কর্মরত আছেন। দশ লক্ষ টাকার বিনিময়ে তিনি পরীক্ষায় অবৈধভাবে অংশগ্রহনের মাধ্যমে উত্তীর্ণ হয়েছেন। বন বিভাগে চাকুরি করে মা বাবা,আত্বীয়-স্বজন এরকম কোন প্রার্থীই উত্তীর্ণ হতে বাদ পড়েনি। রোল এফ-০৪,০৫,৮৩,৮৪,১০২,১৫৭এর মধ্যে রোল এফ- ১০২ মামুন শিকদার, উপজেলা: রাঙ্গুনিয়া জেলা: চট্টগ্রাম, তার পিতা- বন বিভাগের ফরেষ্ট গার্ড। রোল এফ-৮৪ মো: সাজ্জাদ হোসেন,পিতা-রফিকুল ইসলাম,অফিস সহকারী,বনভবন মহাখালী বন্যপ্রানী শাখায় কর্মরত। দরখাস্ত দাখিলের নিয়মাবলীর দুই নং কলামে স্পষ্ট লেখা আছে সকল প্রকার সনদের অনুলিপি আবেদন পত্রের সহিত সংযুক্ত করতে হবে। কিন্তু সনদ বিহীন দরখাস্তের
আওতায় ১২ তম ব্যাচের ছাত্রবৃন্দ সকলেই তা দরখাস্তের সহিত সংযুক্ত করিতে ব্যর্থ হয়েছেন । এরা হল, রোল এফ ০৮, ১৫, ৩৩, ৩৭, ৪২, ৭৮, ৭৯, ৮৩, ৮৪, ৮৯, ৯১, ৯৪, ১১৪, ১২৪, ১২৯, ১৩০, ১৪৩, ১৬৩, ১৬৫, ১৭৫, ১৮৩, ১৮৬, ১৮৭, ১৯৯, ২২৭, ২৪১, ২৪৩, ২৪৫, ২৪৬, ২৫১। এছাড়াও নিম্ন রোল নম্বরধারী ছাত্রবৃন্দ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে আবেদন করার সময় শেষ হয়ে যাওয়ার ছয় মাস পরে,ডিপ্লোমা-ইন-ফরেষ্ট্রি কোর্স উত্তীর্ণ হয়ে,লিখিত পরিক্ষায় অংশগ্রহন করেছেন। এরা হল,রোল এফ- ১১৯ গীতিময় তনচংগ, রোল এফ- ১২০ শীষেন্দ চাকমা, রোল এফ- ১৬৩ আরিফুর রহমান, জেলা: নাটোর। এছাড়াও নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে জেলা, মুক্তিযোদ্ধা ও আনসার ভিডিপি কোটা অনুসরণ করার কথা উল্লেখ থাকলেও টাকার বিনিময়ে তাহা বিজ্ঞপ্তিতেই চাপা পড়ে আছে। জেলা, মুক্তিযোদ্ধা ও
আনসার ভিডিপি কোটা অনুসরণ করার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে নিয়োগ কমিটির অদক্ষ,অযোগ্য,ও সরকারী নিয়োগ গেজেট এবং ফরেষ্টার পদে সরকারী নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পর্কে প্রকৃত জ্ঞান না থাকা নিয়োগ কমিটির চেয়ারম্যান রতন কুমার মজুমদার বলেন জেলা, মুক্তিযোদ্ধা ও আনসার ভিডিপি কোটা অনুসরন করা হবে ভাইভার পরে। আসলে রতন কুমার মজুমদার চার কোটি,চল্লিশ লক্ষ অগ্রিম নগদ টাকা পেয়ে (বন অগ্রিমের ন্যায়)উম্মাাদ হয়ে গেছেন। তিনি জেলা, মুক্তিযোদ্ধা ও আনসার ভিডিপি কোটা সম্পর্কে টাকার ভারে ভাল করে বুঝছেন না? যেখানে লিখিত পরীক্ষায় ১৮ জন উর্ত্তীন দেখিয়েছেন(টাংগাইল)সেখানে জেলা কোটায় চাকুরির জন্য জেলা কোটায় বরাদ্দ পদ আছে মাত্র ৩টি।কুমিল্লা জেলায় জেলা কোটায় চাকুরির জন্য বরাদ্দ পদ আছে মাত্র ৩টি। পরীক্ষায় ১৩ জন উর্ত্তীন
