জাতীয় ঢাকা প্রধান খবর রাজনীতি সারাদেশ

আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেলেন যারা

 নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা, ২৯ নভেম্বর:  আসছে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনে দলীয় প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করেছে আওয়ামী লীগ। আজ শুক্রবার থেকেই ভাগ্যবান প্রার্থীদের কাছে দলীয় মনোনয়নের চিঠি দেয়া শুরু হবে। বুধবার ও বৃহস্পতিবার এ দুই দিন আওয়ামী লীগের সংসদীয় কমিটির দফায় দফায় বৈঠকে এসব মনোনয়ন চূড়ান্ত করা হয়।

আওয়ামী লীগের নির্ভরযোগ্য একাধিক সূত্র বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। নির্ভরযোগ্য সূত্রগুলো জানিয়েছে, যেসব প্রার্থীর মনোনয়ন চূড়ান্ত করা হয়েছে, তাদের অনেককেই ইতোমধ্যে মৌখিকভাবে বিষয়টি জানিয়ে দেয়া হয়েছে।

পাশাপাশি ওইসব আসনের মনোনয়নপ্রত্যাশী নেতাদের অনেককে দলীয় প্রার্থীর পক্ষে কাজ করার জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনাও দেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার আওয়ামী লীগের পার্লামেন্টারি বোর্ডের বৈঠক মুলতুবি শেষে তোফায়েল আহমদ সাংবাদিকদের বলেন, শুক্রবারের মধ্যে তিনশ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী চূড়ান্ত করা হবে। তারপর ১৪ দলের সঙ্গে আলোচনা করে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করে হবে।

দলীয় সূত্রমতে, নির্বাচন কমিশন এবং সারা দেশের সকল জেলা প্রশাসকের কাছে দলের আসন ধরে প্রার্থীদের নাম পাঠানো হবে। নির্বাচন কমিশন ও জেলা প্রশাসকদের কাছেও প্রতি আসনের জন্য সম্ভাব্য দুই জন করে প্রার্থীর নাম পাঠানোর জন্য প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে।

দলীয় সুত্রমতে, দু’টি বিষয় সামনে রেখে আওয়ামী লীগ আসন্ন সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য প্রার্থী চূড়ান্ত করছে। প্রথমত ভাবা হচ্ছে, একতরফা নির্বাচনের বিষয়টি।
সেক্ষেত্রে বর্তমান এমপিদের অগ্রাধিকার দেয়া হচ্ছে। দ্বিতীয়ত বিএনপি নির্বাচনে এলে যেমন প্রার্থী দরকার, ঠিক তেমন প্রার্থীও রাখা হচ্ছে তালিকায়।

অপরদিকে ঋণখেলাপী কিংবা অন্য কোনো কারণে প্রার্থিতা বাতিলের আশংকায় বিকল্প প্রার্থীর নাম পাঠানোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত রয়েছে আওয়ামী লীগের। কিছু আসনের ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে জাতীয় পার্টি, জেপি এবং ১৪ দলের শরিক দলগুলোর সঙ্গে কথা বলবে আওয়ামী লীগ। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের ঠিক আগে আগে এসব আসনের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলে জানা যায়।

আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করা না হলেও দলের একাধিক সূত্র থেকে পাওয়া সুত্র মতে চূড়ান্ত প্রার্থীরা হলেন,

গাজীপুর-১ আ, ক, ম মোজাম্মেল হক, গাজীপুর-২ মো. জাহিদ আহসান রাসেল, গাজীপুর-৩, গাজীপুর-৪ বেগম সিমিন হোসেন (রিমি) এবং গাজীপুর-৫ আখতারুজ্জামান।

নরসিংদী-১ মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, নরসিংদী-২ আনোয়ারুল আশরাফ খান, নরসিংদী-৩ সিরাজুল ইসলাম মোল্লা, নরসিংদী-৪ নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন এবং নরসিংদী-৫ রাজি উদ্দিন আহমেদ।

নারায়ণগঞ্জ-১ গোলাম দস্তগীর গাজী, নারায়ণগঞ্জ-২ মো. নজরুল ইসলাম বাবু, নারায়ণগঞ্জ-৩ আবদুল্লাহ-আল-কায়সার এবং নারায়ণগঞ্জ-৪ শামীম ওসমান।

