অপরাধ জাতীয় বরিশাল ভোলা

বোন ও প্রেমিককে ধরে নিয়ে গেল পুলিশ ; অতঃপর বিয়ে

 ভোলা প্রতিনিধি :  শিবির কর্মী ইব্রাহিমকে না পেয়ে  বোন আরজু ও তার প্রেমিককে ধরে নিয়ে যায় পুলিশ। পরবর্তীতে  প্রেমিক যুগলকে বিয়ে দেয়া হয়। শুক্রবার সকালে ভোলার তজুমদ্দিনে  এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ওই এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।  স্থানীয়রা জানায়, তজুমদ্দিন থানা পুলিশ ইব্রাহিম নামে এক
শিবির কর্র্মীকে ধরতে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ২টার দিকে  উপজেলার ৩ নম্বর চাচড়া ইউনিয়নের মোল্লা বাড়িতে অভিযান  চালায়। কিন্তু ওই বাড়িতে শিবির কর্মী ইব্রাহিম বাড়ি ছিলেন  না। তাকে না পেয়ে বাড়ির একটি কক্ষে শিবির কর্মী ইব্রাহিমের  বোন আরজু বেগম তার প্রেমিক আলাউদ্দিনের সঙ্গে আপত্তিকর  অবস্থায় দেখে পুলিশ তাদেরকে থানায় ধরে নিয়ে যায়। পরদিন শুক্রবার  সকালে পুলিশ স্থানীয় কাজী অফিসে নিয়ে স্থানীয় গন্যমান্য  ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে প্রেমিক যুগলকে বিয়ে পড়িয়ে দেয়।  ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে প্রেমিক আলাউদ্দিনের ভাই  নিরব জানান, ৬ বছর আগে বোরহানউদ্দিন উপজেলার হাসান নগর  ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত সানু মিয়ার ছেলে মালয়েশিয়া  প্রবাসী সিরাজের সঙ্গে তজুমদ্দিন উপজেলার ৩ নম্বর চাচড়া
ইউনিয়নের মোল্লা বাড়ির মৃত মিন্টু মাঝির মেয়ে আরজুর বিয়ে  হয়। বিয়ের এক মাস পর স্বামী সিরাজ মালয়েশিয়া চলে যান।  এদিকে দির্ঘ দিন ধরে আরজুর সঙ্গে তজুমদ্দিন উপজেলার চাচড়া  গ্রামের ফার্ণিচার ব্যবসায়ী আলাউদ্দিনের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে  ওঠে। তাদের এ সম্পর্ক এক পর্যায়ে দৈহিক সম্পর্কে রুপ নেয়। এর  জের ধরে প্রায়ই আলাউদ্দিন তার প্রেমিকা আরজুর বাড়িতে আসা  যাওয়া করতেন। বৃহস্পতিবার আরজুর ভাই ইব্রাহিমকে না পেয়ে  আরজু ও তার প্রেমিক আলউদ্দিনকে পুলিশ ধরে থানায় নিয়ে যায়।  শুক্রবার সকালে পুলিশ আরজুর সঙ্গে প্রেমিক আলাউদ্দিনের দ্বিতীয়  বারের মতো বিয়ে দেয়।  বোরহানউদ্দিন উপজেলার হাসান নগর ইউনিয়নের সাবেক  চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিন চৌধুরী বলেন, শিবির কর্মী  ইব্রাহিমকে না পেয়ে বোন আindexরজু ও তার প্রেমিককে ধরে নিয়ে
পুলিশ প্রেমিক যুগলকে বিয়ে দেয়ার ঘটনায় এলাকায় বেশ চাঞ্চলের সৃষ্টি হয়েছে। তজুমদ্দিন থানার ওসি মোঃ মাহবুবুর রহমান বলেন, ইব্রাহিম  ওয়ারেন্টের একজন আসামী। তাই পুলিশ ওই রাতে তাকে গ্রেপ্তার  করতে তার বাড়িতে গিয়েছিল। কিন্তু তাকে পায়নি। তবে, তাকে না  পেয়ে পুলিশ বোন ও প্রেমিককে ধরে বিয়ে দেয়ার ঘটনা তার জানা নেই। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে তিনি পরে জানাবেন বলেও জানান।