দেখিয়েছেন।এমন অনিয়ম তিনি চট্রগ্রাম,বরিশাল,ভোলা,ঝিনাইদহ,কুষ্টিয়া,পটুয়াখালী,বরগুনা এবং কক্সবাজারও ময়মনসিংহ জেলায় ঘটিয়েছেন।অন্যদিকে শেরপুর, নরসিংদী,হবিগন্জ,সিলেট, পিরোজপুর ও নারায়নগন্জ জেলায় ২টি করে জেলা কোটায় শুন্য পদ থাকলেও সেখানে টাকা না পেয়ে রতনকুমার কোন প্রার্থীই উর্ত্তীন দেখাননি।অন্যদিকে কোন কোন জেলায় ৩টি জেলা কোটায় বরাদ্দ পদ থাকলেও মাত্র ১জন করে প্রার্থী উর্ত্তীন দেখিয়েছেন। যাহাদের রোলএফ-১৯৯,৪২ বিতর্কিত এবং প্রার্থী হিসেবে আনফিট(পাবনা,শরিয়তপুর)।এই সমস্ত জেলা কোটা ভাইভার পরে তিনি কিসের ভিত্তিতে পুরন করবেন? ভুক্তভোগী ছাএরা এককভাবে রতন কুমার মজুমদারের কাছে তার সৎ জবাব চেয়েছেন। এছাড়াও অভিযোগ আছে প্রধান বন সংরক্ষক মহোদয় এর একান্ত সহকারী টাংগাইল জেলার বাসিন্দা মো:-এমদাদ টাকার বিনিময়ে পুর্বেই প্রশ্ন পত্র ফাঁস করে দিয়েছিলেন। যার ফলশ্রুতিতে টাংগাইল জেলার প্রার্থীরা ব্যাপক দূর্নীতির মাধ্যমে প্রশ্ন পত্র পেয়ে লিখিত পরীক্ষায় ১ম,২য়,৫ম,৭ম সহ নবমও দশম স্থান অর্জন করেছেন।এই সমস্ত অনিয়মের কারনে মেধাবী ও বয়স না থাকা অনেক প্রার্থীই বাদ পড়েছেন। অন্যান্য ডিপ্লোমাধারীদের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চাকুরি করার সুযোগ থাকলেও ফরেষ্ট্রি ডিপ্লোমাধারীদের বাংলাদেশ বন বিভাগ ছাড়া আর কোথাও চাকুরি করার কোন সুযোগ নেই, কাজেই ব্যাচ ভিত্তিক নিয়োগ দানের জন্য ডিপ্লোমা-ইন-ফরেষ্ট্রি কোর্স উত্তীর্ণ ছাত্রদের দীর্ঘ দিনের দাবি থাকলেও কর্তৃপক্ষ কোনরূপ কর্ণপাত করছেন না। যার কারনে অনেক ডিপ্লোমা-ইন-ফরেষ্ট্রি কোর্স উর্ত্তীণ ছাত্ররা দীর্ঘদিন বেকারত্বের অভিশাপে অভিশপ্ত। ফলে ডিপ্লোমা-ইন-ফরেষ্টি
কোর্স উর্ত্তীণ ছাত্রদেরকে বৃদ্ধ ও অসুস্থ মা-বাবা এবং পরিবার পরিজনদের নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করতে হচ্ছে। উল্লেখ্য,বন অধিদপ্তরে রাজস্ব খাতে ফরেষ্টার পদে বর্তমানে ২৬৬টি পদ শুন্য রয়েছে। প্রধান বন সংরক্ষক মহোদয় বন বিভাগের জনবল সংকট নিরসনের জন্য সরকারী স্বার্থে ডিপ্লোমা-ইন-ফরেষ্ট্রির দরিদ্র ও মানবেতর জীবন যাপন করা ছাত্রদের অবস্থা ভেবে নিয়োগ কমিটিকে ১১৪টি পদের বিপরীতে ১২০ জন প্রার্থী উত্তীর্ণ দেখানো খুবই নগন্য, কাজেই উত্তীর্ণ প্রার্থীর সংখ্যা বাড়ানোর জন্য অফিস আদেশ পত্র দিয়েছেন। নিয়োগ কমিটির সদস্য সচিব সহ সকল সদস্য উত্তীর্ণ প্রার্থীর সংখ্যা বাড়ানোর ব্যাপারে মত প্রকাশ করলেও রতন কুমার মজুমদার পূর্বে ভক্ষন করা টাকা হজম করার জন্য উত্তীর্ণ প্রার্থী বাড়ানোর ব্যাপারে অমত প্রকাশ করেছেন এবং নন-ডিপ্লোমা
