অপরাধ মৌলভীবাজার রাজনীতি সিলেট

গাড়ি ভাংচুর ঢাকা-সিলেট মহ-সড়ক ব্যারিকেট

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি: নির্বাচনের ঘোষিত তফসিল প্রত্যাখ্যান করে ২য় দিনেও গাড়ি ভাংচুর, রাস্তায় ব্যারিকেটের মধ্য দিয়ে ৭২ ঘন্টার কমসূর্চী পালন করছে মৌলভীবাজারে ১৮ দলের নেতাকর্মীরা। তবে অবরোধ কর্মসূচীর শুরু হওয়ার পর থেকে ১৮ দলীয় জোটের আহবায়ক ও সাবেক সংসদ সদস্য এম নাসের রহমানকে মাঠে দেখা যায়নি। রোববার সকাল থেকে শহরের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ন রাস্তায় বসে অবরোধ পালন করছে জামায়াত শিবিরসহ ১৮ দল। রবিবার ভোর থেকেই মৌলভীবাজারের ৪টি স্পটে রাস্তা অবরূধ করে মিছিল সমাবেশ করে বিএনপি, জামায়াত, জমিয়ত, যুবদল, ছাত্রদল, ছাত্রশিবির, ছাত্রজমিয়তের নেতা কমীরা। শহরের চাঁদনীঘাট, শমসের নগর রোড, ওয়াপদা পয়েন্ট ও উপজেলা চত্বরে এসব মিছিল সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এসব স্থানে নেতৃত্ব দেন ১৮ দলীয় সংগ্রাম কমিটি মৌলভীবাজার জেলা যুগ্ন আহ্বায়ক ও মৌলভীবাজার জেলা জামায়াত আমীর আব্দুল মান্নান, বিএনপির প্রথম যুগ্ন সম্পাদক ও মৌলভীবাজার জেলা সংগ্রাম কি আব্দুল মুকিত, জেলা জামায়াত সেক্রেটারী ইন্জিনিয়ার সাহেদ আলী, জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি আলহাজ্ব ইউসুফ আলী, সদর থানা বিএনপির আহ্বায়ক মৌলভী আব্দুল ওয়ালী সিদ্দিকী, জামায়াতের পৌর আমীর
ইয়ামীর আলী, পৌর বিএনপির আহ্বায়ক এড আনোয়ার আক্তার শিউলী, সদর উপজেলা আমীর আলাউদ্দিন শাহ, সদর থানা বিএনপির
যুগ্ন আহ্বায়ক মোঃ ফখরুল ইসলাম, জেলা জমিয়তের সহ-সাধারন সম্পাদক শাহ মাসুকুর রশীদ, ছাত্রদল নেতা আলী ছব্দর খান
বাবর, কামাল আহমদ, পিপলু আহমদ, ছাত্রশিবির মৌলভীবাজার শহর সভাপতি হাফেজ তাজুল ইসলাম, জেলা সভাপতি দেলোওয়ার হোসেন, ছাত্রজমিয়ত জেলা সভাপতি জিল্লুর রহমান, যুবদল নেতা মুজিবুর রহমান মজনু, হেলু মিয়া, মতিন বক্স, মুক্তার হোসেন, আনসার মিয়া, মোবারক আহমদ প্রমুখ। অরোধের কারনে পরীক্ষার্থীসহ সাধারন মানুষ চরম র্দূভোগে পড়ে। দুরপাল্লার বাস চলাচল না
করলেও রেল ও ছোট ছোট যানবাহন চলাচল করছে। শহরে নাশকতা এড়াতে র‌্যাব ও পুলিশের টহল জোরধার করা হয়েছে। তবে শ্রীমঙ্গল উপজেলার দুপুর ১টায় মতিগঞ্জ এলাকায় ৫টি সিএনজি ভাংচুর করে বিএনপির কর্মীরা। এছাড়া জেলা ৬টি উপজেলায় শান্তিপূর্ন
অবরোধ পালনের খবর পাওয়া গেছে।