মুন্সিগঞ্জ-১ ও মুন্সিগঞ্জ-২ সাগুফতা ইয়াসমিন ও মুন্সিগঞ্জ-৩ মোহাম্মদ মহিউদ্দিন। রাজবাড়ী-১ কাজী কেরামত আলী ও রাজবাড়ী-২ মো. জিললুল হাকিম।

ফরিদপুর-১ লিয়াকত সিকদার, ফরিদপুর-২ সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী, ফরিদপুর-৩ খন্দকার মোশাররফ হোসেন এবং ফরিদপুর-৪ কাজী জাফর উল্লাহ।

গোপালগঞ্জ-১ মুহাম্মদ ফারুক খান, গোপালগঞ্জ-২ শেখ ফজলুল করিম সেলিম এবং গোপালগঞ্জ-৩ শেখ হাসিনা।
মাদারীপুর-১ নূরে আলম চৌধুরী (লিটন চৌধুরী), মাদারীপুর-২ শাজাহান খান, মাদারীপুর-৩ ড. আব্দুস সোবহান গোলাপ, শরীয়তপুর-১ বিএম মোজাম্মেল হক, শরীয়তপুর-২ কর্নেল (অব.) শওকত আলী এবং শরীয়তপুর-৩ নাহিম রাজ্জাক।

পঞ্চগড়-১ মো. মুনির হোসেন, পঞ্চগড়-২ নূরুল ইসলাম সুজন, ঠাকুরগাঁও-১ রমেশ চন্দ্র সেন, ঠাকুরগাঁও-২ দবিরুল ইসলাম ও ঠাকুরগাঁও-৩ মহাজোট/ইমদাদুল হক।

দিনাজপুর-১ মনোরঞ্জন শীল গোপাল (বিকল্প সতীশ চন্দ্র রায়), দিনাজপুর-২ খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, দিনাজপুর-৩ ইকবালুর রহিম, দিনাজপুর-৪ এ এইচ মাহমুদ আলী, দিনাজপুর-৫ মুস্তাফিজুর রহমান ফিজার এবং দিনাজপুর-৬ শিবলী সাদিক।

মেহেরপুর-১ ফরহাদ হোসেন, মেহেরপুর-২ সাহিদুজামান খোকন, কুষ্টিয়া-১ এডভোকেট সরোয়ার জাহান বাদশা, কুষ্টিয়া-২ (মহাজোটের জন্য সংরক্ষিত), কুষ্টিয়া-৩ মাহবুব-উল-আলম হানিফ এবং কুষ্টিয়া-৪ আব্দুর রউফ।

চুয়াডাঙ্গা-১ আজিজুল ইসলাম আজাদ, চুয়াডাঙ্গা-২ মো. আলী আজগার, ঝিনাইদহ-১ মো. আব্দুল হাই, ঝিনাইদহ-২ মো. সফিকুল ইসলাম, ঝিনাইদহ-৩ সাজ্জাতুজ জুম্মা, এবং ঝিনাইদহ-৪ আব্দুল মান্নান।

যশোর-১ শেখ আফিল উদ্দিন, যশোর-২ এবিএম আহসানুল হক, যশোর-৩ শাহীন চাকলাদার, যশোর-৪ রণজিত কুমার রায়, যশোর-৫ স্বপন ভট্টাচার্য এবং যশোর-৬ শাহ হাদীউদজ্জামান।

মাগুরা-১ মোহাম্মদ সিরাজুল আকবর, মাগুরা-২ বীরেন শিকদার। নড়াইল-১ মো. কবিরুল হক, নড়াইল-২ এডভোকেট সুভাষ চন্দ্র বোস। বাগেরহাট-১ শেখ হেলাল উদ্দীন, বাগেরহাট-২ কামরুজ্জামান টুকু, বাগেরহাট-৩ তালুকদার আব্দুল খালেক এবং বাগেরহাট-৪ ডা. মোজাম্মেল হক।

খুলনা-১ পঞ্চানন বিশ্বাস, খুলনা-২ মিজানুর রহমান মিজান, খুলনা-৩ মন্নুজান সুফিয়ান, খুলনা-৪ মোস্তফা রশীদি সুজা, খুলনা-৫ প্রফেসর ড. মো. মাহাবুব-উল-ইসলাম এবং খুলনা-৬ নুরুল হক। সাতক্ষীরা-১ এ বি এম নজরুল ইসলাম, সাতক্ষীরা-২ মো. নজরুল ইসলাম সাতক্ষীরা-৩ লে. কর্নেল (অব.) জামায়েত আলী।

