ঢাকা প্রযুক্তি

মোবাইল ডাটা ট্রান্সফার সক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করছে জুনিপার নেটওয়ার্ক

হটনিউজ ডেস্ক ঢাকা, ৫ ডিসেম্বর :  মোবাইল ব্যাকহোলের জন্য জুনিপার নেটওয়ার্কের এসিএক্স সিরিজ ব্যবহার করছে ট্রান্সমিশন নেটওয়ার্ক অপারেটর  বাংলাদেশে নেটওয়ার্ক সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান সামিট কমিউনিকেশন । বাণিজ্যিকভাবে থ্রিজি সেবা চালুর পর ক্রমবর্ধমান মোবাইল ডাটা ট্রাফিক চাহিদা সহজে ও দ্রুততার সাথে সমাধানে সামিট কমিউনিকেশনকে সহায়তা করছে জুনিপার নেটওয়ার্ক।সামিট কমিউনিকেশন বর্তমানে বাংলাদেশের প্রায় সব ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান, মোবাইলফোন অপারেটর, ওয়াইমেক্স অপারেটর, ক্যাবল টেলিভিশন অপারেটরসহ কিছু সরকারী সংস্থায়ও মোবাইল ব্যাকহোল ও ট্রান্সমিশন সেবা দিচ্ছে। বাংলাদেশের ১৬ কোটি মানুষের মধ্যে ১০ কোটি ৯০ লাখ মোবাইল ফোন ব্যবহারকারী থাকলেও,
মোবাইল ও ফিক্সড লাইন মিলিয়ে মাত্র ৩৬,০০০ গ্রাহক ইন্টারনেট ব্যবহার করে। তাই আশা করা হচ্ছে থ্রিজি সেবা চালু হলে সামিট কমিউনিকেশনের নেটওয়ার্কে ডাটা ট্রাফিক ব্যাপকভাবে বেড়ে যাবে। এই অবস্থায়, পাঁচটি মোবাইল অপারেটরকে ইন্টারনেট সেবা প্রদান করতে সামিট কমিউনিকেশন মোবাইল ব্যাকহোল সক্ষমতা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে। পাঁচটি মোবাইল অপারেটরের বিশ হাজারের বেশি বেইস স্টেশন সাইট রয়েছে। একই সময়ে, সামিট এসডিএইচ ভিত্তিক লিগ্যাসি ট্রান্সপোর্ট থেকে একটি স্থাপত্যে এন্ড-টু-এন্ড ভিত্তিক
নেটওয়ার্কে পরিবর্তিত হতে চায়। যা তাদেরকে নতুন রাজস্ব সেবা তৈরিতে সহায়তা করবে। সামিট কমিউনিকেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও আরিফ আল ইসলাম বলেন, নতুন এই এন্ড-টু-এন্ড আইপি/এমপিএলএস নেটওয়ার্ক নিয়োগ কোম্পানির জন্য কৌশলী উদ্যোগ। এখন পর্যন্ত আমাদের নেটওয়ার্কে বেশির ভাগ ট্রাফিকই ভয়েস। কিন্তু, থ্রিজি মোবাইল সেবার সূচনায় বাংলাদেশে ইন্টারনেট বিপ্লব শুরু হয়েছে। তাই ডাটা প্রবাহ বাড়ানোর জন্য এখন আমরাও প্রস্তুত। জুনিপার নেটওয়ার্ক সল্যুশনের সাথে আমরা যেভাবে লাভবান হচ্ছি তাকে ‘লাস্ট মোভ অ্যাডভান্টেজ’ প্রযুক্তি উন্নয়ন বলা যায়, যা একবছর আগেও সহজলভ্য ছিল
না। এখন আমরা যে নেটওয়ার্ক স্থাপত্য স্থাপন করেছি, তা আমাদের ইন্টারনেট সেবা ব্যবসায় নতুন সুবিধার পাশাপাশি শুধু থ্রিজি সক্ষমতাই দিবে না, এটি বাংলাদেশে যখন ফোরজি-এলটিই আসবে তার জন্যও আমাদের সক্ষম করে তুলবে। জুনিপার নেটওয়ার্কের ভারত ও সার্ক অঞ্চলের ব্যবপস্থাপনা পরিচালক রবি চৌহান বলেন, একটি অ্যাকসেস পয়েন্ট থেকে বিভিন্ন প্রজন্মের মোবাইল ও বিভিন্ন ধরণের ট্রাফিক সেবা সরবরাহকারী উপকরণ সংযোগ অবকাঠামোসহ সামিট কমিউনিকেশন এখন ট্রান্সমিশন নেটওয়ার্ক বিবেচনায় শীর্ষস্থানে অবস্থানে রয়েছে। সিমল্যাস এমপিএলএস এবং একটি নিয়ন্ত্রণ শাখা ও একই নেটওয়ার্ক অপারেটিং সিস্টেমের অধীনে পরিচালতি হওয়ায় নতুন সেবাটি সহজতা, দ্রুতগতিতা ও আর্থিকভাবে টিকে থাকার ক্ষেত্রে ব্যপক পরিবর্তন নিয়ে
আসবে।