ছাত্রদের ডিপ্লোমা-ইন-ফরেষ্ট্রি বানিয়ে বিগত ২৯/০৯/২০১৩ইং তারিখের ফলাফলকেই পূর্ণ বহাল রেখেছেন। রতন কুমার মজুমদারের
জাতীয়তাবোধ, মাতৃত্ববোধ, দেশাত্ববোধ যদি সামান্যতমও থাকত! তাহলে এই নিয়োগ কমিটির সভাপতি পদ ছেড়ে দিয়ে ,একজন
সৎ,যোগ্য ও ন্যায়পরায়ন ব্যক্তিকে নিয়োগ কমিটির সভাপতি পদে নিয়োগের সুযোগ দিয়ে,পূনরায় স্বচ্ছভাবে লিখিত পরীক্ষা গ্রহণ করার
জন্য নিজে সরে যেত। উপরোক্ত অনিয়মের যথাযথ অনুসন্ধানপূর্বক নিয়ম নীতি অনুসরণ করিয়া বন অধিদপ্তরে ফরেষ্টার পদে ব্যাচ ভিত্তিতে নিয়োগ দানের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করার জন্য মাননীয় প্রধান মšী¿র দৃষ্টি আকর্ষণ সহ পরিবেশ ও বন মšী¿, দূর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান, জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান, ও টিআইবির মহাপরিচালক মহোদয়ের বরাবরে ডিপ্লোমা-ইন-ফরেষ্ট্রি কোর্স উত্তীর্ণ ছাত্ররা সবিনয় অনুরোধ জানিয়েছেন। অনুলিপি সদয় অবগতি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য নিম্মোক্ত মহলে প্রেরন করা হয়েছে।১। মহামান্য রাষ্টপতি,জনাব এ্যাডভোকেট আব্দুল হামিদ ২। মাননীয় প্রধান মšী¿ শেখ হাসিনা (গণ প্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার ) ৩। পরিবেশ ও বন মন্ত্রনালয় ৪। বাংলাদেশ সচিবালয়(সমগ্র)৫। দূর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান৬। জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান৭। টিআইবির নির্বাহী পরিচালক সহ সকল “প্রিন্ট মিডিয়া” ও ভিভিআইপির সমগ্র দপ্তর।
মোবাইল নং ১।প্রধান বন সংরক্ষক ০১৭১৫-৩৭১৯৬৫,০১৭৬১৪৯৪৬০১  ২। রতন কুমার মজুমদার ০১৭৩৮-৩৬০২২১,০১৭৬১-৪৯৪৬০৩ (চেয়ারম্যান নিয়োগ কমিটি) ৩। আবু হানিফ পাটওয়ারী ০১৭৬১-৪৯৪৬০৭,০১৭৫৬৬৩১৫০৮  (সদস্য সচিব নিয়োগ কমিটি)  ৪। তপন কুমার দে ০১৭২৭-৩২৯৮১৬,৮১৮১১৪২(ঈঋ-ড.খ) ৫। শেখ মিজানুর রহমান (ডিসিসিএফ) ০১৭১৯-৪৮৩৯০৯,৮১২৮২৩০ ৬। মো:- শামসুল আজম(ডিসিএফ) ০১১৯০-৩৭৯১৪২,৮১৮১১৫৩বন খেঁকো ওসমানের পরে, বন অধিদপ্তরের রতনের যতন এখন টাকায় পরিবেশ ও বন মন্ত্রনালয়ের আওতাধীন বন অধিদপ্তরের রাজস্ব খাতে ফরেষ্টার,
