জাতীয় ঢাকা রাজনীতি

তারেকের রায় না দিতে সাংবাদিকদের বিবৃতি

 নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা ১৭ নভেম্বর:  দেশের প্রায় এক হাজার সাংবাদিক এক যুক্ত বিবৃতিতে বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে তড়িঘড়ি করে দণ্ডাদেশ প্রদান থেকে বিরত থাকার আহবান জানিয়েছেন সরকারকে। বিবৃতিতে সাংবাদিকরা উল্লেখ করেন, এর ফলে চলমান রাজনৈতিক সংকট আরও ঘনিভূত হবে। তারা এ ধরনের ষড়যন্ত্র থেকে সরকারকে সরে আসারও আহ্বান জানান। বিবৃতিতে স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে রয়েছেন সম্পাদক, রাষ্ট্রীয় একুশে পদকে ভূষিত সাংবাদিক, বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠনের নেতাসহ বিশিষ্ট সাংবাদিকরা।

স্বাক্ষরকারী সাংবাদিকদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছেন, শফিক রেহমান, সংগ্রাম সম্পাদক আবুল আসাদ, নয়াদিগন্ত সম্পাদক আলমগীর মহিউদ্দিন, বিশিষ্ট ভাষা সংগ্রামী ও একুশে পদকে ভূষিত দৈনিক ইনকিলাবের ফিচার সম্পাদক অধ্যাপক আবদুল গফুর, দৈনিক ইত্তেফাকের সাবেক সাহিত্য সম্পাদক একুশে পদকে ভূষিত কবি আল মুজাহিদী, দিনকাল সম্পাদক ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী, বিএফইউজে সভাপতি রুহুল আমিন গাজী, মহাসচিব শওকত মাহমুদ, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি কামাল উদ্দিন সবুজ, ডিইউজের সভাপতি কবি আবদুল হাই শিকদার, একুশে পদকপ্রাপ্ত সাংবাদিক ছড়াকার আবু সালেহ ও ফটোসাংবাদিক মোহাম্মদ কামরুজ্জামান, সাপ্তাহিক ফসল সম্পাদক এরশাদ মজুমদার, নিউনেশনের সাবেক সম্পাদক মোস্তফা কামাল মজুমদার, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আবদাল আহমদ, বিএফইউজের সিনিয়র সহকারি মহাসচিব এম. আবদুল্লাহ, ডিইউজের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম প্রধান, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান, ফটোজার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক নুরুদ্দিন আহমেদ, ডিপ্লোমেটিক করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক বশীর আহমদ, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি খোন্দকার মনিরুল আলম, বিএফইউজের সাবেক মহাসচিব এম এ আজিজ, ডিইউজের সাবেক সভাপতি এলাহী নেওয়াজ খান সাজু ও আবদুশ শহিদ, ফটোজার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি এ কে এম মহসীন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মীর আহাম্মেদ মীরু, লালপিঁপড়া সম্পাদক কবি মাহমুদ শফিক, ডিইউজের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মুন্সি আবদুল মান্নান, সরদার ফরিদ আহমদ ও মুহাম্মদ বাকের হোসোইন, দৈনিক ইত্তেফাকের সাবেক নির্বাহী সম্পাদক আবদুল বাতেন, কালের কণ্ঠের সাবেক ব্যবস্থাপনা সম্পাদক সৈয়দ মেজবাহ উদ্দিন, বাসস`র সাবেক প্রধান বার্তা সম্পাদক (বাংলা) গোলাম মহিউদ্দিন খান, বিশিষ্ট কবি ও সাংবাদিক হাসান হাফিজ, টিভি ব্যক্তিত্ব ড. আবদুল হাই সিদ্দিক, সরগম সম্পাদক ও জাতীয় প্রেস ক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি কাজী রওনাক হোসেন, জাতীয় প্রেস ক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক কাদের গণি চৌধুরী, সিনিয়র সাংবাদিক নুরুল হুদা, দিনকালের বার্তা সম্পাদক মিজানুর রহমান ভুঁইয়া, বিশিষ্ট কলামিস্ট খন্দকার হাসনাত করিম পিন্টু, আমিনুর রহমান সরকার, দৈনিক আমার দেশ-এর বার্তা সম্পাদক জাহেদ চৌধুরী, নয়াদিগন্তের উপসম্পাদক মাসুমুর রহমান খলিলী, দৈনিক ইত্তেফাকের সিনিয়র সাংবাদিক আনোয়ার আলদীন, জাস্টনিউজবিডি সম্পাদক মুশফিকুল ফজল আনসারি, আবদুল আওয়াল ঠাকুর, কাজিম রেজা, মাহমুদা চৌধুরী, শাহ আহমদ রেজা, সঞ্জীব চৌধুরী, আমিরুল ইসলাম কাগজী, নয়াদিগন্তের চিফ রিপোর্টার হারুন জামিল, দিনকালের বিশেষ প্রতিনিধি আতিকুর রহমান রুমন, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি শামসুল হক হায়দরী ও সাধারণ সম্পাদক শাহনেওয়াজ, আমার দেশ চট্টগ্রামের ব্যুরোব চিফ জাহিদুল করিম কচি, রাজশাহীর সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক ড. সরদার আনিছুর রহমান, মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন, খুলনার সাধারণ সম্পাদক হাসান মোল্লা, যশোর সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মহিদুল ইসলাম মন্টু, সাংবাদিক ইউনিয়ন, বগুড়ার সভাপতি সৈয়দ ফজলে রাব্বী ডলার, কক্সবাজার সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক জিএম আশেক উল্লাহ, কুমিল্লা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি শফিউল্লাহ, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন দৈনিক আমার দেশ-এর ইউনিট চিফ বাছির জামাল, দৈনিক সংগ্রাম ইউনিট চিফ শহিদুল ইসলাম, নয়াদিগন্ত ইউনিট চিফ হাসান শরিফ, দৈনিক ইনকিলাব ইউনিট চিফ ওমর ফারুক আল হাদী, দিনকালের ইউনিট চিফ সৈয়দ আকরাম, মুক্তখবরের ইউনিট চিফ শিকদার আলমগীর, স্বাধীন মতের ইউনিট চিফ তোফায়েল হোসেন, বাসস-এর আবুল কালাম মানিক, দিগন্ত টিভির ইমরান আনসারি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সাবেক সভাপতি মাহাবুবুর রহমান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান সাগর প্রমুখ।