নেত্রকোনা-১ মোশতাক আহমেদ রুহী, নেত্রকোনা-২ কর্নেল (অব.) নূর খান, নেত্রকোনা-৩ শামসুল কবির খান, নেত্রকোনা-৪ শফি আহমেদ ও নেত্রকোনা-৫ ওয়ারেসাত হোসেন বেলাল।

কিশোরগঞ্জ-১ সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম, কিশোরগঞ্জ-২ এড. সোহরাব উদ্দিন কিশোরগঞ্জ-৪ রেজোয়ান আহমেদ তৌফিক, কিশোরগঞ্জ-৫ আফজাল হোসেন এবং কিশোরগঞ্জ-৬ নাজমুল হাসান পাপন। মানিকগঞ্জ-১ এ বি এম আনোয়ারুল হক, মানিকগঞ্জ-৩ জাহিদ মালেক রতন।

টাঙ্গাইল-১ ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক, টাঙ্গাইল-২ আশরাফুজ্জামান স্মৃতি, খন্দকার আসাদুজ্জামান, টাঙ্গাইল-৪ আবদুল লতিফ সিদ্দিকী, টাঙ্গাইল-৬ খন্দকার আবদুল বাতেন, টাঙ্গাইল-৭ মো. একাব্বর হোসেন এবং টাঙ্গাইল-৮ শওকত মোমেন শাহজাহান।

জামালপুর-১ আবুল কালাম আযাদ, জামালপুর-২ ফরিদুল হক খান দুলাল, জামালপুর-৩ মির্জা আজম, জামালপুর-৪ ডা. মো. মুরাদ হাসান এবং জামালপুর-৫ রেজাউল করিম হীরা। শেরপুর-১ আতিউর রহমান আতিক, শেরপুর-২ মতিয়া চৌধুরী ও শেরপুর-৩ এসএম ওয়ারেছ নাইম।

নীলফামারী-২ আসাদুজ্জামান নূর, কুড়িগ্রাম-২ মো. জাফর আলী, কুড়িগ্রাম-৩ জাকির হোসেন এবং নীলফামারী-৪ ইঞ্জিনিয়ার শেখ সেকেন্দার আলী। লালমনিরহাট-১ মোতাহার হোসেন।

নওগাঁ-১ সাধন চন্দ্র মজুমদার, নওগাঁ-২ শহীদুজ্জামান সরকার, নওগাঁ-৩ এডভোকেট হারুন অর রশীদ, নওগাঁ-৪ এস এম ব্রাহানী সুলতান মাহমুদ (গামা), নওগাঁ-৫ আব্দুল মালেক এবং নওগাঁ-৬ শাহীন মনোয়ারা হক। রাজশাহী-১ মতিউর রহমান, রাজশাহী-৩ জিনাতুন নেছা তালুকদার, রাজশাহী-৪ এনামুল হক এবং রাজশাহী-৫ এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন।

ঢাকা-১ আব্দুল মান্নান খান, ঢাকা-২ মো. কামরুল ইসলাম, ঢাকা-৩ নসরুল হামিদ, ঢাকা-৪ ড. আওলাদ হোসেন, ঢাকা-৫ হাবিবুর রহমান মোল্লা, ঢাকা-৬ সাঈদ খোকন, ঢাকা-৭ মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, ঢাকা-৯ সাবের হোসেন চৌধুরী, ঢাকা-১০ এ. কে. এম রহমতুল্লাহ, ঢাকা-১১ আসাদুজ্জামান খান, ঢাকা-১২ শেখ ফজলে নূর তাপস, ঢাকা-১৩ জাহাঙ্গীর কবির নানক, ঢাকা-১৪ মো. আসলামুল হক, ঢাকা-১৫ কামাল আহমেদ মজুমদার, ঢাকা-১৬ মো. ইলিয়াস উদ্দিন মোল্লা, ঢাকা-১৮ সাহারা খাতুন, ঢাকা-১৯ ডা. এনামুল হক এবং ঢাকা-২০ বেনজীর আহমদ।