ড্রাইভার এবং স্পীড বোট ড্রাইভার ও অফিস সহকারী-কাম-কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক পদে বিগত ০৯/০৭/২০১০ইং তারিখে দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকার মাধ্যমে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয় । উক্ত বিজ্ঞপ্তির প্রেক্ষিতে বিগত ০৬/০৯/২০১৩ ইং তারিখে আগারগাঁও শেরেবাংলা নগর সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, শেরেবাংলা নগর, আগারগাঁও, ঢাকায় ২২৮ জন পরিক্ষার্থীর ফরেষ্টার পদে নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। যার ফলাফল বিগত ২৯/০৯/২০১৩ ইং তারিখে বন অধিদপ্তরের ওয়েব সাইটে  জানানো হয়। কিন্তু পরীক্ষায় ফরেষ্টার পদে ১১৪ টির বিপরীতে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে নিয়োগ কমিটির সভাপতি রতন কুমার মজুমদার ১২০ জন প্রার্থীকে উর্ত্তীণ দেখিয়েছেন। এছাড়াও নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে এস. এস. সিতে বিজ্ঞান বিভাগ ও ডিপ্লোমা-ইন-ফরেষ্ট্রি পাশের সনদের কথা উল্লেখ থাকলেও উক্ত নিয়ম অনুসরণ না করে মানবিক বিভাগ, ব্যবসায়িক বিভাগ ও ডিপ্লোমা-ইন-ফরেষ্ট্রির সনদ ছাড়াও মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে উক্ত লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহনের আওতায় আনা হয়েছে। যা নিয়োগ বিধিমালার সর্ম্পূণ পরিপন্থী। রোল এফ-৪০,১২৯,২২৭ রোল এফ-১২৯ আব্দুল হাই ২০০৫ সালে কুমিল্লা শিক্ষা র্বোড হতে বাণিজ্য বিভাগে এস .এস. সি পাশ করেন। পরীক্ষার এস.এস.সির রোল নং ৫৬৭৩০৪। এ সমস্ত অনিয়মের কারনেই অনেক ফরেষ্ট্রি ডিপ্লোমাধারী প্রার্থী মৌখিক পরীক্ষার সুযোগ হতে বাদ পড়ে। দীর্ঘ দিন নিয়োগ বন্ধ থাকায় অনেক ডিপ্লোমাধারী প্রার্থীদের চাকুরির কোন বয়স না থাকায় এই বিজ্ঞপ্তিতে চাকরি না পেলে অন্যত্র চাকুরির ব্যবস্থা করার সুযোগ থাকবে না। নিয়োগ কমিটির সভাপতি রতন কুমার মজুমদার অবৈধভাবে আর্থিক সুবিধা লাভের জন্য নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে প্রধান বন সংরক্ষক ও নিয়োগ কমিটির সদস্য সচিব এবং সরকারী কর্ম কমিশনের সদস্যদের জিম্মি করে শুধু মাত্র ফরেষ্টার পদে ১১৪ জন নিয়োগ প্রার্থীদের নিকট থেকে চার কোটি, ত্রিশ লক্ষ টাকার বিনিময়ে নিয়োগ গেজেটের বিপরীতে নন-ডিপ্লোমা ও নন সাইন্স এবং ৫ফুট ৪ ইঞ্চি উচ্চতার নিচে ৫ফুট ১ ইঞ্চি উচ্চতার প্রার্থী নিয়োগ দানের জন্য ভাইভা কার্ড ইস্যু করে আগামী ৭ই ডিসেম্বর মৌখিক পরীক্ষা নেওয়ার পায়তারা করছেন। আমাদের মায়ের কসম, নিজ নিজ প্রান ও রক্তের দাবি এখনই
ভুয়া,বিতর্কিত ও অবৈধ কথিত লিখিত পরীক্ষার ফলাফল বাতিল না করিলে,আমরা বন খেঁকো,অযোগ্য,ও অসৎ নিয়োগ কমিটির চেয়ারম্যান ও সদস্য সচিবের প্রতি কঠোর আন্দোলনে যাব! কথিত লিখিত পরীক্ষায় উর্ত্তীণ (ফরেষ্টার পদে) ১২০ জন প্রার্থীর মধ্যে ১৯ জন প্রার্থী বিভিন্ন অধিদপ্তরে (পাসপোর্ট,স্বাস্থ্য,শিক্ষা ও সিটি কর্পোরেশন রোল এফ-২৫৬) সরকারী চাকুরিতে নিয়োজিত আছেন।৩৭ জন প্রার্থী ৫ফুট ৪ ইঞ্চি উচ্চতার নিচে রয়েছেন। নন-ডিপ্লোমা আছেন রোল এফ- ২১৬ ওমর আলী খাঁন, পিতা: মোজাম্মেল খাঁন, মাতা: শাহিদা বেগম, গ্রাম: দেয়াড়া, পো: জুগিহাটি, থানা: রূপসা, জেলা: খুলনা। তার বড় ভাই মো:মামুন বর্তমানে বন বিভাগের খুলনা সার্কেলে বোটম্যান হিসেবে কর্মরত আছেন। দশ লক্ষ টাকার বিনিময়ে তিনি পরীক্ষায় অবৈধভাবে অংশগ্রহনের মাধ্যমে উত্তীর্ণ হয়েছেন। বন বিভাগে চাকুরি করে মা বাবা,আত্বীয়-স্বজন এরকম কোন প্রার্থীই উত্তীর্ণ হতে বাদ পড়েনি। রোল এফ-০৪,০৫,৮৩,৮৪,১০২,১৫৭এর মধ্যে রোল এফ- ১০২ মামুন শিকদার, উপজেলা: রাঙ্গুনিয়া জেলা: চট্টগ্রাম, তার পিতা- বন বিভাগের ফরেষ্ট গার্ড। রোল এফ-৮৪ মো: সাজ্জাদ হোসেন,পিতা-রফিকুল ইসলাম,অফিস সহকারী,বনভবন মহাখালী বন্যপ্রানী শাখায় কর্মরত। দরখাস্ত দাখিলের নিয়মাবলীর দুই নং কলামে স্পষ্ট লেখা আছে সকল প্রকার সনদের অনুলিপি আবেদন পত্রের সহিত সংযুক্ত করতে হবে। কিন্তু সনদ বিহীন দরখাস্তের
আওতায় ১২ তম ব্যাচের ছাত্রবৃন্দ সকলেই তা দরখাস্তের সহিত সংযুক্ত করিতে ব্যর্থ হয়েছেন । এরা হল, রোল এফ ০৮, ১৫, ৩৩, ৩৭, ৪২, ৭৮, ৭৯, ৮৩, ৮৪, ৮৯, ৯১, ৯৪, ১১৪, ১২৪, ১২৯, ১৩০, ১৪৩, ১৬৩, ১৬৫, ১৭৫, ১৮৩, ১৮৬, ১৮৭, ১৯৯, ২২৭, ২৪১, ২৪৩, ২৪৫, ২৪৬, ২৫১। এছাড়াও নিম্ন রোল নম্বরধারী ছাত্রবৃন্দ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে আবেদন করার সময় শেষ হয়ে যাওয়ার ছয় মাস পরে,ডিপ্লোমা-ইন-ফরেষ্ট্রি কোর্স উত্তীর্ণ হয়ে,লিখিত পরিক্ষায় অংশগ্রহন করেছেন। এরা হল,রোল এফ- ১১৯ গীতিময় তনচংগ, রোল এফ- ১২০ শীষেন্দ চাকমা, রোল এফ- ১৬৩ আরিফুর রহমান, জেলা: নাটোর। এছাড়াও নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে জেলা, মুক্তিযোদ্ধা ও
আনসার ভিডিপি কোটা অনুসরণ করার কথা উল্লেখ থাকলেও টাকার বিনিময়ে তাহা বিজ্ঞপ্তিতেই চাপা পড়ে আছে। জেলা, মুক্তিযোদ্ধা ও
আনসার ভিডিপি কোটা অনুসরণ করার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে নিয়োগ কমিটির অদক্ষ,অযোগ্য,ও সরকারী নিয়োগ গেজেট এবং ফরেষ্টার পদে সরকারী নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পর্কে প্রকৃত জ্ঞান না থাকা নিয়োগ কমিটির চেয়ারম্যান রতন কুমার মজুমদার বলেন জেলা, মুক্তিযোদ্ধা ও আনসার ভিডিপি কোটা অনুসরন করা হবে ভাইভার পরে। আসলে রতন কুমার মজুমদার চার কোটি,চল্লিশ লক্ষ অগ্রিম নগদ টাকা পেয়ে (বন অগ্রিমের ন্যায়)উম্মাাদ হয়ে গেছেন। তিনি জেলা, মুক্তিযোদ্ধা ও আনসার ভিডিপি কোটা সম্পর্কে টাকার ভারে ভাল করে বুঝছেন না? যেখানে লিখিত পরীক্ষায় ১৮ জন উর্ত্তীন দেখিয়েছেন(টাংগাইল)সেখানে জেলা কোটায় চাকুরির জন্য জেলা কোটায় বরাদ্দ পদ আছে মাত্র ৩টি।