নাটোর-২ শফিকুল ইসলাম শিমুল, নাটোর-৩ জুনাইদ আহমেদ পলক ও নাটোর-৪ মো. আব্দুল কুদ্দুস। সিরাজগঞ্জ-১ মোহাম্মদ নাসিম, সিরাজগঞ্জ-২ ডা. হাবিবে মিল্লাত (মুন্না), সিরাজগঞ্জ-৪ মো. শফিকুল ইসলাম, সিরাজগঞ্জ-৫ মো. আব্দুল লতিফ বিশ্বাস এবং সিরাজগঞ্জ-৬ চয়ন ইসলাম।

পাবনা-১ শামসুল হক টুকু, পাবনা-২ মির্জা আব্দুল জলিল, পাবনা-৩ মকবুল হোসেন এবং পাবনা-৫ গোলাম ফারুক খন্দকার।

বরগুনা-১ ধীরেন্দ্র দেবনাথ সম্ভু, বরগুনা-২ শওকত হাসানুর রহমান লিমন, পটুয়াখালী-১ এডভোকেট শাহজাহান মিয়া, পটুয়াখালী-২ আ স ম ফিরোজ, পটুয়াখালী-৩ আ খ ম জাহাঙ্গীর হোসাইন এবং পটুয়াখালী-৪ মো. মাহবুবুর রহমান।
ভোলা-১  মাহবুবুর রহমান হিরন, ভোলা-২ তোফায়েল আহমেদ, ভোলা-৩ মেজর (অব.) জসিম উদ্দি ও ভোলা-৪ আব্দুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব।

বরিশাল-১ আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহ, বরিশাল-৪ মাঈদুল ইসলাম, বরিশাল-৫ মাহাবুব উদ্দিন আহমেদ ও বরিশাল-৬ ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হাফিজ মল্লিক। ঝালকাঠি-২ আমির হোসেন আমু। পিরোজপুর-২ ইসহাক আলী খান পান্না, পিরোজপুর-৩ সাদেকুর রহমান।

ময়মনসিংহ-১ প্রমোদ মানকিন, ময়মনসিংহ-২ হায়াতোর রহমান খান, ময়মনসিংহ-৩ মজিবুর রহমান ফকির, ময়মনসিংহ-৫ কে এম খালিদ, ময়মনসিংহ-৬ মো. মোসলেম উদ্দিন, ময়মনসিংহ-৭ রেজা আলী, ময়মনসিংহ-৮ মাহমুদ হাসান সুমন, ময়মনসিংহ-৯ মেজর জেনারেল আবদুস সালাম, ময়মনসিংহ-১০ ফাহিম গোলন্দাজ এবং ময়মনসিংহ-১১ কাজিমুদ্দিন আহমেদ ধনু।

গাইবান্ধা-২ মাহাবুব আরা বেগম গিনি, গাইবান্ধা-৪ মো. মনোয়ার হোসেন চৌধুরী ও গাইবান্ধা-৫ মো. ফজলে রাব্বী মিয়া। বগুড়া-১ আব্দুল মান্নান, বগুড়া-২ আকরাম হোসেন. বগুড়া-৩ আনছার আলী মৃধা, বগুড়া-৪ রেজাউল আশরাফ জিন্নাহ এবং বগুড়া-৫ মো. হাবিবুর রহমান। চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ গোলাম রাব্বানী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ জিয়াউর রহমান ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ মো. আব্দুল ওদুদ।

সুনামগঞ্জ-১ এডভোকেট শামীমা শাহরিয়ার, সুনামগঞ্জ-২ সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত, সুনামগঞ্জ-৩ এম এ মান্নান, সুনামগঞ্জ-৪ নুরুল হুদা মুকুট এবং সুনামগঞ্জ-৫ মুহিবুর রহমান মানিক।

সিলেট-১ বদর উদ্দিন আহমেদ কামরান, সিলেট-২ শফিকুর রহমান চৌধুরী, সিলেট-৩ মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী, সিলেট-৪ ইমরান আহমদ, সিলেট-৫ হাফিজ আহমদ মজুমদার এবং সিলেট-৬ নুরুল ইসলাম নাহিদ।