কুমিল্লা জেলায় জেলা কোটায় চাকুরির জন্য বরাদ্দ পদ আছে মাত্র ৩টি। পরীক্ষায় ১৩ জন উর্ত্তীন
দেখিয়েছেন।এমন অনিয়ম তিনি চট্রগ্রাম,বরিশাল,ভোলা,ঝিনাইদহ,কুষ্টিয়া,পটুয়াখালী,বরগুনা এবং কক্সবাজারও ময়মনসিংহ জেলায় ঘটিয়েছেন।অন্যদিকে শেরপুর, নরসিংদী,হবিগন্জ,সিলেট, পিরোজপুর ও নারায়নগন্জ জেলায় ২টি করে জেলা কোটায় শুন্য পদ থাকলেও সেখানে টাকা না পেয়ে রতনকুমার কোন প্রার্থীই উর্ত্তীন দেখাননি।অন্যদিকে কোন কোন জেলায় ৩টি জেলা কোটায় বরাদ্দ পদ থাকলেও মাত্র ১জন করে প্রার্থী উর্ত্তীন দেখিয়েছেন। যাহাদের রোলএফ-১৯৯,৪২ বিতর্কিত এবং প্রার্থী হিসেবে আনফিট(পাবনা,শরিয়তপুর)।এই সমস্ত জেলা কোটা ভাইভার পরে তিনি কিসের ভিত্তিতে পুরন করবেন? ভুক্তভোগী ছাএরা এককভাবে রতন কুমার মজুমদারের কাছে তার সৎ জবাব চেয়েছেন। এছাড়াও অভিযোগ আছে প্রধান বন সংরক্ষক মহোদয় এর একান্ত সহকারী টাংগাইল জেলার বাসিন্দা মো:-এমদাদ টাকার বিনিময়ে পুর্বেই প্রশ্ন পত্র ফাঁস করে দিয়েছিলেন। যার ফলশ্রুতিতে টাংগাইল জেলার প্রার্থীরা ব্যাপক দূর্নীতির মাধ্যমে প্রশ্ন পত্র পেয়ে লিখিত পরীক্ষায় ১ম,২য়,৫ম,৭ম সহ নবমও দশম স্থান অর্জন করেছেন।এই সমস্ত অনিয়মের কারনে মেধাবী ও বয়স না থাকা অনেক প্রার্থীই বাদ পড়েছেন। অন্যান্য ডিপ্লোমাধারীদের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চাকুরি করার সুযোগ থাকলেও ফরেষ্ট্রি ডিপ্লোমাধারীদের বাংলাদেশ বন বিভাগ ছাড়া আর কোথাও চাকুরি করার কোন সুযোগ নেই, কাজেই ব্যাচ ভিত্তিক নিয়োগ দানের জন্য ডিপ্লোমা-ইন-ফরেষ্ট্রি কোর্স উত্তীর্ণ ছাত্রদের দীর্ঘ দিনের দাবি থাকলেও কর্তৃপক্ষ কোনরূপ কর্ণপাত করছেন না। যার কারনে অনেক ডিপ্লোমা-ইন-ফরেষ্ট্রি কোর্স উর্ত্তীণ ছাত্ররা দীর্ঘদিন বেকারত্বের অভিশাপে অভিশপ্ত। ফলে ডিপ্লোমা-ইন-ফরেষ্টি
কোর্স উর্ত্তীণ ছাত্রদেরকে বৃদ্ধ ও অসুস্থ মা-বাবা এবং পরিবার পরিজনদের নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করতে হচ্ছে। উল্লেখ্য,বন অধিদপ্তরে রাজস্ব খাতে ফরেষ্টার পদে বর্তমানে ২৬৬টি পদ শুন্য রয়েছে। প্রধান বন সংরক্ষক মহোদয় বন বিভাগের জনবল সংকট নিরসনের জন্য সরকারী স্বার্থে ডিপ্লোমা-ইন-ফরেষ্ট্রির দরিদ্র ও মানবেতর জীবন যাপন করা ছাত্রদের অবস্থা ভেবে নিয়োগ কমিটিকে ১১৪টি পদের বিপরীতে ১২০ জন প্রার্থী উত্তীর্ণ দেখানো খুবই নগন্য, কাজেই উত্তীর্ণ প্রার্থীর সংখ্যা বাড়ানোর জন্য অফিস আদেশ পত্র দিয়েছেন। নিয়োগ কমিটির সদস্য সচিব সহ সকল সদস্য উত্তীর্ণ প্রার্থীর সংখ্যা বাড়ানোর ব্যাপারে মত প্রকাশ করলেও রতন কুমার মজুমদার পূর্বে ভক্ষন করা টাকা হজম করার জন্য উত্তীর্ণ প্রার্থী বাড়ানোর ব্যাপারে অমত প্রকাশ করেছেন এবং নন-ডিপ্লোমা
ছাত্রদের ডিপ্লোমা-ইন-ফরেষ্ট্রি বানিয়ে বিগত ২৯/০৯/২০১৩ইং তারিখের ফলাফলকেই পূর্ণ বহাল রেখেছেন। রতন কুমার মজুমদারের
জাতীয়তাবোধ, মাতৃত্ববোধ, দেশাত্ববোধ যদি সামান্যতমও থাকত! তাহলে এই নিয়োগ কমিটির সভাপতি পদ ছেড়ে দিয়ে ,একজন
সৎ,যোগ্য ও ন্যায়পরায়ন ব্যক্তিকে নিয়োগ কমিটির সভাপতি পদে নিয়োগের সুযোগ দিয়ে,পূনরায় স্বচ্ছভাবে লিখিত পরীক্ষা গ্রহণ করার
জন্য নিজে সরে যেত। উপরোক্ত অনিয়মের যথাযথ অনুসন্ধানপূর্বক নিয়ম নীতি অনুসরণ করিয়া বন অধিদপ্তরে ফরেষ্টার পদে ব্যাচ ভিত্তিতে নিয়োগ দানের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করার জন্য মাননীয় প্রধান মšী¿র দৃষ্টি আকর্ষণ সহ পরিবেশ ও বন মšী¿, দূর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান, জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান, ও টিআইবির মহাপরিচালক মহোদয়ের বরাবরে ডিপ্লোমা-ইন-ফরেষ্ট্রি কোর্স উত্তীর্ণ ছাত্ররা সবিনয় অনুরোধ জানিয়েছেন।অনুলিপি সদয় অবগতি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য নিম্মোক্ত মহলে প্রেরন করা হয়েছে। ১। মহামান্য রাষ্টপতি,জনাব এ্যাডভোকেট আব্দুল হামিদ২। মাননীয় প্রধান মšী¿ শেখ হাসিনা (গণ প্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার ) ৩। পরিবেশ ও বন মন্ত্রনালয় ৪। বাংলাদেশ সচিবালয়(সমগ্র)৫। দূর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান ৬। জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান৭। টিআইবির নির্বাহী পরিচালক সহ সকল “প্রিন্ট মিডিয়া” ও ভিভিআইপির সমগ্র দপ্তর।
মোবাইল নং ১।প্রধান বন সংরক্ষক ০১৭১৫-৩৭১৯৬৫,০১৭৬১৪৯৪৬০১  ২। রতন কুমার মজুমদার ০১৭৩৮-৩৬০২২১,০১৭৬১-৪৯৪৬০৩ (চেয়ারম্যান নিয়োগ কমিটি) ৩। আবু হানিফ পাটওয়ারী ০১৭৬১-৪৯৪৬০৭,০১৭৫৬৬৩১৫০৮  (সদস্য সচিব নিয়োগ কমিটি)  ৪। তপন কুমার দে ০১৭২৭-৩২৯৮১৬,৮১৮১১৪২(ঈঋ-ড.খ) ৫। শেখ মিজানুর রহমান (ডিসিসিএফ) ০১৭১৯-
৪৮৩৯০৯,৮১২৮২৩০ ৬। মো:- শামসুল আজম(ডিসিএফ) ০১১৯০-৩৭৯১৪২,৮১৮১১৫৩