মৌলভীবাজার-১ মো. শাহাব উদ্দিন, মৌলভীবাজার-২ সুলতান মোহাম্মদ মনসুর, মৌলভীবাজার-৩ সৈয়দ মহসিন আলী ও মৌলভীবাজার-৪ মো. আব্দুস শহীদ। হবিগঞ্জ-১ শাহনেওয়াজ গাজী (মিলাদ গাজী), হবিগঞ্জ-২ মো. আব্দুল মজিদ খান, হবিগঞ্জ-৩ ড. রেজা কিবরিয়া এবং হবিগঞ্জ-৪ এনামুল হক।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ মোহাম্মদ ছায়েদুল হক, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ র, আ, ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ মোহাম্মদ শাহআলম ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ এ বি তাজুল ইসলাম। কুমিল্লা-১ মোহাম্মদ সুবিদ আলী ভূঁইয়া, কুমিল্লা-৪ এ, বি, এম, গোলাম মোস্তফা, কুমিল্লা-৫ আব্দুল মতিন খসরু, কুমিল্লা-৬ আ ক ম বাহাউদ্দিন, কুমিল্লা-৭ অধ্যাপক মো. আলী আশরাফ, কুমিল্লা-৮ আব্দুল হাকিম, কুমিল্লা-৯ মো. তাজুল ইসলাম, কুমিল্লা-১০ ড. কামরুজ্জামান এবং কুমিল্লা-১১ মো. মুজিবুল হক।

চাঁদপুর-১ ড. মহিউদ্দীন খান আলমগীর, চাঁদপুর-২ মোফাজ্জেল হোসেন চৌধুরী মায়া, চাঁদপুর-৩ সুজিত রায় নন্দী ও চাঁদপুর-৫ মেজর (অবঃ) রফিকুল ইসলাম, বীর উত্তম। নোয়াখালী-১ ড. শিরিন শারমিন চৌধুরী, নোয়াখালী-২ ড. জামাল উদ্দিন আহম্মেদ, নোয়াখালী-৩  মিনহাজ আহম্মেদ জাবেদ, নোয়াখালী-৪ মোহাম্মদ একরামুল করিম চৌধুরী, নোয়াখালী-৫ ওবায়দুল কাদের এবং নোয়াখালী-৬ মোহাম্মাদ আলী। ফেনী-১ মোস্তাফিজুর রহমান দুলাল, ফেনী-২ ইকবাল সোবহান চৌধুরী ও ফেনী-৩ মো. আবুল বাশার।

চট্টগ্রাম-১ ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, চট্টগ্রাম-২ ফখরুল আনোয়ার, চট্টগ্রাম-৩ এ বি এম আবুল কাসেম, চট্টগ্রাম-৫ এ, বি, এম, ফজলে করিম চৌধুরী, চট্টগ্রাম-৬ মোহাম্মদ হাছান মাহমুদ, চট্টগ্রাম-৮ নুরুল ইসলাম বি. এসসি, চট্টগ্রাম-৯ মো. আফছারুল আমীন, চট্টগ্রাম-১০ খোরশেদ আলম সুজন, চট্টগ্রাম-১১ সামশুল হক চৌধুরী এবং চট্টগ্রাম-১২ সাইফুজ্জামান চৌধুরী।

কক্সবাজার-১ সালাহ উদ্দিন আহমদ সিআইপি, কক্সবাজার-২ বিজ্ঞানী ড. আনছারুল করিম কক্সাবাজার-৩ সাইমুম সরওয়ার কমল ও কক্সাবাজার-৪ অধ্যাপক হামিদুল হক চৌধুরী।
পার্বত্য খাগড়াছড়ি যতীন্দ্র লাল ত্রিপুরা, রাঙামাটি দীপঙ্কর তালুকদার, বান্দরবান বীর বাহাদুর।

তবে এ তালিকায় যেকোনো ধরনের রদবদল হতে পারে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আওয়ামী লীগ সংসদীয় বোর্ডের একজন সদস্য বলেন, দলের সভানেত্রী শেখ হাসিনা চাইলে পার্লামেন্টারি বোর্ড মনোনীত প্রার্থীও পরিবর্তন করতে পারেন। এ ব্যাপারে তাকে সব ধরনের ক্ষমতা দেয়া আছে।

সেক্ষেত্রে আওয়ামী লীগের পার্লামেন্টারি বোর্ড মনোনীত প্রার্থীও শেষ পর্যন্ত দলীয় মনোনয়ন থেকে বাদ পড়তে পারেন। এখন ১৪ দলীয় নেতাকর্মীদের অপেক্ষা শুধু নির্বাচনের।